যশোরের চৌগাছা উপজেলা সরকারি মডেল হাসপাতালে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নেই। একই সাথে পৌর এলাকার কোনো ফার্মেসিতেও এই জীবনরক্ষাকারী ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না। এতে কুকুর, বিড়ালসহ অন্যান্য প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত ভ্যাকসিন সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে প্রতিদিনই কামড়ের শিকার রোগীরা আসছেন। কিন্তু ভ্যাকসিনের মজুদ না থাকায় তাদের বাইরে থেকে কিনে নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। ভুক্তভোগীরা জানান, ফার্মেসিতেও ভ্যাকসিন না পেয়ে জেলা শহরে ছুটতে হচ্ছে। সেখানে অতিরিক্ত দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকেই।
পৌর সদরের বাসিন্দা আক্তারুজ্জামান বলেন, কুকুরে কামড়ানোর পর তার ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভ্যাকসিন না থাকায় যশোর শহর থেকে এক ডোজ কিনতে হয়, যার দাম নেয়া হয় তিন গুণ বেশি। চৌগাছা ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার সুরাইয়া পারভীন জানান, স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ২০২৫ সালের ১ নভেম্বরের পর ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। চাহিদাপত্র পাঠানো হলেও এখনো সরবরাহ আসেনি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আহসানুল মিজান রুমি বলেন, হাসপাতালে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন মজুদ নেই। স্বাস্থ্য অধিদফতরে চাহিদা দিয়ে রাখা হয়েছে। আশাকরি দ্রুত সরবরাহ করা হবে। বেওয়ারিশ কুকুর বেড়ে যাওয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। সময়মতো ভ্যাকসিন না পেলে জলাতঙ্কে মৃত্যু ঝুঁকি থাকে।



