জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ : মূল চ্যালেঞ্জগুলো

সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছাতেই কেবল সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। সব দলকে একটি সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের সদিচ্ছা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় একটি নির্বাচনের মাধ্যমে একটি দল ক্ষমতায় আসবে ঠিক, কিন্তু আবারো ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার শঙ্কা থেকেই যাবে। মনে রাখতে হবে, ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী ক্ষমতাচ্যুত হলেও কাঠামো পুরোটা রয়ে গেছে। এ কাঠামোতে আবার ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার সব উপাদান বিদ্যমান রয়েছে। তবে ৫ আগস্ট এদেশের তরুণ প্রজন্মকে প্রতিবাদ করার পদ্ধতি শিখিয়েছে। তারা যেকোনো মূল্যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শিখেছে। কাজেই অন্যায় প্রক্রিয়ায় এবার কারো ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর ১৮ দিন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এই নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে। তাদের আকাঙ্ক্ষা দেশের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম নির্বাচন সুসম্পন্ন করবেন। নির্বাচন কমিশনও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ একটি ঐতিহাসিক সুষ্ঠুতম নির্বাচন আয়োজন করার ক্ষেত্রে। কিন্তু এসব আকাঙ্ক্ষা এবং প্রতিজ্ঞার সাথে মাঠের বাস্তবতার কতটুকু সামঞ্জস্য আছে তা পর্যালোচনা করা দরকার।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনে মূলত তিনটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা বা নিষ্ক্রিয় না করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব নাও হতে পারে। নির্বাচনটি হয়তো বা গায়ের জোরে যেনতেনভাবে সম্পন্ন করা যেতে পারে। কিন্তু এতে দেশের চলমান সমস্যা আরো ঘনীভ‚ত হওয়ার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে। এতে করে পতিত আওয়ামী গোষ্ঠী এবং তাদের আধিপত্যবাদী দোসররা একযোগে বাংলাদেশের ভঙ্গুর পরিস্থিতির সুযোগ গ্রহণ করতে মুহূর্ত সময় নেবে না। কাজেই সময় পেরিয়ে যাওয়ার আগে ওই মৌলিক চ্যালেঞ্জ তিনটি আমলে নিয়ে সেগুলোর যথোপযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান দিতে হবে।

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড : কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু করার প্রাথমিক শর্ত হলো সব দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ থাকা। সরকার, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন এবং নিরাপত্তাবাহিনী ও সংস্থা সব স্টেকহোল্ডার রাজনৈতিক সব পক্ষকে সমানভাবে দেখবে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের দেশে নির্বাচনের মাঠ কি সমতল? আমাদের কোনো কোনো উপদেষ্টা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, নিরাপত্তাবাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো, প্রশাসনযন্ত্র এমনকি নির্বাচন কমিশন ইত্যাদির বড় একটি অংশ দৃশ্যমানভাবে একদিকে ঝুঁকে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ একটি দলের প্রধান নেতা যে প্রটোকল এবং নিরাপত্তা সুরক্ষা পাচ্ছেন তা কি আর কেউ পাচ্ছেন? ফলে নির্বাচনের মাঠ উঁচু-নিচু হয়ে পড়া স্বাভাবিক। অন্যদিকে, মনোনয়ন বাছাইপ্রক্রিয়ায় একটি দলকে অগ্রাধিকারে রাখা হয় বলে বিভিন্ন সংসদীয় এলাকায় প্রতিফলিত হয়েছে। প্রশাসনের নির্বাচন কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ডে সেটি লক্ষ্য করা গেছে! আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর একটি বড় অংশ বিশেষ একটি দলের প্রতি নমনীয়তা এবং অন্যান্য দলের প্রতি কঠোরতা দেখাচ্ছে বলে বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। ভোটের মাঠে এ পরিস্থিতি বিরাজমান থাকলে ২০২৬ সালের নির্বাচন ২০০৮ সালের নির্বাচনের মতো কারসাজির নির্বাচন হয়ে উঠতে পারে। ২০০৮ সালের নির্বাচনটি ছিল চারদলীয় জোটকে বোকা বানানোর নির্বাচন! ভারত এবং তাদের এদেশীয় মিডিয়া ও ব্যবসায়ীদের একটি গোষ্ঠীর সহযোগিতায় ২০০৮ এর নির্বাচনে সূ²ভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনা হয়েছিল। আর ২০২৬ সালের নির্বাচনে সেই ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং করে এবার একটি রাজনৈতিক পক্ষকে বোকা বানানোর আয়োজন চলছে কি? বিভিন্ন ইস্যুতে একটি দলের ক্ষমতায় চলে আসার আলামত অনুমান করে আমাদের প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সেই দিকে হেলে পড়ছেন বলে মনে হচ্ছে। এটি আসলে গত ১৬ বছরে গড়ে ওঠা আমাদের প্রশাসনের হাসিনা মার্কা সংস্কৃতি। ফ্যাসিবাদের সৃষ্টি করা সেই সংস্কৃতিতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানেন যে, বদলি এবং প্রমোশনে সুবিধা পেতে অবশ্যই সম্ভাব্য ক্ষমতাসীন দলকে লিভারেজ দিতে হবে বা আনুগত্য প্রদর্শন করতে হবে।

অলিগার্ক সমাচার : রাষ্ট্রযন্ত্রের বাইরেও একটি অলিগার্ক গোষ্ঠী থাকে যারা নির্বাচন প্রভাবিত করে যার যার গোষ্ঠীস্বার্থ রক্ষা করে থাকে। আমাদের দেশে এই অলিগার্ক শ্রেণীর দু’টি শাখা রয়েছে। প্রথমটি মিডিয়ার একটি সুনির্দিষ্ট অংশ এবং দ্বিতীয় শাখাটি হলো ব্যবসায়ী নেতাদের একটি গোষ্ঠী। সাংবাদিকদের একটি অংশ বিশেষ করে কয়েকটি বড় বড় জাতীয় পত্রিকার সম্পাদক সেসব অলিগার্ক মিডিয়ার নেতৃত্ব দেন। এই মিডিয়া অলিগার্করা ২০০৭ সালে এদেশে ‘উদ্দিনদের’ সকার নিয়ে এসে আধিপত্যবাদীদের হস্তক্ষেপের পথ সুগম করে ছিল। মিডিয়ার চিহ্নিত সেই গোষ্ঠীটি বর্তমানে আবার বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। ওই দলকে তুষ্ট করার জন্য মতলবি নির্বাচনী জরিপ প্রকাশ করছে। নির্বাচনে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বিরোধী পক্ষকে দুর্বলভাবে জনসম্মুখে উপস্থাপনে সব ধরনের কৌশল করে সংবাদ ও প্রতিবেদন ছাপাচ্ছে। অর্থাৎ- এরা নির্বাচনী মাঠের সঠিক চিত্রের পরিবর্তে নির্দিষ্ট একজন নেতা ও একটি দলকে খুশি করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এতে একটি পক্ষ অতি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছে যা দেশের জন্য সার্বিকভাবে ক্ষতিকর হতে পারে। অন্যদিকে, অসত্য জনমত জরিপ প্রকাশ করে ভোটারদের বিভ্রান্ত করছে। এ অশুভ প্রক্রিয়াটি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে অন্তরায় সৃষ্টির পথ সুগম করে তুলতে পারে।

অলিগার্কদের আরেকটি গোষ্ঠী হলো ব্যবসায়ী এবং শিল্পপতি নেতাদের একটি অংশ। এরা ওয়ান-ইলেভেন সরকারকে আনার ব্যবস্থা করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করার পথ সুগম করেছিল। এরপর দীর্ঘ ১৬টি বছর নিজ নিজ ব্যবসায়িক স্বার্থরক্ষায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে বারবার অবৈধভাবে নির্বাচিত করতে সব ধরনের সহযোগিতা তারা করেছে। এ গোষ্ঠী চব্বিশের অভ্যুত্থানপূর্ব আন্দোলন নস্যাৎ করতে সরাসরি প্রকাশ্যে হাসিনার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। হাসিনাকে ছাত্র-জনতা হত্যাকাণ্ডে সাহস জুগিয়েছে। এমনকি এই ব্যবসায়ী গোষ্ঠী মৃত্যু পর্যন্ত হাসিনার সাথে থাকার অঙ্গীকার করেছে। এরাই আবার এবারের নির্বাচনে যে দলের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা বেশি সেই দলের নেতৃত্বের পাশে ঘুর ঘুর করছে। এদের কাছে রয়েছে প্রচুর অর্থ এবং জনবল। কাজেই তাদের এ ধরনের একটি দল ও নেতার প্রতি অতিভক্তি প্রদর্শন নির্বাচন প্রভাবিত করতে পারে। এই অলিগার্করা সাধারণত অন্যায় পন্থা অবলম্বন করে নির্দিষ্ট দলকে ক্ষমতায় আনার চেষ্টা করে। যেন পরবর্তীতে ব্যবসায়িক সুবিধা আদায় করতে পারে। গত ১৬ বছর এভাবে তারা হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছে নিবিড়ভাবে।

নিরাপত্তা হুমকি : আসছে নির্বাচনে নিরাপত্তা হুমকি দু’ভাবে নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করতে পারে। প্রথমত : টার্গেট কিলিংয়ের অপচেষ্টা করা। এক্ষেত্রে উদীয়মান আধিপত্যবাদবিরোধী নেতাদের নিশানা করা হতে পারে। হাদি হত্যাকাণ্ড দিয়ে তারা এটি প্রমাণ করেছে। এসব অপকর্মের জন্য আওয়ামী নেতৃত্ব ভারতে বসে প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থ ছাড় করেছে। সম্প্রতি মানিলন্ডারিং সর্দার এস আলম হাজার কোটি টাকা হাসিনার হাতে হস্তান্তর করেছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। সেই টাকা এবং ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের হত্যা ষড়যন্ত্র নির্বাচনী পরিবেশের একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। নিরাপত্তার দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জটি হলো ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা। ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখে ১৩ কোটি ভোটার ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবেন। এসব ভোটকেন্দ্রের ৫৯ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানা গেছে। প্রায় আট লাখ নিরাপত্তা সদস্য এ নির্বাচনে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। সরল হিসাব মতে, কেন্দ্র প্রতি ১৫ জনের মতো নিরাপত্তা সদস্য থাকতে পারবেন। কিন্তু ভোটের মাঠে আট লাখ নিরাপত্তা সদস্যের একটি বড় অংশকে লজিস্টিক দায়িত্ব পালনে জড়িত থাকতে হয়। ফলে কেন্দ্রপ্রতি মাত্র সাত-আটজন পাহারা দিতে পারবেন; তাও আবার এরা ডিউটি করবেন নিজেদের পালা অনুসারে। অর্থাৎ একসাথে একটি কেন্দ্রে তিন-চারজনের বেশি নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন না। তাও আবার এ নিরাপত্তায় দায়িত্বরত বেশির ভাগ আনসার সদস্য থাকবেন। ফলে কোনো কেন্দ্রে ভোট রিগিং হলে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীদের মোকাবেলা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। এমতাবস্থায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শক্তিশালী পক্ষ কর্তৃক ভোটকেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া পেশিশক্তির হুমকিতে দুর্বল ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে আসতে নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে পারেন।

মোকাবেলার পথ কী হতে পারে : উপরোক্ত হুমকিগুলো নিঃসন্দেহে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সামনে যে সময় রয়েছে তাতে প্রথম চ্যালেঞ্জ দুটো নিরসন করা সম্ভবত খুব কঠিন। কারণ, প্রশাসন ও রাষ্ট্রযন্ত্রকে এ মুহূর্তে কোনোভাবে ঝুঁকে পড়া থেকে রক্ষা করা প্রায় অসম্ভব একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে দলকে সম্ভাব্য বিজয়ী ধরে প্রশাসনের একটি বড় অংশ নির্দিষ্ট দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে, ওই রাজনৈতিক পক্ষ যদি বিষয়টি পছন্দ না-ও করে বা না-ও চায় তাতেও প্রশাসনের ঝুঁকে পড়া অংশটিকে পক্ষপাতহীন করা খুব কঠিন হবে। গত ১৬ বছরের অনুশীলিত সংস্কৃতির চর্চা থেকে তারা সহসাই ফিরতে পারবে না। এদের মধ্যে কেউ প্রমোশন-পোস্টিং আর কেউবা নিজেদের আওয়ামী ছাপ মোচনে এগুলো করবে। আর সাংবাদিক ও ব্যবসায়িক অলিগার্ক গোষ্ঠী যেকোনো মূল্যে বিশেষ একটি দলকে ক্ষমতায় আনতে সচেষ্ট থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলে বাকি চ্যালেঞ্জগুলো থাকা সত্তে¡ও ভোটে জনমতের সুষ্ঠু প্রতিফলন ঘটানো সম্ভব হবে। এ জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পাহারা দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ভোটকেন্দ্র দখলের হুমকি মোকাবেলা করতে সর্বদলীয় পর্যবেক্ষক টিম গঠন করতে হবে। তা ছাড়া প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে প্রার্থীদের নিজেদের তথ্য সংগ্রহকারী থাকতে হবে; যারা প্রতিটি ঘটনার ভিডিও ধারণ করে তাৎক্ষণিক সংবাদ সরবরাহ করতে পারে। এভাবে গণলাইন তথ্য সংগ্রহকারী নেটওয়ার্ক নিয়োজিত করে কেন্দ্র পাহারা দেয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে।

সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছাতেই কেবল সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। সব দলকে একটি সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের সদিচ্ছা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় একটি নির্বাচনের মাধ্যমে একটি দল ক্ষমতায় আসবে ঠিক, কিন্তু আবারো ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার শঙ্কা থেকেই যাবে। মনে রাখতে হবে, ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী ক্ষমতাচ্যুত হলেও কাঠামো পুরোটা রয়ে গেছে। এ কাঠামোতে আবার ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার সব উপাদান বিদ্যমান রয়েছে। তবে ৫ আগস্ট এদেশের তরুণ প্রজন্মকে প্রতিবাদ করার পদ্ধতি শিখিয়েছে। তারা যেকোনো মূল্যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শিখেছে। কাজেই অন্যায় প্রক্রিয়ায় এবার কারো ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।

লেখক : নিরাপত্তা বিশ্লেষক

[email protected]