আলজাজিরা
মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে ইউরোপীয় নেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, “আমরা চাই ইউরোপ শক্তিশালী হোক, ইউরোপ টিকে থাকুক। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ একসাথে কাজ করবে।”
রুবিওর বক্তব্যকে আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি সমঝোতাপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়েছে। তবে তিনি ইউরোপের অভিবাসন নীতি নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তার মতে, ব্যাপক অভিবাসন পশ্চিমকে অস্থিতিশীল করছে এবং সভ্যতার পরিচয় মুছে দিচ্ছে।
ইউরোপীয় নেতারা সম্মেলনে ন্যাটো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আরো বেশি দায়িত্ব নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, “এখনই শক্তিশালী ইউরোপ গড়ার সময়।” তিনি ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন ও ইউরোপের নিজস্ব নিরাপত্তা কাঠামো তৈরির ওপর জোর দেন। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের ফাটল স্বীকার করে বলেন, “চলুন একসাথে ট্রান্সআটলান্টিক আস্থা পুনর্গঠন করি।” ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারও ইউরোপকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কম নির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
ইউক্রেন যুদ্ধ
রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ পঞ্চম বছরে প্রবেশ করছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্মেলনে অংশ নিয়ে মিত্রদের সাথে বৈঠক করেছেন। রুবিও তার সাথে সাক্ষাৎ করবেন। ট্রাম্প আগেই জেলেনস্কিকে যুদ্ধ শেষ করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে রুবিও বলেছেন, রাশিয়া সত্যিই শান্তি চায় কিনা তা স্পষ্ট নয়। রুবিও তার বক্তব্যে চীন ও ইরান প্রসঙ্গও তুলেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের সাথে সম্পর্ক দায়িত্বশীলভাবে পরিচালনা করতে হবে। আর ইরান প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চুক্তি করতে চান, তবে তা “খুব কঠিন।”



