টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রকে জাতীয় কেন্দ্রে উন্নীত করা হবে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

Printed Edition
মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন টঙ্গীতে ১০ তলাবিশিষ্ট শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক) পরিদর্শন করেন : পিআইডি
মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন টঙ্গীতে ১০ তলাবিশিষ্ট শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক) পরিদর্শন করেন : পিআইডি

বাসস

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রকে জাতীয় কেন্দ্রে উন্নীত করা হবে। আগের চেয়ে এই উন্নয়ন কেন্দ্রে শিশুদের সংখ্যা বেড়েছে। এ কারণে সরকার এ পরিকল্পনা নিয়েছে।

তিনি বলেন, শিশুদের কর্মদক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। দক্ষ শিশুদেরকে এখানে কয়েদি হিসেবে রেখে দেয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়। এখানে সংশোধিত ও প্রশিক্ষিত হয়ে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে শিশুরা। পরবর্তীতে কর্মজীবনে তারা সেই প্রশিক্ষণকে কাজে লাগিয়ে নিজে ও পরিবারকে দেখভাল করতে পারবে।

গতকাল টঙ্গীর কলেজগেট এলাকায় শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, এই কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর তারা যেন আর কোনো অন্যায় বা বিপথে না যায়, সে জন্য এখানে চিকিৎসা ও মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা দেয়া হবে। এ ছাড়াও এখানকার শিশুদের সাথে কথা বলে খোঁজ নিয়েছি, খাবারের মান নিয়ে কারো কোনো অভিযোগ নেই। তিনি বলেন, ভবঘুরেদের প্রশিক্ষিত করার জন্য আলাদা সেন্টার রয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়। অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ফিরে এসে পুরনো পেশায় ফিরে যান। সামাজিক আন্দোলন ছাড়া আইন, পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে সমাজ পরিবর্তন করা যাবে এমন ধারণা করা যাবে না। মাদকদ্রব্য সেবন বন্ধ ও নারী নির্যাতন রোধ করতে গেলে জনমত তৈরি করতে হবে।

এ সময় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো: আবু ইউসুফ, সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহা মোহাম্মদ মাহবুব, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: নূরুল করিম ভূঁইয়া, ডিসি (সিএসবি) মহিউল ইসলাম, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মো: এমরান খান এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।