এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা)
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপো করে অবাধে বিক্রি ও ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ পলিথিন। বাজারের দোকানগুলোতে পণ্য কেনাবেচায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত এসব পলিথিন ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দেয়া হচ্ছে। এতে ড্রেন, নালা-নর্দমা ও পানি নিষ্কাশনের পথ ভরাট হয়ে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার সাহেবাবাদ, ব্রাহ্মণপাড়া সদর, মাধবপুর, চান্দলা, বড়ধুশিয়া ও সিদলাই বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজারে পলিথিনের ব্যবহার এখন নিয়মিত চিত্র। শাকসবজি, মাছ-গোশত, মুদি পণ্যসহ প্রায় সব ধরনের পণ্য কিনলেই ক্রেতাদের পলিথিনের ব্যাগ দেয়া হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, বাজারগুলোতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা যথাযথ না থাকায় ব্যবহৃত পলিথিন বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকে। পরে বৃষ্টির পানিতে এসব পলিথিন ড্রেন ও নালা-নর্দমায় গিয়ে আটকে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি করে। বর্ষা মৌসুমে এতে বাজার ও সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি জমে পথচারী, ব্যবসায়ী ও যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ বাড়তে পারে।
ব্রাহ্মণপাড়া সদর পশ্চিম বাজারের সাধারণ সম্পাদক কাজল সরকার বলেন, পলিথিনের অতিরিক্ত ব্যবহারে বাজারের পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলো ভরে গেছে। এটি বন্ধ করতে জনসচেতনতার পাশাপাশি প্রশাসনের কঠোর পদপে প্রয়োজন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কার্যকর নজরদারি ও অভিযান না থাকায় পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ হচ্ছে না। তারা নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন্নী ইসলাম বলেন, নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহারের বিরুদ্ধে তদারকি জোরদার করা হবে। এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সচেতন মহলের দাবি, অভিযানের পাশাপাশি পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাট ও কাগজের ব্যাগ সহজলভ্য করতে হবে। একই সাথে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সচেতনতা বাড়ানো গেলে পরিবেশ দূষণ ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।



