আওয়ামী সন্ত্রাসী জয়নাল হাজারির নাম ভুলে যাওয়ার কথা নয়। তিনি বাংলাদেশে মাফিয়া স্টাইলে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের মডেল। ১৯৭১ সালের পরপরই তিনি ফেনীতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। এরপর দেশের বিভিন্ন এলাকায় একই মডেলের সন্ত্রাসের উদ্ভব ঘটতে থাকে। নারায়ণগঞ্জ, লক্ষীপুর, ফটিকছড়ি, রাউজান দশকের পর দশক ধরে অপরাধী চক্রের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। জয়নাল হাজারি ক্লাস কমিটি করে ফেনীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। এরা খুন গুম চাঁদাবাজি চালাত জেলাজুড়ে। বিরোধীদের প্রতি তার নিষ্ঠুরতা এখনো ওই অঞ্চলে প্রবাদ হয়ে রয়েছে। তিনিই শুরু করেন ড্রিল করে মানুষ হত্যার প্রচলন।
তত্ত¡াবধায়ক সরকারের সময় তার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়। তার আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়ে বিখ্যাত হন ডিসি সোলায়মান চৌধুরী। হাজারির বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়ার মুরোদ দেখাবেন এমনটা কেউ ভাবতে পারতেন না। সোলায়মান চৌধুরী সেই সাহস দেখিয়েছেন। হাজারিকে ধরা গেল না, কারণ অশুভ চক্রের সহায়তায় তিনি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। সেখানে তাকে জামাই আদরে বরণ করে নেয়া হয়। আওয়ামী লীগের পুনরায় ক্ষমতায় আসা পর্যন্ত তিনি ভারতে রাজকীয় জীবনযাপন করেন।
বাংলাদেশে অপরাধ নির্মূল করা যায়নি পাশের দেশের আশকারার কারণে। দেশটি বাংলাদেশী অপরাধীদের আতিথেয়তা দিচ্ছে স্বাধীনতার পর থেকেই। এ কারণে হাজারির পর শামিম ওসমান ও তাহেরের মতো কয়েক ডজন মাফিয়ার সৃষ্টি হয়। হাজারিকে দাবিয়ে ফেনীর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল তারই আরেক শিষ্য নিজাম হাজারি। ’২৪-এর ৫ আগস্টের পর নিজামও আশ্রয় পেয়েছে ভারতে।
শরিফ ওসমান হাদির সম্ভাব্য হামলাকারীরা একেবারে নির্ভার। কারণ তাদের একটি নিরাপদ আশ্রয় রয়েছে। কোনোমতে ওপারে পৌঁছাতে পারলেই তারা নিরাপদ। বাংলাদেশে যতবারই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে তাদের বেপরোয়া অপরাধ সংঘটনের পেছনে এই মনস্তত্ত¡ কাজ করেছে। ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে তারা জনগণের বিরুদ্ধে যত ধরনের পীড়ন সম্ভব, চালিয়েছে। ২০০৯ সালের পর পুরো দেশকে গুম খুন লুটপাটের জংলি রাজ্য বানিয়ে ফেলে। এবার তারা আমাদের নিরাপত্তাদাতা বাহিনীগুলোকে জড়িয়ে নেয়। তারাও একই জায়গায় আশ্রয় পাওয়ার ভরসা থেকে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনে লিপ্ত হয়। আওয়ামী লীগের সাথে মিলে চরম নিষ্ঠুরতা চালায় সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কিছু সদস্য। শেখ হাসিনার পালানোর পর তার আমলের পাঁচজন ডিজিএফআই প্রধান ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। পুলিশ র্যাব ও সামরিক বাহিনীর যারা অপরাধে জড়িত ছিল তাদের সবাই এখন ভারতে আশ্রিত। বর্ষা বিপ্লবের পর সবমিলিয়ে আওয়ামী লীগের অন্তত ৪৫ হাজার সদস্য ও দোসর ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। এরা দেশে কোনো না কোনো অপরাধে যুক্ত ছিল।
অপরাধীদের আশ্রয় দেয়ার পাশাপাশি এখন ভারত বাংলাদেশের সব সীমান্ত দিয়ে বাংলাভাষী ভারতীয়দের পুশ ইন করছে। হাসিনা পতনের পর এ পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার মানুষকে বেআইনিভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছে ভারত। তাদের রয়েছে নাগরিক সনদ আধার কার্ড। বৃদ্ধ, সন্তানসম্ভবা, রোগী কাউকে তারা রেহাই দিচ্ছে না। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা বাংলাদেশী। বিস্ময়কর হচ্ছে, একই সময় বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া অপরাধীদের শুধু আশ্রয় দিচ্ছে না তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করছে ভারত সরকার। অন্যদিকে বিনা অপরাধে নিজের দেশের নাগরিকদের নিষ্ঠুরভাবে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে। তাদেরকে বনে-জঙ্গলে, নদীর কিনারে, জনবসতিহীন প্রত্যন্ত এলাকায় ফেলে দিয়ে যাচ্ছে। সেখান থেকে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের উদ্ধার করে মানবিক সহায়তা দিচ্ছে। বাংলাদেশের আদালতে প্রমাণ হয়েছে এদের মধ্যে ভারতের অন্তঃসত্ত¡া নারীও রয়েছে। আন্তর্জাতিক আইনের বাধ্যবাধকতার কারণে তাদের কাউকে কাউকে আবার ফিরিয়ে নিতেও ভারত বাধ্য হচ্ছে। তারা আরো বেশি নির্মমতা দেখাচ্ছে রোহিঙ্গাদের প্রতি। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এনজিওর আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে প্রায়ই তারা উচ্ছেদ অভিযান চালায়। তাদের ধরে বাংলাদেশে পুশ করে দিচ্ছে। মানবাধিকারের প্রতি ভারত রাষ্ট্রের যে প্রতিশ্রুতি এক্ষেত্রে তার প্রতি কোনো ভ্রুক্ষেপ করছে না।
হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনে প্রমাণ হয়েছে, বাংলাদেশ নীতির ক্ষেত্রে ভারতের কোনো নৈতিক অবস্থান নেই। আছে প্রতারণা, ধোঁকা ও মিথ্যাচারের প্রবণতা। হাসিনার সময় যখনই ভারতের কাছে বাংলাদেশের মানবাধিকার ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়গুলো উত্থাপিত হতো, তারা একবাক্যে বলে দিত এগুলো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ভোটবিহীন গণতন্ত্র ও মানবাধিকারবিহীন জঙ্গলের শাসনকে তখন কেবল সমর্থন করেনি সেটা টিকিয়ে রাখতে বিশ্বব্যাপী তারা নিজেদের কূটনৈতিক কাঠামোকে ব্যবহার করেছে। হাসিনা উৎখাত হওয়ার পর তাদের নীতি এখন শতভাগ উল্টে গেছে। তারা এখন বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন দেখতে চায়। এ বিষয়ে তারা ভিন্ন কোনো বাস্তবতা মানতে নারাজ। যেখানে আওয়ামী লীগ তল্পিতল্পাসহ ভারতে পালিয়ে গেছে, যারা দেশে রয়েছেন তারা নানা গুরুতর অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি, অনেকে দণ্ডিত হয়েছেন। নির্বাচনে তারা দাঁড়াবেন এমন একজন প্রার্থীও সম্ভবত আওয়ামী লীগের পাওয়া যাবে না। তারপরও ভারতের এক কথা, বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হতে হবে।
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি দেশটির কূটনৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রকাশ ঘটাল। ভারতীয় হাইকমিশনারকে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে জানানো হয়, ভারতে অবস্থান করে হাসিনার বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের অবসান চায় বাংলাদেশ। তার জবাবে নায়দিল্লি থেকে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগের মতোই এক স্ববিরোধী বক্তব্য হাজির করল। এক বিবৃতিতে বলা হলো, ‘বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে ভারতের অবস্থান আমরা ধারাবাহিকভাবে পুনর্ব্যক্ত করে আসছি। বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো কার্যকলাপে ভারতের ভূখণ্ড কখনোই ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।’ উল্লেখ্য, বিগত ১৫ বছর ‘বন্ধুপ্রতিম জনগণ’ এই অভিধাটি ভারত কখনও ব্যবহার করেনি। তখন তাদের সব ভালোবাসা ছিল হাসিনা সরকারের প্রতি। এই অভিধাটির আগমন হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়।
হাসিনা নয়াদিল্লিতে নিরাপদ স্থানে থেকে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের মানুষ হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। তারই বাস্তব প্রতিফলন ছাত্রলীগের এক নেতার হাতে হাদিকে গুলি করা। হাদিকে হত্যা করতে গুলি চালানো সেই নেতা ভারতে পালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই অবস্থায়, ‘বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো কার্যকলাপে ভারতের ভূখণ্ড কখনো ব্যবহার করতে দেয়া হবে না,’ এই কথাটির অর্থ কী?
বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো, দেশপ্রেমিক নাগরিক হত্যা এগুলো কি বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কার্যকলাপ নয়? এ কাজে কি আওয়ামী লীগ ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করছে না? কূটনৈতিক সম্পর্ককে ভারত অনেকটা যেন তামাশার পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে। ভারত তার প্রতিবেশীর প্রতি শক্তির নীতি প্রয়োগ করছে। যুক্তি প্রমাণ সততাকে পুরোপুরি নির্বাসনে পাঠিয়েছে।
ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক। ভারতের চরম উসকানির বিপরীতে এখন পর্যন্ত ড. ইউনূস সরকার একটি প্রতিক্রিয়াও দেখায়নি। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ভারত নিয়ে সবসময় বিনয়ের সাথে মন্তব্য করেন। তার এই নমনীয়তাও যখন ভারত ইতিবাচকভাবে নিতে পারছে না, তখন বাংলাদেশ আর কী করতে পারে।
বাংলাদেশকে তার নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে হবে। হাদির জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আয়োজিত প্রতিবাদ সভা থেকে এর সমাধানের ইঙ্গিত এসেছে। জুলাইবিপ্লবে সামনের সারির নেতা যারা ভারত সমর্থিত আওয়ামী লীগের হিটলিস্টে আছেন, তারা যেকোনো সময় নিশানা হতে পারেন। তারা এখন ভারতকে রোখার বিষয়ে করণীয় নিয়ে মুখ খুলছেন। কারণ এর বিকল্প নেই। হাত গুটিয়ে বসে থাকলে বেঘোরে মরতে হবে।
আওয়ামী লীগের অ্যাসেট চিহ্নিতকরণ
হাসিনার মানুষ হত্যার আদেশের উসকানিমূলক বক্তব্যের পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর গুঁড়িয়ে দেয়ার আয়োজন করে বিপ্লবীদের একটা অংশ। এই স্থাপনা কোনো সপ্রাণ অস্তিত্ব নয়। নিরেট কনক্রিটের ভবন মাত্র। এটিকে হাসিনা আইকন বানিয়েছিলেন। এখান থেকেই আওয়ামী লীগ নতুন করে কর্মসূচি দিতে চায়। এখানে দাঁড়িয়ে তারা হাসিনার পক্ষে নতুন বয়ান নির্মাণ শুরু করতে চায়। ফ্যাসিবাদী চক্র এখনো আশায় আছে, ভবনটিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছাবে। তারা কেউ হাসিনার এক হাজার ৪০০ মানুষ খুনের জন্য ব্যথিত বা অনুতপ্ত নয়। দেড় দশকে হাসিনার নিষ্ঠুর শাসনে কয়েক হাজার মানুষ হত্যাকেও অপরাধ গণ্য করে না। এমনকি গুম খুন মতপ্রকাশের অধিকারহরণকে হাসিনার স্বাধীনতা মনে করে তারা। সে সময়ে বিপ্লবীদের বড় একটা অংশ ৩২ নম্বর গুঁড়িয়ে দেয়ার পক্ষপাতী ছিলেন না। ৩২ নম্বর পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেয়াও হয়নি। হাদিকে গুলি করা ছাত্রলীগের এই সন্ত্রাসী ভারতের পরোক্ষ সমর্থন পেয়েছে। হাসিনাসহ অন্যদের মতো সে নিরাপদ আশ্রয় পাবে ভারতে। এই অবস্থায় বিপ্লবীদের কাছে পাল্টা আঘাত ছাড়া আত্মরক্ষার আর কোনো পথ নেই। ফ্যাসিবাদের আইকনিক নিদর্শনগুলোকেই তাদের নিশানা বানাতে হবে। প্রয়োজনে ফ্যাসিবাদীদের সব নিশানা মুছে দিতে হবে। একই সাথে জনগণের সম্পদ লুটেপুটে অর্জিত তাদের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা উচিত সরকারিভাবে।
ভারতকে মোকাবেলা কিভাবে হবে
ভারত মুখে যা-ই বলুক দেশটি আসলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। কূটনৈতিক উদ্যোগকে তারা গণ্য করছে না। ৫ আগস্টের পর হাসিনার উসকানিতে বাংলাদেশে বহু মানুষের প্রাণ গেছে। অনেক নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। এক সেনা অফিসার আওয়ামী লীগকে নাশকতার প্রশিক্ষণ দিয়েছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে আওয়ামী লীগ ও ভারতের মদদপুষ্টরা সক্রিয়। যে কারণে তারা প্রকাশ্যে বিপ্লবীদের হত্যা করতে ভয় পাচ্ছে না।
বাংলাদেশের গোয়েন্দা কাঠামো দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজে আসছে না। হাদির আক্রমণকারীকে ধরা মোটেও কঠিন কাজ ছিল না। রাজধানী থেকে বেরুনোর সব পথ সিল করে দিয়ে তাদের আটকানো যেত। দেখা গেল, আক্রমণকারী যে ছাত্রলীগ নেতা এ খবরটিও দেশের গোয়েন্দা কাঠামো থেকে উদঘাটন হয়নি। এসেছে এক বেসামরিক তদন্ত উৎস থেকে। তাই বাংলাদেশের বিপ্লবীরা এখন সর্বোচ্চ নিরাপত্তাহীনতায় আছেন।
এই অবস্থায় ভারতকে এই অন্যায় পন্থা থেকে নিবৃত্ত করার একমাত্র পথ তার নিরাপত্তা হুমকিগুলো নিয়ে দরকষাকষি। ভারতে আশ্রয় নেয়া অপরাধীদের বিষয়ে অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে দেশটিকে। দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান কামালকে তারা কোন মর্যাদায় ভারতে রেখেছে তা জানাতে হবে। তারা যদি আমাদের শত্রুদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিতে থাকে তাহলে তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা কোন মুখে চাইতে পারে!
ভারত সরকার যে প্রতারণা করছে তা নিয়ে আমাদের সীমান্তবর্তী ভারতীয়দের অবহিত করতে হবে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ আসাম ত্রিপুরা যেখানে ভারত সরকার বাংলাদেশী অপরাধীদের আশ্রয় দিচ্ছে তাদের।
লেখক : সহকারী সম্পাদক, দৈনিক নয়া দিগন্ত



