তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক মাসেই দেশ অনেক দূর এগিয়েছে : ফখরুল

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে মাত্র এক মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, এই নেতৃত্বের মাধ্যমেই একটি গণতান্ত্রিক, সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে শেরেবাংলা নগরে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমদ ও অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ শীর্ষ নেতাদের নিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা জানান এবং মুনাজাতে অংশ নেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫-১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের যাঁতাকলে যখন গণতন্ত্র ধ্বংস এবং স্বাধীনতা বিপন্ন ছিল, তখন বিএনপি জনগণকে সাথে নিয়ে লড়াই করেছে। এই সংগ্রামে প্রায় ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে, হাজারো নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন এবং প্রায় ১৭শ নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ছাত্র-জনতার জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ পুনরায় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ার সুযোগ পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “ ১৫ বছর নির্বাসিত থেকে তিনি আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং এখন সরকার গঠনের পর সম্পূর্ণ নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে দেশ গড়ায় আত্মনিয়োগ করেছেন। তারেক রহমানের প্রতি দেশের মানুষ আজ অত্যন্ত আস্থাশীল।”

তিনি জনজীবন উন্নয়নে সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে : সাধারণ মানুষের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তন। ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মগুরুদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান। কৃষি উৎপাদনে জোয়ার আনতে দেশব্যাপী ‘খাল খনন’ কর্মসূচি। প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ। পয়লা বৈশাখে কৃষকদের জন্য বিশেষ ‘ফার্মার্স কার্ড’ প্রদান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আশা প্রকাশ করেন যে, তারেক রহমানের এই জনহিতকর কর্মসূচিগুলো দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।