ছি ছি এত্তা জঞ্জাল

এই অদ্ভুত বৈপরীত্যই ‘জঞ্জাল’। আর এই বাস্তবতাই বলে দেয় একটি সমাজ কতটা সুস্থ। সমাজের সুস্থতা বোঝা যায় সেখানকার প্রান্তিক মানুষদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী বিচার করে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবন আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতার দলিল। তাদের হাতে ঝাড়ু আছে। কিন্তু সেই ঝাড়ু দিয়ে নিজেদের জীবনের জঞ্জাল সরাতে পারে না। এই জঞ্জাল সরানোর দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকে। কেবল সহানুভূতি নয়, তাদের জন্য কার্যকর নীতি প্রণয়ন জরুরি। সরকারের উচিত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য নিরাপদ আবাসন ও পুনর্বাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা। তাদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা ও নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা নিশ্চিত করা। কাজের সময় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বাধ্যতামূলক করা। আর তাদের সন্তানদের জন্য শিক্ষা ও বিকল্প পেশায় প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা।

আরব্য রজনীর আলীবাবা ও চল্লিশ চোরের কাহিনীতে আছে রহস্যময় পাহাড়। পাহাড়ের ভাঁজে লুকিয়ে থাকে অজস্র বিপদ। আলীবাবা সাধারণ এক কাঠুরে। পাহাড়ের গুহায় চল্লিশ চোরের গুপ্তধনের খোঁজ পেয়ে যান তিনি। পরে কাহিনীতে জড়িয়ে যান তার বড়ভাই কাসিম। তিনি ধনী এবং লোভী ব্যবসায়ী। তার লোভের পরিণতি তাকেই ভোগ করতে হয়। সেইসাথে আলীবাবার পরিবারেও নেমে আসে বিপদ। গল্পে তখন আলীবাবার ভরসা হয়ে দাঁড়ায় একটি চরিত্র— মর্জিনা। আলীবাবা পরিবারের দাসি মর্জিনা— বুদ্ধিমত্তায় ভরা সাহসী এক নারী। পুরো গল্পটি আলীবাবাকে কেন্দ্র করে হলেও মর্জিনা এখানে অনন্য। তার বুদ্ধি এবং কার্যকর দৃষ্টিভঙ্গি পরিস্থিতিকে সামাল দেয়।

‘ছি ছি এত্তা জঞ্জাল’ গানটি মর্জিনার, মূল আরব্য রজনীতে এই গান নেই। তার পরও উপমহাদেশের মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত। ১৯৩৭ সালে গানটি আসে বাংলা নাট্যচলচ্চিত্র এবং মঞ্চনাটকে। ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদের লেখা ‘ছি ছি এত্তা জঞ্জাল’-এ সুর দিয়েছিলেন নগরদাস নায়েক। এখানে ‘জঞ্জাল’ বলতে কেবল ময়লা-আবর্জনাকে বোঝানো হয়নি; বিপদ, জটিলতা এবং অদৃশ্য হুমকির প্রতীক হিসেবেও ব্যবহার হয়েছে। চারপাশে চোরেরা যখন লুকিয়ে থাকে, মর্জিনা তখন টের পেয়ে যায়। সে গান গায়, উদ্বেগ জানায়, অন্যদের সতর্ক করতে চায়। মূলত এ কারণেই মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে আছে ‘ছি ছি এত্তা জঞ্জাল’ গান।

আরব্য রজনীর মর্জিনার গল্প ছাড়িয়েও ‘জঞ্জাল’ শব্দটি মানুষের জীবন, দারিদ্র্য, বৈষম্য এবং সামাজিক অবহেলার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ধরা যাক ধাঙরদের কথা। ধাঙর মানে যাদেরকে মেথর বলা হয়, তারা মূলত পরিচ্ছন্নতা কর্মী। ‘ধাঙর’ বা ‘মেথর’ শব্দ দুটোর মধ্যে আছে অবজ্ঞা, অবহেলা। তাদের হাতে ঝাড়ু থাকে, মর্জিনার মতোই। গল্পের মর্জিনা চরিত্রটি বুদ্ধিমত্তার প্রতীক। আর পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বাস্তব জীবনের সেইসব মানুষ, যাদের কারণে পরিচ্ছন্ন থাকে শহর। ভোরের অন্ধকার শেষ হওয়ার আগে তারা নেমে পড়ে রাস্তায়, নর্দমায়। অথবা ডাস্টবিনের স্তূপে। তারপরও তারা আড়ালে থেকে যায়।

কয়েক দিন আগে নয়া দিগন্তর শেষ পৃষ্ঠায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। এর শিরোনাম ছিল ‘তেলেগু সম্প্রদায়ের আড়াইশ’ বছর’। হাবিবুল বাশারের তৈরি করা ওই প্রতিবেদনে তুলে আনা হয়েছে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বাস্তব অবস্থা। যাত্রাবাড়ীর কাছে ধলপুরে থাকে তেলেগু সম্প্রদায়। তারা নিজেরা তেলেগু ভাষায় কথা বলে। তাদের বংশপরম্পরার ইতিহাস আড়ইশ’ বছরের। তবে এত বছরেও ‘ধাঙর’রা ‘মানুষ’ হয়ে উঠতে পারেনি। মানে তাদেরকে নাগরিক বলে গণ্য করা হয় না। সংবিধানে মৌলিক অধিকারগুলোর কথা উল্লেখ আছে ঠিক, তবে এসব অধিকার যেন তাদের জন্য নয়। সংবিধানের ১৫(ক) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হিসেবে নাগরিকদের জন্য অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। কিন্তু তেলেগু কলোনিতে যারা থাকে, তারা অনেকটাই অন্নহীন, বস্ত্রহীন, শিক্ষাহীন ও আশ্রয়হীন!

ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, কলোনির ভেতর তাদের জীবন মানবেতর— পানির সঙ্কট, টয়লেটের সঙ্কট। আবার বর্ষা এলে পানিতে ডুবে যায় সব। তেলেগু কলোনির বাসিন্দারা উচ্ছেদ আতঙ্কে বসবাস করছেন। ১৯৯৬ সালে আগুনে পুড়ে ৯৬টি পরিবার পথশিশু হয়। এখন পর্যন্ত সরকারি সহায়তা পৌঁছেনি তাদের কাছে।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বহুমাত্রিক বৈষম্যের শিকার। এই সম্প্রদায়ের মানুষেরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম একই পেশায় থাকছে। সামাজিকভাবে ‘অস্পৃশ্য’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্য পেশায় যাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বাংলাদেশের শহুরে বস্তিগুলোতে বসবাসকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি। বিশেষ করে যারা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সাথে যুক্ত তাদের মধ্যে চর্মরোগ, শ্বাসকষ্ট এবং সংক্রামক রোগের হার তুলনামূলক বেশি।

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সমস্যা কেবল ঢাকা বা তেলেগু কলোনিতে সীমাবদ্ধ নয়। এটি পুরো বাংলাদেশের প্রান্তিক, অবহেলিত জনগোষ্ঠীর প্রতিফলন। বাংলাদেশের বস্তি এলাকার প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ মানুষ দলিত সম্প্রদায়ের। তারা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। তাদের পুনর্বাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক ও আইনগত দায়।

জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার ঘোষণার ২৩ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রত্যেক মানুষের কাজের অধিকার, ন্যায্য ও অনুকূল কাজের পরিবেশ এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা থাকা উচিত। এ ছাড়া জাতিসঙ্ঘের বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা খাতে কর্মরত শ্রমিকরা বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পেশাজীবীদের মধ্যে অন্যতম। তাদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। অথচ বস্তিতে একেকটি পরিবার থাকে দশ ফুট বাই পনের ফুটের ছোট ঘরে। তারাই কাজ করতে যায় ‘বড়ঘর’গুলোতে। ওগুলোকে ঝকঝকে-তকতকে করে রাখে। শহরের জঞ্জাল সরিয়ে রাখে, মানুষের যেন সমস্যা না হয়। মর্জিনা যেমন জঞ্জালের ভেতর বিপদের গন্ধ পেয়েছে, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও তেমনি প্রতিদিন স্পর্শ করে আমাদের ফেলে দেয়া অদৃশ্য বিপদ— পচা আবর্জনা, জীবাণু, বিষাক্ত বর্জ্য। পার্থক্য শুধু এই, গল্পের চরিত্র মর্জিনার বুদ্ধিমত্তা প্রশংসা পায়, আর পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের শ্রম অবহেলায় থেকে যায়।

‘জঞ্জাল’ কেবল বস্তু নয়, এটি একটি মানসিকতারও নাম। আমরা যেসব বস্তু ফেলে দেই। সেসব বস্তুই হয়ে ওঠে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জীবিকার মাধ্যম। আমরা পরিষ্কার থাকি। সেইসাথে পরিষ্কার রাখার মানুষগুলো থেকেও দূরে থাকি। এই দূরত্বও একটা জঞ্জাল- সমাজের ভেতরে জমে থাকা বৈষম্য, অবহেলা আর অস্বীকৃতির স্তূপ।

মর্জিনা বিপদের সময়ে কেবল ঝাড়ু হাতে নেয়নি, দায়িত্বও নিয়েছিল। সে পরিস্থিতি বুঝে কাজ করেছে। সতর্ক করেছে, প্রতিরোধ গড়েছে। সেই অর্থে মর্জিনা সচেতনতা এবং দায়িত্ববোধের প্রতীক।

আজকের শহরে আমাদের আশপাশেই মর্জিনারা থাকে। তার পরও তারা থাকে অনেক দূরে। কথা বলে, গান গায়। তবুও তাদের জীবনের কণ্ঠ আমাদের কানে পৌঁছে না। কখনো সামনে এসে দাঁড়িয়ে গেলে আমরা ‘ছি ছি’ করি! অথচ এই ‘ছি ছি’ ফিরে আসে আমাদের দিকেই। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির দিকে, সমাজবোধের দিকে। আমরা জঞ্জালকে ঘৃণা করি, জঞ্জাল তৈরির অভ্যাসকে নয়। দুর্গন্ধ এড়িয়ে চলি। কিন্তু সেই দুর্গন্ধের উৎস যে আমাদেরই জীবনযাপন, সেটা স্বীকার করতে চাই না।

আরব্য রজনীর গল্পে মর্জিনা শেষ পর্যন্ত বিপদকে পরাস্ত করে। কিন্তু বাস্তবের এই গল্পে, মর্জিনাদের লড়াই চলছে- ‘বৈষম্য’ নামে এক শত্রুর বিরুদ্ধে।

পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের এই লড়াই বহু বছর ধরে চলছে। ঢাকায় পেশাজীবী হিসেবে ‘মেথর’ বা ‘ধাঙর’দের শুরুর ইতিহাস পাওয়া যায় ১৬২৪ থেকে ২৬ সালের দিকে। বাংলা পিডিয়ার তথ্য বলছে, ওইসময় মগ দস্যুরা ঢাকায় নৃশংস হত্যা চালায়। হত্যার পর লাশ সরানোর কাজে মেথর নিয়োগ করা হয়। ১৮৩০ সালে ঢাকা কমিটি এবং ১৮৬৪ সালে ঢাকা পৌরসভা গঠনের পর, ধাঙরদেরকে নগর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ দেয়া হয়। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পর নতুন গঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা। এতে পৌরসভার দায়িত্ব বেড়ে যায়। তখন ভারতের কানপুর, মাদ্রাজ এবং নাগপুর থেকে দরিদ্র ধাঙরদের আনা হয়। তাদের জন্য বিশেষ বসবাসের এলাকা তৈরি করা হয়- টিকাটুলি ও আগা সাদেক রোডের মতো কিছু এলাকা।

মাদ্রাজিরা তেলেগু বা তামিল ভাষায় কথা বলত। নাগপুরী ও কানপুরী হিন্দি ও হিন্দি-উর্দুর মিশেল ভাষায়। পুরুষরা ধুতি, পাগড়ি ও আচকান পরত। মেয়েরা শাড়ি ও ব্লাউজ। পুরুষদের শরীরে সাপ, ভালুক, সিংহ, বাঘ ও ষাঁড়ের উল্কি থাকত। মেয়েদের শরীরে আঁকা হতো ফুলের উল্কি। এরা শূকর পালত, এখনো পালে।

বর্জ্য অপসারণ, পরিচ্ছন্নতা, শূকর পালনের মতো কাজের সঙ্গে তাদের জীবনের ঝুঁকি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে। লিভার, চর্মরোগ, যক্ষ্মা, ক্যান্সার তাদের জীবনের অংশ। নিজেদের কষ্ট ভুলে থাকার জন্য তারা নেশা করে। আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা যায়, গ্লাভস, মাস্ক ও বুটের মতো সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়া কাজ করা পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুক্ত শ্রমিকদের একটি বড় অংশই কোনো ধরনের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম পায় না। ফলে তারা প্রতিদিন অদৃশ্য বিষের সাথে লড়াই করে- যা ধীরে ধীরে তাদের শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

এসব ঝুঁকি নিয়েই বেঁচে আছে তারা। সমাজের প্রয়োজন পূরণ করছে। কিন্তু সমাজ তাদের প্রয়োজনে ডেকে নেয়। তবে প্রয়োজনটা ঠিক অনুভব করতে পারে না। তারা আছে কাজ করার জন্য, মানুষ হিসেবে নয়।

এই অদ্ভুত বৈপরীত্যই ‘জঞ্জাল’। আর এই বাস্তবতাই বলে দেয় একটি সমাজ কতটা সুস্থ। সমাজের সুস্থতা বোঝা যায় সেখানকার প্রান্তিক মানুষদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী বিচার করে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবন আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতার দলিল। তাদের হাতে ঝাড়ু আছে। কিন্তু সেই ঝাড়ু দিয়ে নিজেদের জীবনের জঞ্জাল সরাতে পারে না। এই জঞ্জাল সরানোর দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকে। কেবল সহানুভূতি নয়, তাদের জন্য কার্যকর নীতি প্রণয়ন জরুরি। সরকারের উচিত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য নিরাপদ আবাসন ও পুনর্বাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা। তাদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা ও নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা নিশ্চিত করা। কাজের সময় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বাধ্যতামূলক করা। আর তাদের সন্তানদের জন্য শিক্ষা ও বিকল্প পেশায় প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সামাজিক বৈষম্য দূর করতে আইনের কঠোর প্রয়োগ করা। কারণ সংবিধানের ১৫ ও ১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। এই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই।

আরব্য রজনীর গল্পে চল্লিশ চোরের গুপ্তধনের গুহা খুলতে একটা মন্ত্র বলতে হয়- চিচিং ফাঁক। পরিচ্ছিন্নতাকর্মীদের ভাগ্য বদল করতেও এখন একটা ‘চিচিং ফাঁক’ জরুরি। আর সেই মন্ত্রটার নাম ‘স্বীকৃতি’। মানুষ ও নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি।

লেখক : সহকারী সম্পাদক, নয়া দিগন্ত

[email protected]