(গত দিনের পর)
প্রথম অধ্যায়: প্রবাল প্রাসাদের গোপন কৌতূহল
সেই রঙিন আলো মেয়েটির পাখনা ও লেজের কম্পনে সাগরজলে খেলে। এই তরঙ্গ দেখে কাঁকড়া-কবি মেয়েটিকে নিয়ে গান রচনা করে, গজল গায়। কাঁকড়া-কবির গান শুনে তৃপ্ত হয় মেরিন্তারা। তাই, এমন প্রবীণ কাঁকড়াকেও সে নিজের বন্ধু ও সহচর বানিয়ে নিয়েছে। মেরিন্তারাকে দেখতে লাগে ঠিক যেন একটুকরো হীরের দ্যূতি। সমুদ্রের এক বিস্ময়কর বালিকা সে। তার লেজ সবুজ আর সোনালির মিশেল আঁশযুক্ত, তার ওপর সূর্যের আলো ঠিকরে পড়লে রং বদলায়-বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল (বেনীআসহকলা)। মেরিন্তারার কোমর পর্যন্ত নেমে আসা চুলগুলো ছিল শ্যাওলার মতো ঘন কালো, আর চোখ দুটো ছিল সমুদ্রের নীলকান্তমণির মতো। ওই চোখ সারাক্ষণ ঝলমল-ঝলমল করে জ্বলে নানা কৌতূহলে; জানার কৌতূহল, অভিযানের কৌতূহল।
মেরিন্তারার প্রিয় খাবারের নাম ‘শামুক-বিস্কুট’। (চলবে)



