শিাব্যবস্থাকে এমনভাবে রূপান্তর করতে হবে যাতে তা ‘লার্নিং টু আর্নিং’ সংযোগকে শক্তিশালী করে : শিামন্ত্রী

Printed Edition

দেশের শিাব্যবস্থাকে এমনভাবে রূপান্তর করতে হবে, যাতে তা ‘লার্নিং টু আর্নিং’-এর সংযোগকে আরও শক্তিশালী করে এবং শিার্থীদের বাস্তব জীবনে কার্যকর দতা অর্জনে সহায়তা করে এমন মন্তব্য করেছেন শিামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

দ্রুত বিকাশমান ডিজিটাল অর্থনীতির চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চশিাকে আরো সময়োপযোগী, ব্যবহারিক ও দতাভিত্তিক করে তুলতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে নতুনভাবে দতাভিত্তিক কোর্স অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ উপলে গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে দতাভিত্তিক কোর্স অন্তর্ভুক্তকরণবিষয়ক কর্মশালা’র উদ্বোধন করেন শিামন্ত্রী।

কর্মশালাটির আয়োজন করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এতে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো: লুৎফর রহমান, এটুআই প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহা: আব্দুর রফিক এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ এমানুয়েল আব্রিউক্স।

উদ্যোগটির জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে শিামন্ত্রী বলেন, এ উদ্যোগ ভবিষ্যতের শিাব্যবস্থাকে আরো দতাভিত্তিক ও কর্মসংস্থানমুখী করে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। যুগোপযোগী কারিগরি দতা অর্জনের মাধ্যমে শিার্থীরা নিজেদের আগ্রহ ও প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট দতা অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের সরাসরি শ্রমবাজারে আরো প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে। এ ল্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যেই প্রায় ১২ হাজার শিককে প্রশিণের আওতায় আনা হয়েছে, যা একটি বড় অর্জন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মমুখী শিা বাস্তবায়নের এ উদ্যোগ সফল করতে সরকার সার্বিক সহযোগিতা দেবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বলেন, দেশে উচ্চশিায় অধ্যয়নরত প্রায় ৭০ শতাংশ শিার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দুই হাজার ২৫৭টি কলেজে পড়াশোনা করছে। তিনি জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষে ইতোমধ্যে বাধ্যতামূলক আইসিটি ও ইংরেজি কোর্স চালু হয়েছে, যেখানে বর্তমানে প্রায় চার লাখ শিার্থী অংশ নিচ্ছে। বর্তমানে অনার্স দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ বর্ষের শিার্থীদের জন্য সমন্বিত আইসিটি কারিকুলাম উন্নয়ন এবং একটি মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল পদ্ধতির মাধ্যমে শিার্থীরা স্বল্পমেয়াদি, দতাভিত্তিক এবং কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিণ নিয়ে সনদ অর্জনের সুযোগ পাবে। বিজ্ঞপ্তি।