গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সৌন্দর্য হলো– নির্দিষ্ট সময় পরপর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর। উপমহাদেশে নির্বাচনের মাধ্যমে নেতা নির্বাচনের ইতিহাস সুদীর্ঘ নয়। ব্রিটিশ শাসনামলে সীমিত আকারে নির্বাচন দিয়ে রাজনৈতিক সংলাপের পথ তৈরি করা হয়েছিল, যাতে বিনা যুদ্ধে তারা এ উপমহাদেশ ত্যাগ করতে পারে। ভারতবাসী নিজেদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও সঙ্ঘাত ঘটালেও ভারত ও পাকিস্তানকে স্বাধীনতা প্রদানে ব্রিটিশদের কোনো যুদ্ধ করতে হয়নি। উপমহাদেশের স্বাধীনতা অর্জনকালে সবার আকাক্সক্ষা ছিল, স্বাধীনতা-পরবর্তী দু’টি দেশ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পদ্ধতি অনুসরণ করবে। ভারত ঠিকই শুরু করেছিল গণতন্ত্র দিয়ে এবং তা এখনো অক্ষুণ্ন্ন আছে। দুর্ভাগ্যজনক যে, পাকিস্তান গণতন্ত্রের পথে ঠিকমতো চলতে পারেনি। পাকিস্তান আমলের দুই যুগে প্রথমত সংবিধান প্রণয়নে বিলম্ব, বারবার সামরিক শাসন ও সংবিধান বাতিল, দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র, আঞ্চলিক বৈষম্য, ভাষা ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য– সবমিলিয়ে পাকিস্তান একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয় এবং এর ফলে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয় অনিবার্য হয়ে পড়ে।
আরো দুঃখজনক হলো– গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ সৃষ্টি হলেও শুরু থেকে তা বারবার ব্যাহত হয়েছে। ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধান তার যাত্রা শুরু করে গণতান্ত্রিক নীতির বিপরীতে। সেখানে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল যা ছিল গণতন্ত্রবিরোধী। ১৯৭৩ সালে নির্বাচনের নামে প্রহসন ও তামাশা করা হয়। মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে তুমুল জাতীয়তাবাদী নেতা শেখ মুজিবুর রহমান হঠাৎ করে গণতন্ত্রের বিপরীতে চরম অবস্থান নেন। তিনি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বাতিল করে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেন। শুধু তাই নয়, তিনি নির্বাচন তথা জনগণের ম্যান্ডেট না নিয়ে আজীবনের জন্য দেশের রাষ্ট্রপতি বনে যান। এর পর থেকে আবার গণতান্ত্রিক কাঠামোতে ফিরে আসার চেষ্টা চলে; কিন্তু সেগুলোও ব্যাহত হয় সামরিক শাসনের ফলে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার উদ্ভাবন ছিল বাংলাদেশের জনগণের সর্বসম্মত রায়ে নিষ্কলুষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের অভিপ্রায়। এর সুফলও প্রমাণিত হয়েছে কয়েকবার; কিন্তু সেই চেনা মুখ বাকশালীদের হাতে সেটিও বিপর্যস্ত হয়। পুনরায় বাকশালী ভূত ভিন্নরূপে ফ্যাসিবাদের বৈশিষ্ট্য নিয়ে জাতির ঘাড়ে চেপে বসে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সংঘটিত বিপ্লব নতুন আলোর জগতে প্রবেশের সুযোগ দেয়। এর বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করছে।
ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়া তুঙ্গে পৌঁছে গেছে। সবার আশা, সত্যিকার নির্বাচনী প্রচারণায় গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটুক; কিন্তু আমরা সহিংসতার বিভিন্ন ঘটনা দেখতে পাচ্ছি। প্রতিপক্ষের হামলায় প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর একজন স্থানীয় নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। বিএনপি কর্মীরা নিজেদের মধ্যেও নানা রকম সঙ্ঘাতে জড়িয়ে পড়ছেন। সবচেয়ে লজ্জাজনক ঘটনা হচ্ছে– জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের নিয়ে বিএনপির আক্রমণাত্মক ও অশালীন কথাবার্তা। নারীর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার ব্যাপারে সবাই বড় বড় কথা বললেও বাস্তবে তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে নারীদের প্রতি এরূপ অশালীন কথা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। স্মরণ করা যেতে পারে, মরহুম ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন একবার টেলিভিশন টকশোতে বিরক্ত হয়ে এক নারী সাংবাদিককে কটাক্ষ করেছিলেন। তাতে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। সব বাম, সেক্যুলার নারীবাদী সংগঠন ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল। এমনকি শেখ হাসিনা মামলা করতে প্ররোচিত করেন এবং মামলা হয়ে যায়। এর ফলে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন গ্রেফতার হন এবং অনেক দিন কারাগারে বন্দী থাকেন। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো– এ নারীবাদীরা তাদের ভিন্নমতের নারীর অধিকার ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হলে মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকেন। শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনে নোয়াখালীর এক নারী বিএনপি প্রার্থীকে ভোট দিলে তাকে ধর্ষণ করা হয়। তখনো নারীবাদীরা চুপ ছিল। ওদের কথা বাদই দিলাম। এই তো সে দিন চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির এক স্থানীয় নেতা জামায়াতের নারী কর্মীদের পোশাক খুলে নিতে তার দলের কর্মীদের নির্দেশ দেন। এর চেয়ে নারীর জন্য অমর্যাদাকর কথা আর কী হতে পারে। আরেক নেতা জামায়াতের নারী কর্মীদের নিকাব খুলে নেয়ার এবং পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন। শারীরিকভাবেও তাদের প্রতি আক্রমণ করা হয়েছে। কৌতূহলোদ্দীপক হচ্ছেÑ এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে বিএনপি নেতাকর্মীরা, যাদের নেতারা দাবি করে থাকেন, তাদের দলটি হচ্ছে একটি উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক দল। গণতন্ত্রে তো সহনশীলতা ও ভিন্নমতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান; কিন্তু একটি দল যদি মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে এবং পক্ষান্তরে ভিন্ন মতকে দমন করার নিকৃষ্ট উপায় বেছে নেয়, তখন তাদের দ্বিমুখী চরিত্রটি প্রকাশিত হয়ে পড়ে।
এবারে নির্বাচনী বাগযুদ্ধে যেসব বিষয় প্রাধান্য পাচ্ছে তার একটু পর্যালোচনা করা যাক। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করতে না পারায় ভোটযুদ্ধে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। বিএনপি নেতা তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন জামায়াতকে ১৯৭১ সালের ভূমিকার জন্য দায়ী করে। তিনি দেশে ফেরার আগেও বিএনপি নেতারা একই ভাষায় জামায়াতকে আক্রমণ করতেন। এটি ইঙ্গিত করে, বিএনপির নির্বাচনী কৌশল হিসেবে ১৯৭১ সালের ইস্যুকে তাদের বয়ানে নিয়ে আসছে; কিন্তু মজার বিষয় হলো– শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ ও তার জোট মিত্ররা একই ভাষায় জামায়াতকে দীর্ঘ দিন ধরে আক্রমণ করে আসছিল; কিন্তু তা তাদের জন্য বুমেরাং হয়েছে। বিপুল ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে যে জুলাই বিব সংঘটিত হয়েছে তাতে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। তরুণ প্রজন্ম জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ছুড়ে দেয়া ’৭১ কার্ডকে আমলে নেয়নি। সাম্প্রতিককালে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ফল তার বড় প্রমাণ। সুতরাং অকেজো কার্ডকে বিএনপি কেন সামনে আনছে, তা বোধগম্য নয়।
বিএনপি এরপর জামায়াতের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ আনে যে, তারা ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করছে। এমনকি এরূপ প্রচারণাও চালানো হয়, জামায়াত ভোটের বিনিময়ে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করছে। তারেক রহমান তো সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের জন্য জামায়াতের শিরক করাকে দায়ী করেছেন। মজার বিষয় হলোÑ এক দিকে তারা জামায়াতের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করছে, অন্য দিকে তাদের কিছু নেতা ধানের শীষে ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে বলে বয়ান দিয়ে চলেছেন। এমনকি এ জন্য নাকি নামাজ-রোজাও করতে হবে না। আলেম সমাজের কেউ কেউ আবার জামায়াতকে ভোট দেয়া জায়েজ নয় বলে ফতোয়া দিচ্ছেন। বিএনপি নেতা তারেক রহমান এক দিকে বলছেন, তার দল ক্ষমতায় গেলে মহানবী সা:-এর ন্যায়পরায়ণতার আদর্শে দেশ চালাবেন। দলের আরেক নেতা বলেছেন, তারা মদিনার সনদ অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবেন। আবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বললেন, তার দল শরিয়াহ আইনে বিশ্বাস করে না। বিএনপি নেতা সৈয়দা আশরাফী পাপিয়া বললেন, জামায়াতের নারীদের নিকাব-বোরকা খুলে ফেলবেন। তাদের পুলিশে দেবেন। তিনি আরেকবার বলেছেন, তামাক যেমন শরীরের জন্য ক্ষতিকর, তেমনি ইসলাম হচ্ছে আমাদের জন্য ক্ষতিকর। বিএনপি নেতারা নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে মাথায় টুপি পরে দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে মসজিদের ইমাম ও ওয়ায়েজিনদের ওপর বিএনপি নেতাদের আক্রমণের ঘটনাও চোখে পড়ার মতো। বিএনপির ধর্মীয় বয়ান ও কর্মকাণ্ড ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক নাকি নেতিবাচকÑ কোন ধরনের প্রভাব ফেলতে পেরেছে?
অন্য দিকে জামায়াত তার নির্বাচনী প্রচারে নাম উল্লেখ না করে বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজিÑ ইত্যাদির অভিযোগ করছে। বিষয়টি এতটা জনসম্পৃক্ত ইস্যু যে, ভোটারদের বলে দিতে হয় না, কারা এসব করছে। মনে হয়, চাঁদাবাজির ঘটনাগুলো বিএনপির জন্য বড় ধরনের দায় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এ অভিযোগ খণ্ডন করার মতো কার্যকর কোনো যুক্তি দেখা যাচ্ছে না। জামায়াত ও অন্যান্য দল বিএনপির বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ করে থাকে, তারা অভ্যন্তরীণ দলীয় কোন্দলে এমনভাবে জড়িত যে, ইতোমধ্যে তাদের হাতে বহু লোক নিহত হয়েছেনÑ যার মধ্যে নিজ দলীয় অনেকে রয়েছেন। দলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের হাতে যেখানে নিজ দলের লোকজনের নিরাপত্তা নেই, তারা দেশের জনগণকে কিভাবে নিরাপত্তা দেবে।
বিএনপির বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ হলো– দলটির নেতা ভারতের সাথে আপস করে দেশে ফিরেছেন। এর অংশ হিসেবে তারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছেন। মির্জা ফখরুল বলেছেন, তার দল ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগারদের সব মামলা তুলে নেয়া হবে। তারেক রহমান ইঙ্গিত দিয়েছেন, তারা কোনো দলকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয়। ভারতের পত্রপত্রিকায় তারেক রহমানের সাথে ভারতের বোঝাপড়ার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। যে ভারত বেগম জিয়াকে পছন্দ করত না, তারা এখন রাজ্যসভায় তার জন্য শোকপ্রস্তাব পাস করেছে। এটি যে তারেক রহমানকে খুশি করতে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জামায়াত নেতারা অভিযোগ করেছেন, তারেক রহমান ভারতের সাথে তিন দফা চুক্তি করেছেন, এরূপ খবর প্রকাশিত হলেও তারা তার প্রতিবাদ করেনি। আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের কোনো চেষ্টা ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে কি না তা বিএনপি নেতারা নিশ্চয় ভেবে দেখছেন।
দেশবাসী বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে রাষ্ট্র সংস্কার, ঘাতকদের বিচার ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান অগ্রাধিকার বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কিন্তু বিএনপি এক দিকে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ স্বাক্ষর করেছে, এখন আবার এ বিষয়ে অষ্পষ্ট অবস্থান নেয়ায় দলটি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। গণভোটের ব্যাপারে তারা অফিসিয়ালি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে তাদের অবস্থান ঘোষণা করলেও তৃণমূল পযায়ে নেতাকর্মীরা ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। কোনো কোনো নেতা তো বলেই চলেছেন, গণভোট অবৈধ। এরূপ দ্বৈত অবস্থান নিয়ে তাদের নেতাকর্মীরাও বিভ্রান্ত বলে মনে হয়। আবার ২০২৪ সালে ঘাতকদের বিচারের ব্যাপারেও বিএনপি নেতারা শক্ত কথা বলছেন না। এরূপ কথাও বাজারে আলোচিত হচ্ছে– বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিচার প্রক্রিয়া অনিশ্চিত হতে পারে। ভারতের ব্যাপারে তারেক রহমান বা তার কোনো নেতা একটি কথাও বলছেন না।
বিভিন্ন জরিপ থেকে প্রতীয়মান হচ্ছে, বিএনপি ও জামায়াত জোটের মধ্যে তীব্র লড়াই হবে। তবে কোনো দলের বিজয়ের ক্ষেত্রে তিনটি শ্রেণীর ভোট সিদ্ধান্তমূলক হবে। প্রথমত, তরুণদের ভোট। তারাই প্রায় চার কোটি ভোটার। অন্য দিকে নারী ভোটারদের সিদ্ধান্ত। আরেকটি হচ্ছে, বিভিন্ন প্রার্থীর স্থানীয় প্রভাব। মনে হয়, আওয়ামী ভোটও এক বাক্সে পড়বে না। স্থানীয় রাজনীতি, আঞ্চলিকতা ও ব্যক্তির প্রভাব সে ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হবে। সর্বোপরি ভোটের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে কি না এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে নিরাপদ পরিবেশ পাবেন কি না, সেটিই হচ্ছে এখন বড় প্রশ্ন।
লেখক : গবেষক ও সাবেক সচিব



