কূটনৈতিক প্রতিবেদক
জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রেখে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতি হলে তবেই উপযুক্ত সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। দিল্লির সাথে ঢাকা ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল ভারত নয়, জাতীয় স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে কোনো রাষ্ট্রের সাথেই সম্পর্ক এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়।
শপথ নেয়ার পরদিন শনিবার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। ভারতে আশ্রয় নেয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে হুমায়ুন কবির স্পষ্ট জানান, গণ-অভ্যুত্থানে দেড় হাজার মানুষকে হত্যার পেছনে জড়িত সন্ত্রাসী হিসেবে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। ভারতের সাথে বাংলাদেশের বিদ্যমান বন্দিবিনিময় চুক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাসিনাসহ অন্যান্য পলাতক আসামিকে ফেরত আনা দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের গণদাবি ও আবেগের বিষয়। এটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েই দিল্লির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা হবে।
তিনি জানান, গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন করার ঘটনাটি বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে চরম আঘাত হেনেছে এবং ভারত বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছে। দিল্লি এখন ইতিবাচক সদিচ্ছার ইঙ্গিত দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মতো বড় বৈঠকের আগে সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা ও মজবুত ভিত্তি তৈরি করা জরুরি। জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সমঝোতায় পৌঁছানো গেলে আগামী সপ্তাহেই এ সফর হতে পারে, আবার সমঝোতা না হলে আরো দেরিও হতে পারে- এখানে তাড়াহুড়োর কিছু নেই।



