বিএনপি ছাড়া দেশ চালানোর অভিজ্ঞতা কোনো দলের নেই

সিরাজগঞ্জে তারেক রহমান

Printed Edition
সিরাজগঞ্জে বিএনপির জনসভায় বক্তব্য রাখছেন তারেক রহমান : নয়া দিগন্ত
সিরাজগঞ্জে বিএনপির জনসভায় বক্তব্য রাখছেন তারেক রহমান : নয়া দিগন্ত

সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও বগুড়া প্রতিনিধি

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭১ সালে লাখো শহীদ জীবন দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বহু মানুষ নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করার জন্য। এখন আমাদের সেই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তুলতে হবে। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল, যেই দলের অভিজ্ঞতা আছে কিভাবে দেশকে সুন্দরভাবে সামনের দিকে পরিচালিত করতে হয়। অন্য যেসব দল আছে দেশ চালানোর অভিজ্ঞতা তাদের নেই।’

গতকাল শনিবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকপাড়ায় বিসিক শিল্প পার্কের ভেতরে জেলা বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী এম আকবর আলী, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীম, পাবনা-১ আসনের প্রার্থী শামসুর রহমান, পাবনা-২ আসনের প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৫ আসনের প্রার্থী শিমুল বিশ্বাস প্রমুখ।

জনসভায় তারেক রহমান বলেন, কথা একটাই, করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, যদি দেশকে গড়তে হয়, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, তবে বিশ কোটি মানুষকে একসাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, মানুষ তার ওপরেই ভরসা করে-যে মানুষকে বিপদের সময় ফেলে রেখে চলে যায় না। যে গুণ একমাত্র বিএনপির ভেতরেই আছে।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তারা গুপ্ত। ১৭ বছর তাদের দেখা যায়নি। তাদের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। যাতে দেশের গণতন্ত্র কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে। এই দেশ আমাদের অনেক দিয়েছে। এবার দেশকে দেয়ার পালা।

জনসভায় সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার সংসদ সদস্য প্রার্থীদেরকে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। এ সময় সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার প্রার্থীরা ছাড়াও বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইলে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পুনর্গঠনের আহ্বান

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানান, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এখন আমাদের সামনে সময় এসেছে, আমরা আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি, অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছি, আমাদের বহু সহকর্মীকে হারিয়েছি। এখন আমাদের দেশকে পুনর্গঠন করতে হবে। কারণ এই বাংলাদেশকে যদি আমরা পুনর্গঠন করতে না পারি, তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের মানুষ। কাজেই মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছরে বহু অত্যাচার নির্যাতন, গুম খুনের শিকার হওয়ার পরেও বিএনপির নেতাকর্মীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ দলমত নির্বিশেষে ৫ আগস্ট রাজপথে নেমে এসেছিল। তারা রাজপথে নেমে এসে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি পরিবর্তন ঘটিয়েছে। গত ১৬ বছর মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল। কথা বলার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল। আগামী ১২ তারিখে আপনারা বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেন সঠিক ব্যক্তির পক্ষে রায় প্রদানের মাধ্যমে। কারণ ৫ আগস্ট যে পরিবর্তন হয়েছে, এটি শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন হলে চলবে না, এই পরিবর্তনটি হতে হবে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের দিন হিসেবে। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন শুধু নির্বাচনের দিন হলে চলবে না, এই দিনটি হতে হবে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের দিন। সেই জন্যই এই নির্বাচনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন।

তিন দিনের উত্তরাঞ্চল সফর শেষে শনিবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। টাঙ্গাইল শহর বাইপাসের চরজানা এলাকায় জেলা বিএনপি এ জনসভার আয়োজন করে। বিকেল ৫টা নাগাদ তিনি জনসভাস্থলে পৌঁছান। এ সময় তার সহধর্মিণী ডা: জোবায়দা রহমান তার সাথে ছিলেন। জনসভা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। কোনো রাজনৈতিক জনসভা হিসেবে এটিই তার প্রথম টাঙ্গাইল সফর। জনসভায় তিনি জেলার আটটি আসনের বিএনপির প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।

তারেক রহমান বলেন, আমরা দেখেছি গত ১৬ বছরে ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শহরে মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে। আমরা যেমন খুন দেখেছি, গুম দেখেছি, মিথ্যা মামলা দেখেছি, গায়েবি মামলা দেখেছি; একইভাবে মেগা মেগা দুর্নীতিও দেখেছি। এই অবস্থার পরিবর্তনের সময় চলে এসেছে। এই অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। আর এই অবস্থার পরিবর্তন যদি করতে হয় তাহলে গত ৫ আগস্ট মানুষ দলমত নির্বিশেষে যেভাবে রাজপথে নেমে এসেছিল, ঠিক একইভাবে আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে আপনারা যারা ভোটার আপনাদের সবাইকে ভোটকেন্দ্রে নেমে আসতে হবে। তা না হলে গণতন্ত্র আবার বাধাগ্রস্ত হবে।

টাঙ্গাইলকে একটি ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল আখ্যা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমাদের প্রার্থীরা আপনাদের সামনে তাদের স্ব স্ব এলাকার বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেছেন। আগামী ১২ তারিখে আপনারা ধানের শীষকে নির্বাচিত করলে ইনশাআল্লাহ ১৩ তারিখে বিএনপির সরকার গঠিত হলে আপনাদের এলাকার যে দাবিগুলো আছে পর্যায়ক্রমে সেই উন্নয়নমূলক কাজগুলো আমরা শুরু করব। টাঙ্গাইলকে আমরা পরিকল্পিতভাবে একটি শিল্পের শহরে পরিণত করতে পারব।

এর আগে যতবার বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল ততবারই দেশের উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আমরা দেশের নারী-পুরুষদের স্বাবলম্বী করতে চাই। কৃষক ভাইদের সহযোগিতা করতে চাই। ১৩ তারিখে বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষক ভাইদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি লোন সুদসহ মওকুফ করে দিতে চাই। আমরা মানুষের ঘরে ঘরে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে চাই। আমরা মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয়গুরুকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে সম্মানীর ব্যবস্থা করতে চাই। এইভাবে আমরা প্রত্যেকটি শ্রেণী-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। তিনি বলেন, আমরা যেভাবে আপনাদের সামনে আমাদের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছি, আপনাদের কেউ তাহলে একই রকমের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এখন আমি আপনাদের কাছে জানতে চাইব আপনাদের পরিকল্পনা কী? তখন সবাই ধানের শীষ, ধানের শীষ স্লোগানে মুখর করে তুলে পুরো জনসভাস্থল।

জনসভায় সভাপত্বি করেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। অন্যদের মধ্যে টাঙ্গাইলের আটটি আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। তারা হলেন- আব্দুস সালাম পিন্টু, আহমেদ আজম খান, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, ওবায়দুল হক নাসির, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, লুৎফর রহমান মতিন ও মো: রবিউল আওয়াল।

আবারো ধানের শীষকে বিজয়ী করুন-শেরপুরে তারেক রহমান : শেরপুর (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান, উত্তরবঙ্গ সফর শেষে ঢাকায় ফেরার পথে বগুড়ার শেরপুরে নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি বলেন, ১৯ বছর পর বগুড়ায় আসতে পেরে মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি। বিগত সংসদ নির্বাচনগুলোতে বগুড়ায় ধানের শীষের বিজয় হয়েছে। আপনারা শেরপুর-ধুনটে বারবার ধানের শীষকে বিজয়ী করেছেন, আশা করছি এবারো বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আমাদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন। তিনি বলেন, সারা দেশের মানুষ জানে বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি। আপনারা আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে প্রমাণ করে দেবেন যে বগুড়া কেবল বিএনপির ঘাঁটিই নয়, এটি বিএনপির এক শক্ত ঘাঁটি।

গতকাল শনিবার বেলা ২টায় বগুড়া থেকে ঢাকায় ফেরার পথে শেরপুর পৌরশহরের ধুনট রোডমোড়ে ধানের শীষের প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের নির্বাচনী পথসভা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ধুনটমোড় ও এর আশপাশের এলাকায় হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে। মহাসড়কের দুই পাশে তারা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে থাকেন প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার জন্য। গাড়িবহর থেকে হাত নেড়ে উপস্থিত জনতার শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন তারেক রহমান।

পথসভায় আরো বক্তব্য রাখেন বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, সাবেক মেয়র জানে আলম খোকা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কে এম মাহবুবার রহমান হারেজ, ধুনট উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল আলম মামুন, সাধারণ সম্পাদক ভিপি পাশা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র স্বাধীন কুমার কুণ্ডু, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ জুয়েল, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, ধুনট পৌরসভার সাবেক মেয়র আলিমুদ্দিন মণ্ডল হারুন, জেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য আসিফ সিরাজ রব্বানী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোমিন, শফিকুল ইসলাম শফিক, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আশরাফুদ্দৌলা মামুন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কলিংস, ছাত্রদল নেতা আরমান, প্রান্ত প্রমুখ।

‘ভোট চাইতে বাড়ি বাড়ি যেতে হবে’ : বগুড়া অফিস জানায়, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক মতবিনিময়ে বলেছেন, এবারের নির্বাচন সহজ হবে না। ধানের শীষের ভোট চাইতে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যেতে হবে। নিজে ভোট দিয়ে ফলাফল পর্যন্ত কেন্দ্রে অপেক্ষা করতে হবে। তিনি ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য বগুড়া-৬ সদর আসনের নেতাদের নির্দেশ দেন। গতকাল শনিবার দুপুরে বগুড়ার হোটেল নাজ গার্ডেনে সদর আসনের পৌরসভা ও সদর উপজেলার ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় স্থানীয় ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতারা ছিলেন। সভা শেষে বেলা ১২টার পর তিনি সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে বগুড়া-৭ আসনের শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া বন্দর ও বগুড়া-৫ আসনের শেরপুর উপজেলার ধুনট মোড়ে ধানের শীষের পক্ষে পথসভায় বক্তব্য প্রদান করেন।

রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান দলীয় নেতৃবৃন্দকে নির্বাচনের বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ধানের শীষের ভোট চেয়ে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যেতে হবে। বর্তমানে দলে নিজের অবস্থান অর্থাৎ দলের প্রধানের দায়িত্ব পালনের কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার পক্ষে আগের মতো আপনাদের সময় দেয়া সম্ভব হবে না এবং বগুড়ায় অবস্থান করাও সম্ভব হবে না। এ ক্ষেত্রে আপনাদের প্রত্যেককে ধানের শীষের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করতে হবে।’ বগুড়াবাসীর প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, দল যখন ক্ষমতায় ছিল তখন বগুড়ার উন্নয়নে আমরা কাজ করেছি। আবার যখন বিরোধীদলে ছিল তখন শীতবস্ত্র বিতরণ এবং বন্যার্তদের সহায়তাসহ নানা ধরনের কাজ করা হয়েছে। আগামীতে সরকার গঠন করলে বগুড়ার উন্নয়নের নিশ্চয়তা দিয়ে তিনি বলেন, বগুড়ার কোথায় কী করতে হবে সেটি আমি জানি। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদানের পাশাপাশি ফলাফল সংগ্রহ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবার রহমান ও হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সাবেক জেলা সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, আলী আজগর হেনা, সদর উপজেলা সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, শহর সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী হিরু প্রমুখ।