লালমনিরহাট সংবাদদাতা
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে সাত বছরের শিশু নন্দিনী হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি বিধান চন্দ্র আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। একই সাথে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে তদন্ত কমিটি ও বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার আদালতে হাজির করা হলে প্রধান আসামি বিধান চন্দ্র হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন। পরে আদালত তাকে এবং তার বাবা রণজিত চন্দ্রকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জেলা পুলিশ সুপার মো: আসাদুজ্জামান জানান, মামলাটির তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করতে তিন সদস্যের কমিটি এবং একটি বিশেষ মনিটরিং সেল কাজ শুরু করেছে। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সাথে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল ইসলামকে দায়িত্ব অবহেলার কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গত সোমবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী নন্দিনী। পরিবারের সদস্যরা সারা রাত খোঁজাখুঁজি ও মাইকিং করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন সকালে বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেত থেকে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার হয়।



