আল জাজিরা
ইয়েমেনের হাদরামাউত ও মারিব প্রদেশের সরকারি সামরিক শিবিরে হাউছিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩০ জন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরো ১৫ জন। বৃহস্পতিবার দুপুরে জোড়া এ হামলা চালানো হয়। হামলার দায় স্বীকার করে হাউছি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সাহায্যে চালানো এ হামলায় প্রকৃতপক্ষে ‘শত শত’ সেনা হতাহত হয়েছে।
জানা যায়, হাদরামাউত ও মারিবের সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়োজিত সৌদি-সমর্থিত ‘হোমল্যান্ড শিল্ড ফোর্সেস’, ‘ইমার্জেন্সি ফোর্সেস’ এবং ‘ফার্স্ট মিলিটারি রিজিয়নে’র প্রশিক্ষণরত সেনাদের লক্ষ্য করে এই আক্রমণ চালানো হয়। ইয়েমেনি সেনাবাহিনী হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, মারিবের উত্তরাঞ্চলীয় আল-জাওফ প্রদেশ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোড়া হয়েছিল। হামলায় নিহতের সংখ্যা আরো বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। অনাকাক্সিক্ষত এ আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে মার্কিন দূতাবাস একে ‘কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী কাজ’ বলে আখ্যা দিয়েছে। অন্য দিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানায়, সীমান্তসংলগ্ন নাজরান শহরে হাউছিদের ছোড়া গোলাবর্ষণে নারী ও শিশুসহ ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন, যদিও ওই হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে হাউছিরা স্বীকার করেনি।
হাউছি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর বর্ধিত সামরিক তৎপরতার পাল্টা জবাব হিসেবেই এ আক্রমণ এবং সাধারণ সেনাদের অবিলম্বে সৌদি ক্যাম্প ত্যাগ করে ঘরে ফেরার হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।



