ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
দেশের ৫১তম বিশ^বিদ্যালয় হিসেবে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভিত্তিপ্রস্তর সম্পন্ন করতে পেরে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন তিনি। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান রাষ্ট্রপতি। গতকাল সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে জামালপুর ইউনিয়নে মহেশালী এলাকায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতি অল্প সময়ের মধ্যে তার নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন এবং জায়গা পেয়েছি। আরো ধন্যবাদ জানাই বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে, বিশ^বিদ্যালয়ের জন্য যা যা করা প্রয়োজন, তা তারা করে দিয়েছেন। বাকি কাজগুলোও যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। এর মাধ্যমে এলাকায় উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটবে, পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেয়ার জন্য ভিসির ভূমিকার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনিও এই এলাকার মানুষ, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে ভালো কাজ করবেন এমন বিশ্বাস রয়েছে তার।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সংঘাত, প্রতিশোধের রাজনীতি আমরা দেখতে চাই না। অনেক হয়েছে, এখন সমঝোতার রাজনীতি, গণতন্ত্রের রাজনীতি এবং সহনশীলতার রাজনীতির দিকে গোটা দেশের মানুষের যাওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।
তিনি বলেন, জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয়েছে। তাই এর উন্নয়ন ও সুরক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
এসময় দুর্যোগ ব্যবস্থপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মোঃ ইসরাফিল, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন-পরবর্তী বিশ^বিদ্যালয়ের সফলতা কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন বিশিষ্ট শিক্ষক হাফেজ মুহাম্মদ রশিদ আলম।



