ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছয়টি নির্বাচনী আসনের মধ্যে দ্বিতীয় দিনে বাকি তিনটি আসনের প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। গত শনিবার বেলা ১১টার দিকে দ্বিতীয় ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে সাত স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এসব ক্ষেত্রে ভোটার তালিকায় এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরজণিত জটিলতায় তাদের প্রার্থীতা বাতিল হয়।
এই সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের নাসির উদ্দিন হাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ মুসা সিরাজী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে সদ্য বহিষ্কৃত বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশ, শাহ মুর্তুজ আলী, মো: আবু কায়েস শিকদার, কাজী জমির উদ্দিন ও দেওয়ান মো: নাজমুল হুদা। এই তিনটি আসনে বিএনপি, জামায়াত ও জোট প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রে কোনো জটিলতা না থাকায় তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপির জোট প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন বৈধ হয়েছে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত দুই প্রার্থী মুশফিকুর রহমান ও জেলা বিএনপির সদস্য কবির আহমেদ ভূঁইয়ার মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হয়। এ ছাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী নবীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক সম্পাদক কাজী নাজমুল হোসেন তাপসের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শারমীন জাহান আক্তার জানিয়েছেন, বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তবে কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘণ করলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।



