বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
জনগণ আর পচা শামুকে পা কাটতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। শনিবার দুপুরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বাঁশখালী উপজেলার সাবেক ও বতর্মান দায়িত্বশীলদের নিয়ে আয়োজিত প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, ‘যারা দুর্নীতিতে বারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন, তারাই এখন দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্লোগান দিচ্ছেন। জনগণ এখন সচেতন। জনগণ তাদের চরিত্র অতীতে দেখেছে। এ জন্য জনগণ আর পচা শামুকে পা কাটতে চায় না। কার্ড কার্ড খেলা শুরু হয়েছে। এর আগেও ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলে ডিজিটাল ধোঁকাবাজি করা হয়েছিল। ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার মাধ্যমে তারা মানুষকে তাদের সেবাদাসে পরিণত করতে চায়। বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়তে হলে সৎ, দক্ষ ও মানবিক মর্যাদাসম্পন্ন নেতৃত্ব প্রয়োজন। জামায়াত রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে শয়তানও পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে। কারণ শয়তানও জামায়াতের বিপরীতে এই দুঃসাহস দেখাবে না। জামায়াতকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে দেখতে চাইলে শিবিরের জনশক্তিসহ সবাইকে এখনই ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত করতে হবে। গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হলে শহীদদের রক্ত জিতে যাবে।’ সরকারের সমালোচনা করে শিবির সভাপতি বলেন, ‘সরকার শুরুর দিকে একটা দলের দিকে ঝুঁকে গেলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোর পর সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে। কারণ তারা বুঝতে পারছে বাস্তবতা ভিন্ন। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মতো আগামী সংসদ নির্বাচনেও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভূমিধস বিজয় হবে, ইনশা আল্লাহ।’ ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তরের সভাপতি তানজির হোসেন জুয়েলের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মুবিনুল হকের সঞ্চালনায় প্রীতি সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন- কেন্দ্রীয় এইচআরএম সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রণি, জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, জেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রোরী ও সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাসের, ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মাইমুনুল ইসলাম মামুন, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি আবদুর রহীম, সাবেক জেলা সভাপতি জি এম সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।



