সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, যখন বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ নিয়ে অর্ডিনেন্সটা হয় তখন বর্তমান আইনমন্ত্রী ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এখন ডেফিনিটলি এটা নতুন করে রিফর্ম করার চিন্তাভাবনা করছেন তারা। এটা যে হবে না তা না, এটা হবে। ডেফিনিটলি হবে আমরা আশা করছি, তবে ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের যে অর্ডিনেন্স ওটাকে হুবহু টু টু কমপ্লাই করে না মেনে হয়তো আরেকটু পরিবর্তন বা সংযোজন করে করা হবে। কারণ একটা জিনিস ইম্পর্টেন্ট, সেটা হচ্ছে এসব কমিশনগুলোতে তো বিএনপির মতো একটা দলের কোনো সদস্য ছিল না। তার ফলে বিএনপির যে একটা নিজস্ব চাওয়া, বিএনপি একটা বড় দল হিসেবে একটা ব্রর্ডার সেন্সে চাওয়া এটাতো এখনো এক্সপ্রেস করেনি বিএনপি। কাজেই আমার মনে হচ্ছে ফর দি টাইম বিং এটা পাস হয়নি, বিবেচনা করা হবে, কম্প্রিহেনসিভলি উইথ দ্য ভিউজ অব বিএনপি। এতে ধোঁয়াশার কিছু নাই। বিল আকারে এটা অবশ্যই আসবে।
নয়া দিগন্ত : বিষয়টির পরিবর্তন ঘটলে সেখানে জনগণের প্রত্যাশায় কোনো ফারাক থাকতে পারে এমন শঙ্কা করছেন কেউ কেউ?
ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল : না, না, এখানে জনগণের প্রত্যাশার ফারাক থাকার কোনো কারণ নাই কারণ যেহেতু বিএনপি অর্ডিনেন্স প্রণয়নে বা এসব কর্মকাণ্ডে ছিল না, জনগণের প্রত্যাশা পূরণের জন্যই তো বিএনপি ক্ষমতায় আছে, কাজেই কমপ্লিটলি এক ধরনের কম্প্রিহেনসিভলি একটা আইন হয় এজন্যই বিএনপি সেভাবেই কাজটি করবে। ফর দি টাইমবিং এটাকে হুবহু পাস করায় নাই, তার মানে এই না যে বিএনপি এটা আনবে না, আনবে ডেফিনিটলি আনবে।
নয়া দিগন্ত : আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যাপার আছে।
ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল : রাইট, থাকবেইতো। বিএনপিরতো চাওয়া থাকতে পারে যে এটা আরেকটু বেটার হোক, স্টেকহোল্ডারদের সাথে আরেকটু আলোচনা হোক। কাজেই হুবহু মানতে হবে নট নেসেসারিলি। অধিকাংশই তো মেনেছে। কিন্তু এগুলোতো সেনসিটিভ জিনিস। আরেকটু পরীক্ষা-নিরীক্ষা হলে তো ক্ষতির কিছু নাই। অস্থির হওয়ার তো কিছু নাই।
নয়া দিগন্ত : বিচার বিভাগের নিয়োগ কর্তা নির্বাহী বিভাগ থেকে হবে এমনতো আর থাকবে না।
ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল : না, না, আই ডোন্ট থিংক সো। একটা ফ্রেম ওয়ার্ক আছে এটাকে আরেকটু কম্প্রিহেনসিভ উইথ দি ভিউজ অব বিএনপি দিয়ে এটাকে আরো সমৃদ্ধ করবে আমি আশা করছি।
নয়া দিগন্ত : অনেকে শঙ্কা করছেন যে লাউ সে কদু হয়ে গেল।
ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল : এই আশঙ্কার সময় এখনো আসে নাই। অধ্যাদেশটি হুবহু পাস না করার অর্থ এই নয় যে পরে এটাকে বিল আকারে পাস করা যাবে না। অনেককিছু তো অর্ডিনেন্স না হলেও বিল আকারে আসছে, আরো আসবে। রাষ্ট্রের তিনটা অঙ্গের একটা অঙ্গ বিচার বিভাগ। এটার জন্য কমপ্লিটলি কম্প্রিহেনসিভ একটা আইন হবে এটা সবার চাওয়া। আমি এ ব্যাপারে আশাবাদী।



