কার কাছে আবেদন করবেন আলফাজ

রফিকুল হায়দার ফরহাদ
Printed Edition

গত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল মোহামেডান। নাম পাল্টিয়ে এবার লিগের নাম দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ। নাম বদলের সাথে যেন ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটির অবস্থারও বদল হয়েছে। চলমান বিএফএলে ৯ খেলায় মাত্র দু’টিতে জিততে পেরেছে। অন্য ম্যাচগুলোর তিনটিতে হার এবং চারটিতে ড্র। ফলে লিগের প্রথম পর্ব শেষে ১০ দলের মধ্যে ৬ নম্বরে অবস্থান সাদাকালোদের। ভাণ্ডারে ১০ পয়েন্ট। শীর্ষে থাকা বসুন্ধরা কিংস ও ফর্টিস এফসির চেয়ে ( ১৮) ৮ পয়েন্টে পিছিয়ে তারা। এর পরও ফিরতি পর্বে ঘুরে দাঁড়িয়ে শিরোপা ধরে রাখার ব্যাপারে আশাবাদী মোহামেডান কোচ আলফাজ আহমেদ। এ জন্য আরো ভালো কয়েকজন প্লেয়ার দরকার। কিন্তু এই নতুন খেলোয়াড় আনার কথা কার কাছে জানাবেন সাদাকালো শিবিরের এই কোচ। কারন ক্লাব তো এখন কার্যত অবিভাবক হীন। আলফাজের মতে, ‘কার কাছে আমি খেলোয়াড় আনার কথা বলবো। ক্লাব সভাপতি এই বছর দলের কোনো খোঁজই নেননি। ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যানও দায়িত্ব ছেড়ে চলে গেছেন।’ তার মতে, ‘যদি ক্লাব কর্মকর্তারা এখনো ভালো বিদেশী আনে তাহলে ফিরতি পর্বে ঘুরে দাঁড়িয়ে শিরোপা ধরে রাখা সম্ভব।’

তবে চাইলেই মোহামেডান বিদেশী ফুটবলার আনতে পারবে না। কারণ ইরানি ফুটবলার মাইসাম প্রতারণা করে মোহামেডানকে বিপদে ফেলেছে। ফিফার কাছে ৬২ হাজার ডলার পাওনা বলে অভিযোগ করেছে মোহামেডানের বিপক্ষে। এই অর্থ না দেয়া পর্যন্ত দলটির নতুন খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। আলফাজের মতে, ‘আমরাতো ফিফার সাসপেনশনে আছি। ইরানি ফুটবলার মাইসাম আমাদের বিপক্ষে ফিফায় মিথ্যা অভিযোগ করে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। ক্লাবের দায়িত্বশীলরা তা জানে। এখন তারা যদি এই সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেয় তাহলে দলকে নতুন করে সাজানো সম্ভব। কামব্যাক করে ঘুরে দাঁড়ানো এবং চ্যাম্পিয়নশিপ ধরে রাখাও সম্ভব।’

তার মতে, মোহামেডানের গতবারের যে দল ছিল এবার তো সেই দল নেই। দল দুর্বল হয়ে গেছে। এ ছাড়া অন্য দল যেমন ফর্টিস এফসি, রহমতগঞ্জ এবং ব্রাদার্স ইউনিয়ন সাফ কোটায় বিদেশী এনে ভালো করছে- আমরা সেটা পারিনি।