ইরানে ধ্বংসাত্মক বিক্ষোভ

বর্তমান অস্থিরতা ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ, যা তীব্র অর্থনৈতিক চাপ, গভীর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং একটি অস্থিতিশীল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিবেশের সংমিশ্রণ। ইরানের অর্থনীতি বছরের পর বছর ধরে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং নিম্ন প্রবৃদ্ধির সাথে লড়াই করছে। ব্যাপক বাজেট ঘাটতি এবং পঙ্গু নিষেধাজ্ঞার মধ্যে শিকড় যা টেকসই রাজস্ব এবং তহবিলের অ্যাক্সেসকে বাধা দিয়েছে, এই অর্থনৈতিক দুর্দশাগুলো স্বল্পমেয়াদে সমাধান করা প্রায় অসম্ভব। এসব পরিস্থিতিতে ইরান সরকার যদি স্থিতাবস্থা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়, তাহলে বিক্ষোভ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এটিকে হস্তক্ষেপের উপযুক্ত সময় হিসেবে দেখছে।

গত ডিসেম্বরের শেষ থেকে ইরানজুড়ে বিক্ষোভের নতুন তরঙ্গ ছড়িয়েছে। এবারের বিক্ষোভ একেবারেই ভিন্ন। ইসরাইলি হুমকি এবং ভেনিজুয়েলায় মার্কিন হস্তক্ষেপের প্রেক্ষাপটে এই বিক্ষোভের ব্যাপকতায় সরকার খানিকটা বিচলিত। এবারের আন্দোলন ২০২২ সালের উত্থান থেকে স্বতন্ত্র। নারীবাদী নেত্রী মাহসা আমিনির মৃত্যুর ঘটনায় যে বিক্ষোভ হয়েছিল তার তুলনায় অনেক জোরালো এবারের আন্দোলন। বিক্ষোভকারীরা এবার বাধ্যতামূলক হিজাব আইনকেও ব্যবহার করছে। সাথে আরো যুক্ত হয়েছে বিপুল মূল্যবৃদ্ধি এবং মুদ্রার পতন, যা ইরানে আগে দেখা যায়নি।

প্রাথমিকভাবে, এই বিক্ষোভ অর্থনৈতিক সঙ্কটের প্রেক্ষাপটে শিকড় গেড়েছিল। স্থানীয় অভিযোগগুলোও মিলেমিশে জাতীয় সঙ্কটকে বেগবান করেছে। সরকার প্রাথমিকভাবে অতীতের চেয়ে আলাদা একটি নিয়ন্ত্রণ কৌশল গ্রহণ করে। পদস্থ কর্মকর্তারা বিক্ষোভকে ‘নাগরিক অধিকার’ বলে বর্ণনা করেছেন, যদিও নিরাপত্তা বাহিনীর অবস্থান শক্তিশালী। বিক্ষোভ দমনে তাদের কৌশল ২০২২ সালের তুলনায় অনেক কম প্রাণঘাতী। ৩০ ডিসেম্বর ২৫, বিক্ষোভের তৃতীয় দিনে, ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান ‘মুদ্রা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার সংস্কার এবং জনগণের ক্রয়ক্ষমতা সংরক্ষণের মৌলিক পদক্ষেপ’ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। জোর দিয়ে বলেন, তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রতিবাদী প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনার নির্দেশ দিয়েছেন। একইভাবে সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি সাংবাদিকদের বলেন, প্রশাসন বিক্ষোভকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং অন্তর্নিহিত সমস্যা সমাধানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

অস্থিরতা বাজার ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়, শহর ও গ্রামে ছড়িয়েছে। বিক্ষোভ বাড়ার সাথে সাথে রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়াও কঠোর হতে থাকে। বিশিষ্ট ইরানি সমাজবিজ্ঞানী তাগি আজাদ আরমাকি বলেন, এবারের সমস্যাটি একাধিক সামাজিক শক্তির সাথে জড়িত জটিল কারণ থেকে উদ্ভূত। যদি এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তবে আরো জনমানুষ একত্রিত হবে এবং ইরানকে আরো বেশি সঙ্কটের দিকে ঠেলে দেবে। মঙ্গলবার পর্যন্ত বিক্ষোভ-সম্পর্কিত সহিংসতায় ৬০ জনের বেশি নিহত হলেও অস্থিরতা কমার লক্ষণ নেই। ৩১টি প্রদেশের ১১১টি শহরে কমপক্ষে ৩৪৮টি স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।

ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্যে এই উত্তেজনা প্রতিফলিত হয়েছিল। ৩ জানুয়ারি এক বক্তৃতায়, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি স্বীকার করেছেন যে, বিক্ষোভ ‘যৌক্তিক’ ছিল। তবুও প্রতিবাদ এবং রাষ্ট্রদ্রোহের মধ্যে একটি তীক্ষ্ণ রেখা আঁকেন তিনি। ঘোষণা করেন যে, ‘দাঙ্গাকারীদের অবশ্যই তাদের জায়গায় থাকতে হবে’। বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি চলমান অস্থিরতা সম্পর্কে কঠোর সতর্কবার্তা জারি করেন।

সহিংসতা বৃদ্ধির পেছনে আসল চালক কী? মধ্যপ্রাচ্য কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের এক ফেলো হামিদরেজা আজিজি তেহরানের গণনার পরিবর্তনকে ভেনিজুয়েলায় সাম্প্রতিক মার্কিন অভিযান এবং নিকোলাস মাদুরোর অপহরণের সাথে যুক্ত করেছেন। আজিজি দ্য নিউ আরবকে বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনিজুয়েলায় হামলা শুরু করার ২৪ ঘণ্টা আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরান সম্পর্কে পোস্ট করেছিলেন তা কেবল একটি কাকতালীয় ঘটনা নয়। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র হুমকির বার্তা দিতে চেয়েছে।’ আজিজি বলেন, ‘আমার ধারণা, ভেনিজুয়েলার ঘটনাগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের পূর্বাভাস হিসেবে দেখা হচ্ছে, তা সে মার্কিন সহায়তায় ইসরাইল হোক বা যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত বা ব্যাপক প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে হোক। আজিজির মতে, ‘সরকার বর্তমান বিক্ষোভের পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য শত্রু শক্তিগুলো রয়েছে এমন আখ্যানটি তৈরি করতে চায়, দমনের জন্য শক্তি প্রয়োগকে ন্যায্যতা দেয়ার জন্য।’ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এই বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলসহ বিদেশী শত্রুদের ইন্ধন রয়েছে বলে সতর্ক করেন।

ইরানের বিরোধী দলগুলো এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে যে, বাস্তব মার্কিন হস্তক্ষেপ সম্ভব, যার ফলে তারা শাসকদের মোকাবেলা করার জন্য সহিংস পদ্ধতি অবলম্বন করছে। এটি ইরান সরকারকে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার দিকে মনোনিবেশ করতে বাধ্য করবে।

এই ধ্বংসাত্মক বিক্ষোভের পেছনে ভূ-রাজনীতি ছাড়াও অর্থনৈতিক কারণ ও নারীদের ক্ষোভও জড়িত। সেগুলো হলো, মুদ্রার পতন; ইরানি রিয়ালের বিপর্যয়কর অবমূল্যায়ন হয়েছে। এটি এখন বিশ্বের অন্যতম দুর্বল মুদ্রা এবং সাধারণ ইরানিদের জন্য ক্রয়ক্ষমতা ভয়াবহভাবে হ্রাস করেছে। ডিসেম্বর ২০২৫ এ মুদ্রাস্ফীতি ৪২.২ শতাংশে পৌঁছেছে, খাদ্যমূল্য ৭২ শতাংশ বেড়েছে এবং স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা পণ্যের দাম ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এটি মৌলিক চাহিদা পূরণের সক্ষমতা অনেক নাগরিকের নাগালের বাইরে চলে গেছে। লাখ লাখ মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা নিষেধাজ্ঞার একাধিক স্তর ইরানের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে, জাতিসঙ্ঘ ‘স্ন্যাপব্যাক’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা পুনরায় আরোপ করে, বিদেশে ইরানি সম্পদ জব্দ করে। এই বিধিনিষেধগুলো তেল রফতানি, ব্যাংকিং অ্যাক্সেস এবং আমদানি সীমিত করেছে, ইরানকে বিশ্ব বাজার এবং বিদেশী বিনিয়োগ থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।

সরকারবিরোধী আন্দোলনে মুজাহিদিন ই খালক (এমইকে) সবসময়ই জড়িত থাকে। দলটি বৈদেশিক সহায়তা নিয়ে গড়ে উঠেছে। সময়ের সাথে সাথে এর তহবিলের উৎসগুলো নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। বিভিন্ন দেশ এদের মোটা অঙ্কের সহায়তা দিয়ে থাকে। যেমন ইরাক। ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের আগে, এমইকে তার সব সামরিক ও আর্থিক সহায়তা সাদ্দাম হোসেনের কাছ থেকে পেয়েছিল। এই সমর্থনের মধ্যে অস্ত্র, সামরিক সরঞ্জাম এবং ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণের জন্য অপারেশনাল সহায়তা অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইরান বিরোধী হওয়ায় দলটিকে সৌদি আরবও সহায়তা দিয়ে থাকে। একজন সৌদি যুবরাজ ১৯৮৯ সালে বিলাসবহুল পণ্য ভর্তি স্যুটকেস এবং ২০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের সোনার ট্রাক দিয়েছিলেন। গুরুত্বপূর্ণ সহায়তাকারী হলো ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পারমাণবিক বিজ্ঞানীদের হত্যা করার জন্য ইসরাইলের গোপন পরিষেবা দলটিকে অর্থায়ন করে ও প্রশিক্ষণ দেয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আলবেনিয়ায় এমইকে পুনর্বাসনে সহায়তা করার জন্য জাতিসঙ্ঘের শরণার্থী সংস্থাকে ২০ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছে এবং শরণার্থীদের আবাসনে সহায়তা করার জন্য আলবেনিয়াকে সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করেছে। যা হোক, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বলেছে এমইকে গণতান্ত্রিক বিরোধী কোন আন্দোলন নয়। এমইকে’র অর্থায়নকারীরা প্রকাশ্যে পরিচিত নয় কারণ সংস্থাটি সরকারি তথ্য সরবরাহ করে না, যদিও এর অর্থায়ন বিশ্ব মিডিয়া আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দলটি পশ্চিমা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।

এসবের মধ্যে যুক্ত হয়েছেন সাবেক স্বৈরশাসক রেজা পাহলভির বড় ছেলে ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভি। তিনি ইরানের বিক্ষুব্ধ জনতাকে অহরহ নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন এবং বিক্ষোভকারীদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার এবং সশস্ত্র বাহিনীকে জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

বিক্ষোভ প্রাথমিকভাবে তেহরানের বাণিজ্যিক জেলাগুলোতে, বিশেষত গ্র্যান্ড বাজারে কেন্দ্রীভূত হয়েছিল, যেখানে বণিকরা ধর্মঘট করেছিল। এই আন্দোলনটি দ্রুত ইসফাহান, শিরাজ এবং মাশহাদসহ প্রধান শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে, অবশেষে ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ১৭টিতে ছড়ায়। বিক্ষোভ দ্রুত বিকশিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং তরুণ প্রজন্ম জেনারেশন জেডকে আকৃষ্ট করে, যারা ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যু’ এবং ‘স্বাধীনতা’-এর মতো স্পষ্ট সরকারবিরোধী স্লোগান যুক্ত হয়। প্রতিবাদের পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে রাস্তার বিক্ষোভ, মিছিল, ছাদে বিক্ষোভ, ধর্মঘট, দোকান বন্ধ এবং উল্লেখযোগ্য অনলাইন এবং ছাত্র সক্রিয়তা। হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠন দ্বারা যাচাইকৃত তথ্য অনুযায়ী মৃত্যুর সংখ্যা ৩৪ বিক্ষোভকারী এবং ৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীসহ কমপক্ষে ৩৮ জন। নিহতদের মধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সী কমপক্ষে ছয়টি শিশু রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পেলেট গুলি এবং প্লাস্টিকের বুলেট ব্যবহারের ফলে অনেক হতাহত হয়েছে। ইলাম প্রদেশের মালেকশাহির এক বড় ঘটনায়, কমপক্ষে ৩০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ২৮ ডিসেম্বর, অস্থিরতা শুরু হওয়ার পর থেকে কলাম লেখা পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

উত্তেজনা প্রশমনের প্রয়াসে, রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান নিরাপত্তা বাহিনীকে ‘অর্থনৈতিক বিক্ষোভ’ দমন না করার নির্দেশ দিয়েছেন। সরকার বৈধ অভিযোগ এবং যাকে ‘দাঙ্গা’ হিসেবে চিহ্নিত করে তার মধ্যে পার্থক্য আঁকেন। বিক্ষোভকারী জনগণকে সন্তুষ্ট করার প্রয়াসে সরকার মৌলিক পণ্যগুলোর জন্য ভর্তুকিসহ কিছু অর্থনৈতিক সংস্কারও অনুমোদন করে। রিয়াল স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা মূলত ব্যর্থ হয়েছে। সরকার এমন একটি আখ্যান বজায় রেখেছে যা ‘বৈধ বিক্ষোভকারী’ এবং ‘দাঙ্গাকারীদের’ মধ্যে পার্থক্য করে, নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠীকে বাইরের শক্তির এজেন্ট হিসেবে চিত্রিত ও চিহ্নিত করে। হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সতর্কতা জারি করা হয়েছে, পাশাপাশি সামরিক প্রস্তুতির মাধ্যমে ‘প্রতিরোধ পুনরুদ্ধার’ করার দাবি করা হয়েছে।

বর্তমান অস্থিরতা ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ, যা তীব্র অর্থনৈতিক চাপ, গভীর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং একটি অস্থিতিশীল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিবেশের সংমিশ্রণ। ইরানের অর্থনীতি বছরের পর বছর ধরে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং নিম্ন প্রবৃদ্ধির সাথে লড়াই করছে। ব্যাপক বাজেট ঘাটতি এবং পঙ্গু নিষেধাজ্ঞার মধ্যে শিকড় যা টেকসই রাজস্ব এবং তহবিলের অ্যাক্সেসকে বাধা দিয়েছে, এই অর্থনৈতিক দুর্দশাগুলো স্বল্পমেয়াদে সমাধান করা প্রায় অসম্ভব। এসব পরিস্থিতিতে ইরান সরকার যদি স্থিতাবস্থা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়, তাহলে বিক্ষোভ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এটিকে হস্তক্ষেপের উপযুক্ত সময় হিসেবে দেখছে।

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব ও গ্রন্থকার

[email protected]