রাসূলের শানে কবিতার বহুল প্রচলন হোক

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কবিতার অনুষ্ঠানে দেশের সেরা কবিদের এক মঞ্চে দেখতে চাই। রাসূল সা:-কে নিয়ে যিনি কবিতা লিখবেন তিনি যে রাজনীতির অনুসারীই হোন না কেন, তার মনে রাসূলের প্রতি, তাঁর আদর্শের প্রতি কিছুটা হলেও ইতিবাচক অনুভ‚তি তৈরি হবে, যা ক্রমে তাকে সিরাতে নবী অনুসরণে আগ্রহী করে তুলতে পারে। আগামী বছর জাতীয় এই প্রতিষ্ঠান সারা দেশে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে শুধু কবিতার জন্য একটি দিন নির্ধারণ করবে, এ আশা করতে পারি না কি? অনুষ্ঠান হবে বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। মূলত বলতে চাইছি, রাসূল প্রশস্তির কবিতা নিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনেক কিছু করার আছে

২০২১ সালের অক্টোবরে এক কবিতায় লিখেছিলাম : ‘কবিতা তো নিরাময়, কবিতা নদীর খোলা হাওয়া হৃদয় পোড়ানো শিখা, আরশ চুয়ানো ইলহাম।... আমরা কবিতা পড়ব মসজিদে, সিঁড়িতে, মিনারে’...

‘কবিতা থেরাপি’ শিরোনামের বেশ দীর্ঘ কবিতাটি প্রথম পাঠ করি জাতীয় প্রেস ক্লাবে, কবিতাপত্রের মাসিক কবিতার আসরে। পরে এটি চট্টগ্রামের অনলাইন পোর্টাল ‘পুবাকাশে’ প্রকাশ করেন স্নেহভাজন কবি ও সম্পাদক মাঈনউদ্দিন জাহেদ।

ওই কবিতা লেখার ঠিক চার বছর পর এবার ২০২৫-এ মসজিদে কবিতা পড়লাম। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। কবিতা পড়েছি জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে এবং এর আগে খোদ পীর সাহেবের দরবারে।

জাতীয় মসজিদে কবিতা পড়ার দিনটি ছিল সম্ভবত ১৮ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার। উপলক্ষ, পবিত্র সিরাতুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতি বছর এই উপলক্ষে পক্ষকালব্যাপী কর্মসূচি পালন করে। তাতে ওয়াজ মাহফিল, বইমেলা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাসহ নানা আয়োজন থাকে। নবীর শানে কবিতা পাঠ সেই কর্মসূচির অংশ। এবার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় মসজিদের দোতলায় ওয়াজ মাহফিলের বিশাল প্যান্ডেলে।

বিশিষ্ট কবি আফজাল চৌধুরী যখন ইফা ঢাকা বিভাগের পরিচালক, তখন নিয়মিত এই কবিতার অনুষ্ঠানে দাওয়াত পেয়েছি। তার অবসরের পর আর পাইনি। কেন বাদ পড়েছিলাম জানি না। কাউকে জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছা করেনি।

যা হোক, বহু বছর পর এবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণ পেয়ে ভালো লেগেছিল। ভালো লাগার কারণ শুধু আমন্ত্রণ পাওয়া নয়। এই প্রতিষ্ঠানের জন্য মনে অন্যরকম একটি টান অনুভব করি। আব্বা, প্রিন্সিপাল আশরাফ ফারুকী এই প্রতিষ্ঠানের খুলনা বিভাগের পরিচালক হিসেবে কর্মজীবন শেষ করেছিলেন।

দুঃখের বিষয়, আমন্ত্রণ পেয়ে ভালো লাগার যে অনুভ‚তি তৈরি হয়, জাতীয় মসজিদে কবিতা পড়ার পর সেটি আর থাকেনি। ‘মসজিদে মিম্বরে, প্রিয় কবির মাজারে, সমাধিতে, জন্মদিনে, ওফাত দিবসে’ পরিপূর্ণ নিবেদিত প্রাণে মৃদু অথবা তারস্বরে কবিতা পড়ার সেই কাব্যিক আকুতি অনেকটাই উবে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। কেন? সেটি বলতেই এত মুসাবিদা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কবিতা পাঠের অনুষ্ঠানে জনৈক কর্মকর্তা দাবি করেন, দেশে শুধু তারাই সিরাতুন্নবী সা: উপলক্ষে কবিতা পাঠের আয়োজন করেন। কথাটি বহু বছর ঠিক ছিল। এখন নেই। এখন বিভিন্ন সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ আরো কিছু প্রতিষ্ঠান সিরাতুন্নবী সা: উপলক্ষে কাব্য পাঠের আয়োজন করছে। বাস্তবিক পক্ষে মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই ২৩ আগস্ট শনিবার বায়তুশ শরফ ঢাকা বিভাগের আয়োজনে রাসূল সা:-এর শানে কবিতা পড়েছি। এটি চট্টগ্রামের বিখ্যাত হক্কানি পীর মাওলানা আবদুল জব্বার সাহেবের প্রতিষ্ঠিত বায়তুশ শরফের ঢাকা অফিস।

পীর সাহেবের দরবারে কবিতা পাঠ আমার জন্য অপ্রত্যাশিত এক নতুন অভিজ্ঞতা। সে অনুষ্ঠানে স্বয়ং গদ্দিনসিন পীর সাহেব আল্লামা মু: আবদুল হাই নদভী (মরহুম আবদুল জব্বার সাহেবের ছেলে) উপস্থিত থেকে কবিদের সাথে পরিচিত হন, খোলামেলা কথা বলেন, অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় করেন। এটি কবিদের প্রতি সম্মান অথবা সৌজন্য দেখানোর এক বিরল দৃষ্টান্ত।

বায়তুশ শরফ ঢাকা বিভাগের কোনো কর্মকর্তার সাথে পরিচয় ছিল না। পরে জেনেছি, একজন সুহৃদ আমার কথা তাদের জানিয়েছেন। সেটি ভিন্ন প্রসঙ্গ। যে কথা বলার, তা হলো, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বায়তুশ শরফের আয়োজিত দু’টি অনুষ্ঠানের পার্থক্য রীতিমতো খোলা চোখেই দৃশ্যমান ছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সরকারি, মানে জাতীয় প্রতিষ্ঠান। এর অনুষ্ঠানও জাতীয় পর্যায়ের বলে ধরে নেয়া স্বাভাবিক। অন্য দিকে বায়তুশ শরফ শুধু যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাই নয়, এটি একটি পীরের দরবার। বাস্তবতা যদিও ভিন্ন, তবু এ দেশের পীর-মাশায়েখরা আধুনিক চিন্তাচেতনা ও জীবনাচরণ থেকে অনেক দূরে রয়েছেন বা থাকেন বলে শিক্ষিত অনেকের ধারণা। সুতরাং দুই প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে ভিন্নতা থাকবে, তা প্রত্যাশিত ছিলই।

পাঠক কী ভাবছেন জানি না, তবে আমার ভাবনায় এটিই ছিল যে, ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠান হবে সবচেয়ে গোছানো, সুপরিকল্পিত, সুচারু ও উঁচু মানের; কিন্তু বাস্তবে ঘটে উল্টোটা। সবিস্তারে যাওয়ার আগে বলে নেয়া দরকার, দু’টি অনুষ্ঠানের এই তুলনা কাউকে আঘাত বা হেয় করার জন্য নয়; বরং এ থেকে কেউ সংশোধনের তাগিদ, কেউ আরো উৎসাহ ও প্রেরণা পেতে পারেন, এটাই আশা করি।

কোনো পীর সাহেবের দরবারে রাসূলের শানে কবিতার পাঠ হচ্ছেÑ এ মনে হয় দেশের প্রথম ঘটনা। এর প্রচলন আরো জোরদার হতে পারে। তবে পীর সাহেব মাওলানা জব্বার যে বেশ আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ ছিলেন সেটি জানা ছিল। অনেকে জানেন না, প্রিয় কবি আল মাহমুদ মাওলানা আব্দুল জব্বার সাহেবের মুরিদ ছিলেন। সে ভিন্ন প্রসঙ্গ। আমরা প্রসঙ্গে থাকি।

বায়তুশ শরফ ইসলামী গবেষণা কেন্দ্র দাওয়াত দিয়েছিল ৩০ জনের মতো কবিকে। নিজেদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠান-মঞ্চের পেছনে ব্যানারে লেখা ছিল, সাজানো এই বিশ্বলোকের সুন্দরতম ফুল প্রিয়নবী মুহাম্মদ রাসূল সা:-এর আগমনী মাস রবিউল আউয়াল উপলক্ষে নবীজির শানে কবিতা পাঠের আসর ‘কবিদের জলসায় ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ’।

এই নামকরণে আন্তরিকতার একটি ছোঁয়া কি অনুভব করছেন পাঠক? আমি করেছি। ‘বিশ্বলোকের সুন্দরতম ফুল’ এবং ‘ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ’-এই কাব্যিক বিশেষণ আমার মনকে মুহূর্তে বিগলিত করে দেয়।

অনুষ্ঠানে কবিদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য পেশের সুযোগ ছিল। কয়েকজন নির্ধারিত আলোচক ছিলেন, যারা কবিতার প্রতি নবীজির অনুরাগ, তাঁর সংস্কৃতি-চিন্তা বিষয়ে সারগর্ভ আলোচনা পেশ করেন। নির্দ্বিধায় বলি, অনুজপ্রতিম সহকর্মী কবি জাকির আবু জাফর রাসূলের কবিতাপ্রেমের ওপর যে আলোচনা করেন তা এককথায় ছিল বিস্ময়কর। এমন তথ্যসমৃদ্ধ আলোচনা কখনো শুনিনি।

বায়তুশ শরফ নিমন্ত্রণ করেছিল বিশিষ্ট কবি ড. মাহবুব হাসানকেও। তিনি এখন কবিদের সামনের কাতারে।

তারা অনেকটা সময় নিয়ে অনুষ্ঠান করেছে, যেখানে রাসূলুল্লাহ সা:-এর প্রতি যথাযথ সম্মান ও ভক্তির প্রতিফলন ঘটে।

এর বিপরীতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজন দায়সারা মনে হয়েছে। জনা পনেরো কবিকে ডেকেছিল তারা। ওয়াজ মাহফিলের বিশাল সামিয়ানার নিচে ডায়াসের সামনে দর্শক-শ্রোতা বলতে ছিলেন ছড়িয়ে ছিটিয়ে জনা দশেক মুসল্লি। এরা সম্ভবত মাগরিবের জামাতে শরিক হয়ে পরে ওয়ায়েজিনদের মূল্যবান ওয়াজ শুনে নেকি কামাবেন, সেই অপেক্ষায় ‘শুয়ে বসে’ সময় পার করছিলেন আর নেহাত বাধ্য হয়ে কবিতার অভিঘাত সইছিলেন। ছিলেন ট্রাভেল ব্যাগ মাথায় লম্বা হয়ে শুয়ে থাকা মুসাফির ধরনের মানুষও। তাদের কেউ জামা-পাজামা পাল্টাচ্ছিলেন।

নামাজের জন্য মঞ্চের পাশ দিয়ে হাজারও মানুষের ঢল চলমান ছিল। মাইকের শব্দে ইকো হচ্ছিল। বেশির ভাগ কবির কথা ও কবিতা বুঝতে সমস্যা হয়েছে।

আসর থেকে মাগরিব এইটুকু সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করার তাড়া ছিল ইফার। কবিতার মতো একটি সুচারু শিল্পের আসর বসানোর পরিবেশ তো ছিলই না; বরং এই আয়োজনের পেছনে কতটা নবীপ্রেম আর কতটা সরকারি দায়িত্ব পালনের দায় কাজ করেছে মনে সেই জিজ্ঞাসার উদ্রেক করেছে। এমন অনুষ্ঠান সত্যি আশা করিনি।

নিবন্ধের শুরুতে উল্লেখ করা কবিতায় মসজিদে কবিতা পড়ার আকুতি কেন এনেছি? এটি হলো এমন এক সমাজের আকাক্সক্ষা যেখানে মসজিদ হবে রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্র। মসজিদ হবে কমিউনিটি সেন্টার। আমরা মসজিদে কবিতা পড়ব মানে, ইবাদত-বন্দেগির পাশে কবিতা হবে মানসিক নিরাময়ের গুরুত্বপূর্ণ থেরাপি। কবিতা মানুষের মন প্রফুল্ল করে, সুন্দর রুচি ও মনন গঠন করে, মানুষকে হৃদয়বান ও সহনশীল করে। নিঃসন্দেহে মসজিদে সেরকম কবিতাই পড়া হবে যেটি পড়ার উপযোগী। তবে শুধু মসজিদ নয়, আমরা কবিতা পড়ব প্রিয় কবির মাজারে, সমাধিতে, জন্মদিনে, ওফাত দিবসেও। অর্থাৎÑ আমাদের জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ হবে কবিতা। কারণ শেষ পর্যন্ত, ‘কবিতা তো নিরাময়, কবিতা নদীর খোলা হাওয়া/আরশ চুয়ানো ইলহাম’...

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কবিতার অনুষ্ঠানে দেশের সেরা কবিদের এক মঞ্চে দেখতে চাই। রাসূল সা:-কে নিয়ে যিনি কবিতা লিখবেন তিনি যে রাজনীতির অনুসারীই হোন না কেন, তার মনে রাসূলের প্রতি, তাঁর আদর্শের প্রতি কিছুটা হলেও ইতিবাচক অনুভ‚তি তৈরি হবে, যা ক্রমে তাকে সিরাতে নবী অনুসরণে আগ্রহী করে তুলতে পারে। আগামী বছর জাতীয় এই প্রতিষ্ঠান সারা দেশে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে শুধু কবিতার জন্য একটি দিন নির্ধারণ করবে, এ আশা করতে পারি না কি? অনুষ্ঠান হবে বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

মূলত বলতে চাইছি, রাসূল প্রশস্তির কবিতা নিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনেক কিছু করার আছে। উর্দু সাহিত্যের এক বড় সম্পদ রাসূল প্রশস্তির কাব্য। ভারত, পাকিস্তান দুই দেশেরই। পাকিস্তানের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু রাসূলের ওপর পাঠদানের আলাদা ফ্যাকাল্টি আছে, বিভাগ আছে। সেখানে রাসূলের জীবন ও কর্মের পাশাপাশি হামদ, নাত, নাশিত ইত্যাদি বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা হয়। আরবি সাহিত্যের ‘কাসিদা বুর্দা’ বিশ্বসাহিত্যের অনন্য সম্পদ হিসেবে আজো স্বীকৃত এবং গবেষণার বিষয়।

আমাদের জানা নেই, সিরাতুন্নবীর পক্ষকালের অনুষ্ঠান ছাড়া রাসূলের জীবন ও কর্মের ওপর গবেষণার বিশেষ কোনো নিয়মিত কর্মসূচি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আছে কি না। থাকা দরকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লিঙ্গবিদ্যা (জেন্ডার স্টাডিজ) পড়ানোর জন্য ডিপার্টমেন্ট খোলা অদরকারি তা বলি না, এটি বৈশ্বিক প্রবণতা। তবে ইসলামিক স্টাডিজ ও হিস্টোরির মতো শুধু রাসূল সা:-এর ওপর পঠন-পাঠন ও গবেষণার আলাদা বিভাগ থাকতে পারে। এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন তথা ধর্ম মন্ত্রণালয় লবিং করতে পারে, সরকারের কাছে এর যৌক্তিকতা তুলে ধরতে পারে, জনমত গড়তে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে দেনদরবার করতে পারে। অন্তত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন একটি বিভাগ কেন থাকবে না!

সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে শুধু ধর্ম অনুসরণের সুপারিশ করে কাজের কাজ কিছু হবে না। আন্তরিকভাবে চাইলে শিক্ষার্থীদের মানস গঠনের জন্য দরকারি কাজটা করতে হবে। আর সেটি সম্ভব উপরে যেসব বিষয়ে বলা হলো, সেগুলোর বাস্তবায়নে।

এ নিবন্ধ শেষ করতে চাই রাসূলকে নিবেদিত নিজের কবিতা দিয়েই-

‘জাহেলির বালুচরে আপনি সেই সফল খামারি

যার ঋদ্ধ হাতের ছোঁয়ায়

মরুতেও ভরে ওঠে তরতাজা ফসলের ক্ষেত

ফলে নম্র আতরের গন্ধ ভরা শস্যের দানা

...

মরমিয়া পাখি যারা খুঁটে খায় সত্যের নুড়ি

আপনার ফলনের রোগহর ওষধি তণ্ডুল

সহস্র বছরের তাদেরই তো রূহানি আহার।

আপনি তাই রাহমাতুল্লিল আল আমিন।

বিধাতার অফুরন্ত ধারা করুণার।’

[email protected]