সংসদ প্রতিবেদক
টেকসই ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সংসদ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, স্ট্রেন্থেনিং পার্লামেন্টস ক্যাপাসিটি ইন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইস্যুজ (এসপিসিপিডি) প্রকল্পের আওতায় টেকসই, বৈষম্যহীন ও মানবসম্পদ কেন্দ্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সংসদ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
গতকাল রোববার জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় ‘চধৎষরধসবহঃ’ং জড়ষব রহ জবধষরংরহম চড়ঢ়ঁষধঃরড়হ উরারফবহফং, ঝউএং ধহফ ওঈচউ ঈড়সসরঃসবহঃং’ শীর্ষক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এমপি’র সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো: নূরুল ইসলাম মনি, এমপি। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো: গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া।
হাফিজউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের স্থানীয় প্রতিপাদ্য ‘তরুণদের আশা-আকাক্সক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ বাস্তবায়ন নির্ভর করছে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের ওপর।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো: নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনতাত্ত্বিক সময় পার করছে, যেখানে আমাদের জনসংখ্যার একটি বড় অংশই তরুণ। এই জনমিতি লভ্যাংশ বা ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’-কে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে রূপান্তর করতে সংসদ সদস্যদের নীতি নির্ধারণী ও স্থানীয় পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, জনমিতি লভ্যাংশ কোনো স্বয়ংক্রিয় অর্জন নয়, বরং এটি একটি পরিকল্পিত বিনিয়োগের ফসল। যদি আমরা তরুণ প্রজন্মকে মানসম্পন্ন শিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে পারি, তবেই এটি আমাদের অর্থনীতির জন্য বড় সুযোগ নিয়ে আসবে। অন্যথায় এটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যরা, ইউএনএফপিএ’র কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ, প্রকল্প পরিচালকসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



