খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে পাহাড়ে বসবাসরত উপজাতি ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আয়কর মওকুফের প্রস্তাবকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। তিন পার্বত্য জেলার পিছিয়ে পড়া ৫৪ শতাংশ বাঙালিরও আয়কর মওকুফ এবং বাজারফান্ড এলাকায় বন্ধ থাকা ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
গত সোমবার বেলা ১১টায় খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের জেলা শাখার আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মজিদ। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা ও ভূমিসহ সব ক্ষেত্রে পার্বত্য অঞ্চলের বাঙালিরা চরম বৈষম্যের শিকার। উপজাতি কোটা, চাকরিতে একচেটিয়া নিয়োগ ও এনজিওর অনুদানসহ পার্বত্য চুক্তির বেশিরভাগ সুবিধা শুধু উপজাতিরাই ভোগ করছে। করমুক্ত সুবিধার কারণে উপজাতি ব্যবসায়ীরা ঘরে বসেই কোটি কোটি টাকা মুনাফা লুটছেন।
আবদুল মজিদ আরো বলেন, গত তিন দশক ধরে এই সুবিধা শুধু উপজাতিরাই ভোগ করে আসছিল। এবারের বাজেটে পুনরায় একচেটিয়া উপজাতিদের আয়কর মওকুফের সুপারিশ পক্ষপাতিত্বমূলক। এ ছাড়া খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসনের দ্বন্দ্বের কারণে বাজারফান্ড এলাকায় ২০১৯ সাল থেকে অলিখিতভাবে ব্যাংক ঋণ বন্ধ রয়েছে, যার ফলে আঞ্চলিক অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এই বৈষম্য দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।



