কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষায় সারা দেশে প্রথম হয়েও অর্থাভাবে ভর্তি অনিশ্চিত

Printed Edition

নাগেশ^রী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা

কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় বাংলাদেশে প্রথম স্থান অধিকার করেও অর্থাভাবে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত নাগেশ^রীর ফেরদৌস আহমেদের। এখন দিন কাটছে তার স্বপ্নভঙ্গের আশঙ্কায় গভীর দুশ্চিন্তায়।

বাড়ি উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের নামদানীটারী গ্রামে। বাবা গ্রামের একটি মসজিদের মোয়াজ্জিন আলী আজগার মারা গেছেন- যখন সে নবম শ্রেণীতে পড়ে। মা ফিরোজা অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী। সেখানেই এক চিলতে বসতভিটায় ছোট কুটিরে মাকে নিয়ে তার বসবাস। স্থাবর-অস্থাবর কোনো সম্পদ-সম্পত্তি নেই। বিবাহিত বড় তিন বোনের পরিবারের সহযোগিতায় চলে মা-ছেলের সংসার ও তার পড়ালেখা। স্কুলের স্যারদের সহযোগিতা, ক্লাসে পাঠ নিয়ে রাত জেগে পড়ালেখা করে ২০২১ সালে বেরুবাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ্িবভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ন হয় সে। প্রত্যাশা বাড়ে, স্বপ্ন চওড়া হয়। ভর্তি হয় নাগেশ^রী সরকারি কলেজে। প্রয়োজনীয় বই কিনতে না পারায় ২০২৩ এ উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষায় বসা হয়নি। এরপর কষ্ট করে বই কিনে আবার প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ-৪.৫৮ পেয়ে উত্তীর্ন হয় সে। শুরু হয় ভর্তি যুদ্ধ। কিন্তু কোচিং করার অর্থ কোথায়? আগ্রহ দেখে সহায়তার হাত বাড়ায় এক বন্ধু। অনলাইনে প্যাকেজ নিয়ে এক্সেস দেয় তাকে। সেখান থেকে টিপস নিয়ে কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ৯৩.৭৫ পেয়ে সারা দেশে প্রথম হয় সে। সুযোগ হয় ময়মনসিংহ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ে। ফেরদৌস জানায়, ভর্তির শেষ তারিখ ২৪ জানুয়ারি। কিন্তু অভাবের সংসারে এ টাকা জোগান দেয়া তার পক্ষে অসম্ভব। অর্থাভাবে ভর্তি অনিশ্চিত। তাই সহৃদয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা পেলে হয়ত তার এ স্বপ্ন পুরণ সম্ভব। আগ্রহীরা চাইলে তার স্বপ্ন পুরণের সাথী হতে তাকে সহযোগিতা পাঠাতে পারেন তার ব্যবহৃত ০১৫১৬-৫৮০৫৪৮ বিকাশ নম্বরে।