বাকৃবি প্রতিনিধি
আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে উপস্থিতি থাকলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় প্রশ্ন উঠছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাম্প্রতিক শিক্ষা ও গবেষণার মান নিয়ে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিষয়ভিত্তিক কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং-২০২৬ অনুযায়ী, কৃষি ও বনবিদ্যা বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি টানা তিন বছর ধরে বিশ্বে ২৫১-৩০০তম অবস্থানেই রয়েছে এবং বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান ধরে রেখেছে। তথ্য বলছে, ২০২২-২৩ সালে বাকৃবির অবস্থান ছিল ৩০১-৩৫০তম। সেখান থেকে উন্নতি করে ২০২৪ সালে ২৫১-৩০০তম স্থানে উঠে এলেও, পরবর্তী তিন বছরে এই অবস্থানে রয়েছে বাকৃবি। এরপর আর কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে পারলেও, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির একই স্থান ধরে রাখার পেছনে গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে প্রতি প্রবন্ধে উদ্ধৃতি (ঈরঃধঃরড়হং ঢ়বৎ চধঢ়বৎ) সূচকে বাকৃবি পেয়েছে ৮৪.৮ স্কোর, যা এর সর্বোচ্চ অর্জন নির্দেশ করে। এছাড়া অন্যান্য সূচকের মধ্যে রয়েছে, এইচ-ইনডেক্স সাইটেশনস ৬৬.৪, এমপ্লয়ার রিপুটেশন ৫২.৬, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক ৪১ এবং একাডেমিক সুনাম ৩৮.১ স্কোর।
এছাড়াও কিউএস ২০২৬ সালের প্রকাশিত র্যাংকিং অনুযায়ী আঞ্চলিক পর্যায়ে, দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাকৃবির অবস্থান ৯৫তম। এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর র্যাংকিংয়ে অবস্থান ৩৭৮তম (সমমান)। সামাজিক ও পরিবেশগত অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কিউএস সাসটেইনেবিলিটি র্যাংকিংয়ে বাকৃবি রয়েছে ১২০১-১২৫০তম স্থানে যা গত বছর ছিল ১৩৫১-১৪০০ তম স্থানে। এ বিষয়ে বাকৃবি ভিসি অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, এই অবস্থানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার আনন্দিত তবে আমরা পরিতৃপ্ত নই। আগামী দিনে আমাদের অবস্থান যেন অধিকতর উন্নত হয় তার জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সব সদস্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।



