নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী তিন মাসের মধ্যেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। দীর্ঘ দিন থেকে শিক্ষকসঙ্কটের কারণে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষাকার্যক্রমে মারাত্মকভাবে বিঘœ সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনাও শুরু হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা। এ বিষয়ে গতকাল সোমবার ঢাকার বাইরে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সরকারি প্রাথমিকে বিদ্যালয়ে তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকদের মামলা চলমান থাকায় দেশে ৬৫ হাজারের মধ্যে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদোন্নতি পায়নি। আমি সংসদে বলার পর সেটি আদালতের নজরে এসেছে। আগামী ২ জুলাই এটি সমাধান হবে। ফলে আমরা আগামী তিন মাসের ভেতরে আরো ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারব। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ভালো করতে হলে আপনাদের লেখাপড়া ছাড়া যা দরকার তা আপনাদের কাছে নেই। আমি প্রথম ব্লু-ইকোনোমির কথা প্রথম শুনেছিলাম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুখে। আমরা দেখেছি তিনি ছাত্রদের কিভাবে উৎসাহিত করতেন, শুধু রাজনীতি নয় এর পাশাপাশি লেখাপড়াও করতে হবে।
মাদরাসা ও সাধারণ বোর্ডের কমন বিষয়গুলোর অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন ২০২৭ সাল থেকে আমরা এইচএসসি পরীক্ষায় নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে নেবো যা আগে আলাদা ছিল। এ ছাড়া মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১১টি বোর্ডে যেসব বিষয়ে পাঠ্যক্রম ও বিষয়বস্তু অভিন্ন, সেসব বিষয়েও একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়া হবে।



