ইসলামই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অস্তিত্বের ভিত্তি

আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নবজাগরণ ঘটাতে হবে চীন, তুরস্ক, পাকিস্তান, আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে। এই প্রয়াসে ভারত খুশি না বেজার হলো, সেটি দেখার সুযোগ আমাদের নেই। আমাদের রাষ্ট্রদর্শন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের মৌলিক ভিত্তি হলো ইসলাম এবং স্বাধীন রাষ্ট্রসত্তার সমন্বয়। এটিই আমাদের অস্তিত্ব, এটিই আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্য। ভারতের অন্ধ সেবাদাস ছাড়া দেশের অন্তত ৯৫ শতাংশ মানুষ এই বিশ্বাসেরই পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ। এ দেশে বাম-রাম-নাস্তিক্যবাদের কোনো ঠাঁই কিয়ামত পর্যন্ত হবে না। কথা পরিষ্কার!

খন্দকার হাসনাত করিম
খন্দকার হাসনাত করিম |নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

আজ থেকে অন্তত ৫০ বছর আগে গুনার মিরডালের লেখা The Asian Drama নামের বইটা পড়েছিলাম। সম্ভবত গুনারের পিএইচডি থিসিস ছিল ওটা। কোনো এক বিশ্বমানের প্রকাশনা সংস্থা রাজনীতি-অর্থনীতি ও ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে লেখা এই অবশ্য পাঠ্য বইটা ছেপেছিল। ভারতের লোকসভা নির্বাচন কভার করতে গিয়ে পুরান দিল্লির ফুটপাথে পুরাতন বইয়ের দোকান থেকে কিনেছিলাম বইটি। পড়তে পড়তে, নোট করতে করতে একপ্রকার হেফজো করে ফেলি সে বইটি। এশিয়া মহাদেশ নিয়ে লেখা হলেও বইটির বিষয়বস্তু ছিল সমাজতন্ত্রের যুগাবসানে ধনতন্ত্রের স্বরূপ এবং সমগ্র তৃতীয় বিশ্বের যন্ত্রণা। গুনার মিরডালের পর একই ধরনের আর একটি বই লিখে হাঙ্গেরির সাহিত্যিক জিতে নিলেন এবারের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার। তার নাম লাসলো ক্রাসনোহোরকাই। The Melancholy of Resistance নামের উপন্যাসের জন্য নোবেল কমিটি লাসলোকে সাহিত্যে নোবেল দেয়ার সুপারিশ করে। লাসলোর উপন্যাসের চরিত্রগুলো বিচিত্র এবং মানবচরিত্র ও কতিপয় প্রাণিচরিত্র্যের এক অভিনব মিশেল। উপন্যাসে বিশাল এক মৃত তিমি মাছ ও কাল্পনিক এক যুবরাজ চরিত্র দিয়ে সমাজতন্ত্র-পরবর্তী নতুন বিশ্ব শোষণ ও ফ্যাসিবাদের নতুন বিন্যাস দেখানো হয়েছে। লাসলোর এই অভিনব কাজটি মনে করিয়ে দেয় শুয়োরের খোঁয়াড় নিয়ে লেখা জর্জ অরওয়েলের Animal Farm কিংবা ১৯৮৪ উপন্যাসের কথা। অরওয়েল পরিহাসের সাথে সমাজতন্ত্রের দুর্গেই অবিচার, শোষণ এবং স্বৈরতন্ত্রের উদ্ভবচিত্র অঙ্কন করেছিলেন।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ-পরবর্তী দুনিয়ায় ফ্যাসিবাদের বৈশ্বিক প্রবণতা, নতুন শোষণ প্রকৌশল ও স্বৈরাচারী মনোবৃত্তির পুনর্জন্ম নিয়ে চমৎকার যে চিত্রকল্প লাসলো ফুটিয়ে তুলেছেন, তার বর্ণনাশৈলীর চেয়ে অনেক গভীর ভাবনার দ্যোতনা রয়েছে এই উপন্যাসে। সমাজতন্ত্রের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা যুগোস্লাভিয়ায় যেমন নতুন করে জন্ম নেয় জার্মানদের মতো জাতিগত নিধনবাদ (যার সাক্ষী মুসলিম অধ্যুষিত বসনিয়া-হার্জেগোভিনা), সমাজতন্ত্রের খোলসে ঢাকা তার নিজ দেশ হাঙ্গেরির জাতিগত দাঙ্গা, মানব বসতিতে ঘৃণার আগুন দিয়ে প্রাণনাশের পৈশাচিকতা, হতাশা ও নৈরাজ্য, নেশা-মাদকতার বিস্তার, অপরাধের স্বর্গরাজ্য এবং নতুন নতুন শোষণের কৌশলপট– এগুলোই ফুটে উঠেছে লাসলোর ‘মেলানকলি অব রেজিস্ট্যান্স (প্রতিরোধের বিষণ্নতা) নামক উপন্যাসে। লেখকের আপন মানসচরিত্র ‘ভালুকা’ যেন যাবতীয় অনাচার-বেইনসাফির বিরুদ্ধে এক বোবা প্রতীক– যার অবসাদ ও আক্ষেপে প্রকাশিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক ধর্মপ্রাণ মানুষের বিবেকের দহন-যন্ত্রণা। গ্রন্থ-আলোচক মাসরুর আরেফিন অতি স্পর্শকাতরতার সাথেই বলেছেন : ‘রেজিম পরিবর্তনের ভেতরে নিহিত ফ্যাসিবাদের সঙ্কেত ও মানবচেতনার মহাজাগতিক বিষণ্নতা (ফুটিয়ে তোলা লাসলোর এই উপন্যাসের পরিণতি পর্বে) রায়টের শেষে, লুটের শেষে, আগুনের শেষে পৃথিবী ও জীবনের প্রতি এখনো বিশ্বাস ধরে রাখলেন শুধু বোকা ভালুকাই। তার বিশ্বাস ওই অ্যাবসার্ড কসমোলজিতে। আর সেই মৃত তিমিটা। সে তো হাওয়া হয়ে গেছে। তাই কি! আর প্রিন্স, সে-ও হাওয়া। শহর ফিরল এক ক্লান্তিজনিত স্তব্ধ-স্থিরতায়– পুরোটাই মেলানকোলি, মানে বিষণ্নতা। যে বিষণ্নতা থেকে কোনো মোক্ষ নেই, আর পুরোটাই প্রতিরোধ, যা কিনা কিছুই প্রতিরোধ করে উঠতে পারেনি।’

লাসলোর এই উপন্যাস মানবচেতনার সত্যিই এক মহাজাগতিক বিষণ্নতা, যার পেছনে নিত্য ক্রিয়াশীল সমাজতন্ত্র এবং অমানবিক ধনতন্ত্রের আদর্শগত ব্যর্থতা। সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে তার ইতিহাসের জড়বাদী ব্যাখ্যায়, যেখানে মানুষের মন ও বিবেককে বন্দী করা হয়েছে বস্তুবাদের জিঞ্জিরে, যা প্রকারান্তরে গোলামি। পুঁজিবাদ ব্যর্থ হয়েছে উপযোগিতার নামে অনিয়ন্ত্রিত ভোগবাদ এবং সম্পদের অসম বণ্টনের ফলে তৈরি বৈষম্যের কারণে। ১৯৭৯ সালে এ জন্য ইরানের ইসলামী বিপ্লবের মূল রণধ্বনি ছিল (ফার্সিতে) ‘লা শারকিয়া লা গারবিয়া- ইসলামিয়া জামহোরিয়া’ (অর্থাৎ না পূর্ব, না পশ্চিম- ইসলামী শাসনই উত্তম)। এই সুস্পষ্ট দার্শনিক শক্তির কারণেই ইরান একাই আজ রুখে দাঁড়িয়েছে মার্কিন বিশ্বশক্তি ও তাদের লেজুড় ইহুদি জায়নবাদী ইসরাইলকে। অন্যদের আর গোনারও সময় নেই ইরানের। নাস্তিক ভোগবাদ এবং লোভ ও লালসের বিকারে বিকৃত অবাধ ধনতন্ত্র উভয়েরই শেষ পরিণতি স্বৈরাচার, যার ভবিষ্যদ্বাণী আজ থেকে ৭৫ বছরেরও আগে করে গেছেন জর্জ অরওয়েল কিংবা ফরাসি দার্শনিক ফ্রাঞ্জ ফাঁনো। পক্ষান্তরে ইসলামী দার্শনিক ও মনীষীসমাজ কয়েক শতাব্দী আগে থেকেই মানবিক সাম্য, সুবিচার, জবাবদিহি এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার দর্শন ব্যক্ত করে আসছেন।

ইসলামী দর্শনের মর্মবাণী হলো, মানবজাতির জীবন পরিচালনার জন্য মহান স্রষ্টা প্রতিপালক আল্লাহর বিধান (আল কুরআন), তাঁর রাসূল সা:-এর জীবন এবং পথনির্দেশ (হাদিস)। এই মহান দর্শনে বিধৃত হয়েছে নৈতিক, আদর্শিক এবং জীবনের উদ্দেশ্য ও পরিণতি। এই দর্শন মানবজাতির মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। কারণ এই দর্শনের মূল ভিত্তিই হলো আল্লাহর সার্বভৌম এককতা (তাওহিদ), যেখানে জাতিগত, গোষ্ঠীগত, শ্রেণীগত, সাংস্কৃতিক এবং কোনো ধরনের অনৈক্য ও স্বার্থ সঙ্ঘাতের সুযোগ নেই। এই অনৈক্যের কারণে সৃষ্টির সূচনা থেকে মানবজাতি কলঙ্কিত হয়েছে হত্যা, নির্যাতন, জুলুম, শোষণ এবং বস্তুগত সম্পদ ও ক্ষমতার সঙ্ঘাতে। ইসলামী জীবন দর্শনের অন্যান্য মৌলিক ভিত্তির মধ্যে রয়েছেÑ সুবিচার (ইনসাফ), ক্ষমা ও মানব দরদ, (মানবিকতা), সততা এবং সত্যবাদিতা, আদর্শ মানব চরিত্র গঠন (আখলাক), সামাজিক দায়বদ্ধতা (জাকাত-সদকাহ), জবাবদিহি, পরকালের চিন্তা এবং শেষবিচার, আধ্যাত্মিকতা এবং বস্তুগত উন্নতির পাশাপাশি নৈতিক উন্নতি ও আধ্যাত্মিক উত্থানের ব্যাকুলতা, সব কর্ম ও ভাবনায় শুধু আল্লাহরই সন্তুষ্টি অর্জনের আকুলতা তথা স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং সৃষ্টির সেবা। তাই তো এই দর্শনের ঋণে আবদ্ধ বিশ্বের তাবত দর্শন প্রবাহ; প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ ভাবনায়, মানসিকতায় ও মননশীলতায়। জগৎজুড়ে নীতি ও নৈতিকতার আদর্শ সর্বাপেক্ষা বেশি ঋণী ইসলামের প্রতিই। কার্ল মার্কস লিখেছেন, ‘দার্শনিকরা মানবজাতির ইতিহাস বর্ণনা করে গেছেন; কিন্তু মূল কাজটি হলো ইতিহাসকে বদলে ফেলা।’ ইতিহাস বদলানোর এই দুরূহ কাজটিই করে গেছেন ইসলামী দার্শনিক ও চিন্তাবিদরা। তাদের ঐশী সার্বভৌমত্বের দর্শনে প্রভাবিত হয়েছে পাশ্চাত্য দর্শন। সে কথা নির্দ্বিধায় কবুল করেছেন বার্টান্ড রাসেল তার অমর গ্রন্থ History of Western Philosophy-এর পাতায় পাতায়। সততা ও সাহসিকতা দিয়ে স্বৈরতান্ত্রিক নিপীড়নবাদের মোকাবেলা করেছেন জাঁ পল সার্ত্রে। স্বৈরতন্ত্রের বিরোধিতায় মানবপ্রেমের অমরত্ব ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার মহাকবি মায়াকোভস্কি। আর কথাসাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কি সমকালকে নিয়ে গেছেন মহাকালের অসীম বিস্তারে। সাম্য ও মানবতার জয়গান গেয়ে গেছেন বের্টোল্ড ব্রেখ্ট। চিন্তার স্বাধীনতা এবং ইনসাফের পূজারী ব্রেখ্ট জগতের জন্য রেখে গেছেন বুদ্ধিবৃত্তিক নৈতিকতার অপরিশোধনীয় ঋণ। হিটলারের নৃশংস স্বৈরাচার ও জাতিগত নিধনযজ্ঞের শিকার ব্রেখ্ট নির্বাসনে বসেও মানবতা ও সাম্যের ঝাণ্ডা তুলে ধরেছেন। আমাদের দেশের অন্যতম সেরা মহাকবি ফররুখ আহমদ না খেয়ে, রোগে ভুগে তিলে তিলে মৃত্যুবরণ করেছেন। তবু বিবেক ও বিশ্বাস থেকে সরে আসেননি। আওয়ামী স্বৈরতন্ত্রের জুলুম সয়েছেন কবি ও চিন্তাবিদ আহমদ ছফা। কিন্তু বিবেক বিসর্জন দিয়ে জুলুমশাহীর সাথে আপস করেননি। যেমন আমৃত্যু আপসহীন সংগ্রাম করে গেছেন সিরাজ শিকদার।

সৎ ও সত্যনিষ্ঠ বুদ্ধিজীবীরা যুগে যুগে মিথ্যার বিরুদ্ধে নৈতিক সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। হত্যা, গুম, নির্যাতন ও নির্বাসনের শিকার হয়েছেন এন্তার; কিন্তু বিবেক জলাঞ্জলি দেননি। আশ্রয় নেননি দ্বিচারিতার। মিথ্যাকে মিথ্যাই বলেছেন, সত্যকে সত্য। আজ যে ভূমিকা নিতে দেখছি আমেরিকার চিত্র তারকা ডেনজিল ওয়াশিংটন কিংবা তামিল নায়ক থালাপতিকে। একজন জেহাদ করছেন জায়নবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে; আর একজন বর্ণবাদী ভারতীয় উগ্র ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে। ব্রিটিশদের অনেকে একটি অংশ লর্ড ক্লাইভের জন্মস্থান থেকে তার ব্রোঞ্জ মূর্তি ভেঙে ফেলতে বলছেন। এই ক্লাইভের মাধ্যমেই ভারতে মহান মোঘল বাদশাহীর পতন সূচিত হয়। এদেরই পূর্বপুরুষরা অষ্টাদশ শতকে কুখ্যাত কসাই ওয়ারেন হেস্টিংসের বিচার ও মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে গোটা ব্রিটেনে বিরাট আন্দোলন গড়ে তোলেন। মিথ্যা আপ্তবাক্য কিংবা বানোয়াট বয়ান ইত্যাদি সত্যনিষ্ঠ বুদ্ধিজীবী ও বিবেকবান মানুষকে কখনই বিভ্রান্ত করতে পারে না। আগ্রাসনবাদী ও তাদের এদেশীয় দোসররা খুব ঠাণ্ডা মাথায় আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে এমন এক বয়ান ঢুকিয়ে দিয়েছে যে, আমরা তিন দিক দিয়ে ভারতবেষ্টিত ছোট দেশ। কাজেই ভারতকে সবসময় জি হুজুর জি হুজুর করেই চলতে হবে। এটি নিতান্তই হীনমন্য ও ডাহা মিথ্যা ধারণা। ভারতের সর্বব্যাপী আগ্রাসন রুখে দিতে আমাদের জনগণের ঈমানি শক্তির সীমা সম্পর্কে সামান্যতম জ্ঞান না থাকার কারণেই এমন নতজানু মানসিকতা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ অপরিসীম দেশপ্রেমিক, বিশেষ করে দেশের নবজাগ্রত তরুণ কিশোর এবং নারীসমাজ। এর প্রমাণ তারা দিয়েছেন ২০২৪ সালের বর্ষা-বিপ্লবে, এর প্রমাণ পাওয়া গেছে সৎ, ঈমানদার এবং দেশপ্রেমিক ইসলামী যুবশক্তির সাম্প্রতিক ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে। এর প্রমাণ তারা আবারো রাখবে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে, গণভোট এবং জুলাই সনদ আইনগত বৈধতা প্রদানের লক্ষ্যে গণরায়ে। আমাদের চাই আধিপত্যবিরোধী রাজনৈতিক ঐক্য, দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষাবাহিনী এবং কিশোর যুবকদের অপরিহার্য গণমিলিশিয়া গঠনের মধ্য দিয়ে। আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নবজাগরণ ঘটাতে হবে চীন, তুরস্ক, পাকিস্তান, আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে। এই প্রয়াসে ভারত খুশি না বেজার হলো, সেটি দেখার সুযোগ আমাদের নেই। আমাদের রাষ্ট্রদর্শন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের মৌলিক ভিত্তি হলো ইসলাম এবং স্বাধীন রাষ্ট্রসত্তার সমন্বয়। এটিই আমাদের অস্তিত্ব, এটিই আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্য। ভারতের অন্ধ সেবাদাস ছাড়া দেশের অন্তত ৯৫ শতাংশ মানুষ এই বিশ্বাসেরই পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ। এ দেশে বাম-রাম-নাস্তিক্যবাদের কোনো ঠাঁই কিয়ামত পর্যন্ত হবে না। কথা পরিষ্কার!

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক