জবি সংবাদদাতা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের আবাসন সঙ্কট নিরসনে কেরানীগঞ্জের ৭ একর জমিতে ২০২৬ সালের মধ্যে এক হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির বকেয়া টাকা দ্রুত দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে জবি কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জকসু নেতারা বক্তব্য দেন। তারা দ্রুত অস্থায়ী আবাসন নির্মাণ, বকেয়া বৃত্তির টাকা এবং আবাসন সঙ্কট নিরসনে প্রশাসনের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দেয়ার দাবি জানান।
মানববন্ধনে সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের অধিকার ও আবাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন ব্যর্থ হলে শিক্ষার্থীরা কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। এ ছাড়া, আবাসন বৃত্তির ৫৬ কোটি টাকার মধ্যে বাকি ৪৬ কোটি টাকা অনতিবিলম্বে শিক্ষার্থীদের বিতরণ করতে হবে। শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল জবি প্রশাসনের কাছে অস্থায়ী আবাসন নির্মাণে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।
এজিএস মাসুদ রানা বলেন, ২০২৪ সালে আমরা যখন আন্দোলন করেছিলাম, তখন তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তে আশ্বস্ত হয়েছিলাম যে আমাদের সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু এই প্রশাসনের অদক্ষতা, অকার্যকারিতা ও নানা ধরনের গড়িমসির কারণে আজ আবার আমাদের এখানে দাঁড়াতে হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির পরিবর্তে শুধু টেন্ডারবাজি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়কে গুরুত্ব দেয়ার অভিযোগেই আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে।
জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, গত মে মাসে আন্দোলন ও লাঠিচার্জের প্রেক্ষাপটে আবাসন বৃত্তির জন্য ৫৬ কোটি টাকার বাজেট পাস হলেও এখনো বকেয়া টাকা শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায়নি। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও দফতরগুলোর দুর্বলতা এবং অপারগতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মানববন্ধন থেকে এসব দাবি অবিলম্বে পূরণ না হলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান নেতারা।



