শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, রাজনীতিক ও শিক্ষা প্রশাসক প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁর জন্ম ১৮৯৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার শাবাজনগর গ্রামে। তার পিতার নাম শাবাজ খাঁ, মাতা রতন খানম। ১৯১২ সালে পিংনা উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স, ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজ থেকে এফএ, ১৯১৬-এ কলকাতা সেন্ট পলস কলেজ থেকে ইংরেজিতে বিএ অনার্স এবং ১৯১৯-এ প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এমএ পাস করেন। এর আগে ১৯১৮ সালে আইন বিষয়েও ডিগ্রি লাভ করেন।
শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু। মাঝে কিছুকাল ময়মনসিংহে ওকালতি করেন। ছিলেন টাঙ্গাইলের করটিয়া ইংরেজি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ১৯২০ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন। অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে (১৯২০-২২) সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। তিনি করটিয়া ইংরেজি স্কুলকে জাতীয় বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করেন। ১৯২৬-এ করটিয়ার সা’দত কলেজ প্রতিষ্ঠা তার জীবনের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ১৯৪৭ পর্যন্ত ছিলেন এই কলেজের অধ্যক্ষ। ১৯৩৭-এ মুসলিম লীগে যোগ দেন। একই বছর মুসলিম লীগের মনোনয়নে অবিভক্ত বাংলার আইন পরিষদের নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হতে পারেননি। পাকিস্তান আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ। ১৯৪৬-এ মুসলিম লীগের টিকেটে মধুপুর-গোপালপুর কেন্দ্র থেকে বঙ্গীয় আইন সভার সদস্য নির্বাচিত হন। প্রাদেশিক প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি (১৯৪৭-৭১)। ১৯৪৮-৫২ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি। ১৯৫৩ সালে গণ-পরিষদের সদস্য নির্বাচিত।

বিভিন্ন সময়ে তিনি যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন তার মধ্যে রয়েছে ভূঞাপুর হাইস্কুল, ভূঞাপুর বালিকা বিদ্যালয়, ভূঞাপুর কলেজ, করটিয়া জুনিয়র গার্লস মাদরাসা ইত্যাদি। মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী লেখক হিসেবে খ্যাত। অসংখ্য ছোটগল্প, প্রবন্ধ, নাটক, ভ্রমণকাহিনী ও শিশুপাঠ্য গ্রন্থ রচনা করে অবিভক্ত বঙ্গের অনগ্রসর বাঙালি মুসলমান সমাজে সাংস্কৃতিক প্রতিবেশ নির্মাণে স্মরণীয় ভূমিকা পালন।
ব্রিটিশ আমলে ‘খান সাহেব’ ও ‘খান বাহাদুর’ এবং পাকিস্তান আমলে ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ উপাধি লাভ। ১৯৬৩-তে নাটকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৭৬-এ একুশের পদক লাভ। শিক্ষা, সাহিত্য, সমাজসেবা ও রাজনীতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। তিনি সমধিক পরিচিত ছিলেন ‘প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ’ হিসেবে। ২৯ মার্চ ১৯৭৮ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
স্মৃতিকথা, শিক্ষা-সাহিত্য-ধর্মবিষয়ক প্রবন্ধ, নাটক, ভ্রমণকাহিনী, রম্যরচনা, গল্প, উপন্যাস, ইতিহাস ও জীবনচরিত, শিশুসাহিত্য, পাঠ্যবই ও তরজমায় তার বইয়ের সংখ্যা শতাধিক। স্মৃতিকথা, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনী, নাটক ও কথাসাহিত্যবিষয়ক রচনাবলি তার মৌলিক সাহিত্যকর্মের অন্তর্গত। তরজমা, নীতি ও ইতিকথার সঙ্কলন এবং পাঠ্যবই রচনা/সম্পাদনায় তার রয়েছে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান। তার অধিকাংশ প্রকাশিত গ্রন্থ ইতোমধ্যে দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠেছে।
বাঙালি মুসলমান সমাজে এক যুগসন্ধিক্ষণে ইব্রাহীম খাঁর আবির্ভাব এবং তার জীবনসাধনা ছিল তৎকালীন সমাজজীবনে নবজাগৃতির প্রেক্ষাপট নির্মাণে নিবেদিত। তার রচনা একজন শিক্ষাবিদ সমাজ সংগঠকের জীবনদর্শন ও সমাজভাবনার লিখিত রূপ। মুক্তবুদ্ধি চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশে উচ্চকণ্ঠ আবেগ তার সাহিত্য সাধনার মূল সুর। তার লেখায় উদার হৃদয় এবং অয়োময় প্রত্যয়দীপ্ত এক সমাজ সংস্কারকের সাক্ষাৎ মেলে। সমকালীন সমাজে অসম সন্ধিপতন ও নানারূপ প্রতিকূল সামাজিক প্রক্রিয়ায় নিজের সজ্ঞান মানসিকতাকে সদাজাগ্রত রেখে নিরলস পরিশ্রম করে তিনি অধঃপতনগামী তন্দ্রালু মুসলিম সমাজকে জাগিয়ে তোলার প্রয়াস পেয়েছিলেন। ইব্রাহীম খাঁ ছিলেন বাঙালি সমাজজীবনের পশ্চাৎপদতায় সঙ্কট সন্ধিক্ষণে সত্যদর্শী দিশারির ভূমিকায় এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক আয়ুষ্মান অভিযাত্রী। উত্তর ভারতের মুসলমান সমাজে স্যার সৈয়দ আহমদের আবির্ভাব ও ভূমিকা যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ, বাঙালি মুসলমান সমাজে ইব্রাহীম খাঁর অবস্থান তদ্রূপ। ইব্রাহীম খাঁর রচনাশৈলীর একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো আটপৌরে গ্রামীণ ভাষায়, আঞ্চলিক বাক্রীতিতে, গণমানুষের মুখনিঃসৃত বাক্যালঙ্কারে তাদের সহজ সরল জীবন ও বোধবিশ্বাসকে সহজ উপলব্ধির উপযোগী করে প্রকাশ করা। তার লেখায় ঘরোয়া রীতি, মজলিসি ঢং, চলতি আরবি ফারসি মিশ্রিত ভাষা, ক্রিয়াপদে ও সর্বনামে আঞ্চলিক বুলির ব্যবহার, সকৌতুক পরিভাষা প্রয়োগ (যেমন ঐবধফ ঊীধসরহবৎ-কে করেছেন মাথা পরীক্ষক) লক্ষ করা যায়। জীবনের শেষপর্যায়ে নিজের নাম ‘ইব্রাহীম খাঁ’ আকারে লেখার পক্ষপাতী ছিলেন তিনি।
স্বদেশ ও সমাজনির্ভরতা ইব্রাহীম খাঁর কথাসাহিত্যের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। তার ছোটগল্পগুলো সামাজিক চিত্র ও চরিত্র রূপায়নে মিশনধর্মী ও দিগদর্শন হয়ে উঠেছে। সমাজসচেতন, জীবনবাদী ও মানবকল্যাণকামী এই কথাশিল্পীর গল্পগুলোর আখ্যানভাগের শিকড় দেশ ও সামাজিক পরিবেশে প্রথিত। তার ভ্রমণ, প্রবন্ধ ও পত্রসাহিত্যে জীবন ও জগৎ সম্পর্কে চিন্তাচেতনা, সমাজ সংস্কার, শিক্ষাবিস্তার, সমাজকল্যাণ, সামাজিক নবজাগৃতির প্রেরণা ও কর্মপ্রচেষ্টার পরিচয় বিধৃত রয়েছে। তার নাট্যসাহিত্যেও ছিল সমাজ ভাবনার উজ্জ্বল উপস্থিতি।
ইব্রাহীম খাঁর চিন্তাধারা মার্জিত এবং ভাবোদ্দীপক। সূক্ষ্মদর্শন এবং সুবিশাল পরিসর ছিল তার মনশ্চক্রের। মর্মস্পর্শী, প্রাঞ্জল ও সাবলীল গতিসম্পন্ন ভাষায় তার উপস্থাপনায় মজলিসি পরিবেশের পরিচয় পাওয়া যায়। নিছক নিজেকে কেন্দ্র করে যে রচনা তা পাঠক সাধারণের কাছে অপ্রিয় হয়ে ওঠার কারণ থাকতে পারে বটে; কিন্তু ইব্রাহীম খাঁর রসবোধ ও ঔদার্য পাঠককে বিমুগ্ধ রাখে। জাতীয় ইতিহাসের কথাকে তিনি যথার্থভাবে তুলে ধরেছেন, সেখানে অন্যকে আহত করার কোনো প্রয়াস নেই। ‘বাতায়ন’-এ স্পষ্টবাদী ও উদার উন্মুক্ত সৃজনশীল সত্তারই সাক্ষাৎ মেলে। প্রখ্যাত সাহিত্য সমালোচক আবদুল মান্নান সৈয়দ ‘বাতায়ন’কে বিবেচনা করেছেন, ‘খোলা সচেতন সংস্কারমুক্ত নিজস্ব দৃষ্টি, সরল সরস ট্রেকোজ্জ্বল মন, সহজ রসাদ ক্ষমাশীল অস্তিত্ববাদী লিখন ভঙ্গিমা— সব মিলিয়ে সঙ্কীর্ণ বাঙালি-মুসলমান প্রায়ান্ধকার সমাজকক্ষের একটি রৌদ্রদীপ্ত জানালা।’
‘আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা’ প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁর শিক্ষাসংক্রান্ত একমাত্র রচনা নয়। ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয় একটি ক্ষুদ্র পুস্তিকা ‘আমাদের শিক্ষা সমস্যার ক-খ-গ’। মাসিক ‘মোহাম্মদী’র আষাঢ় ১৩৪৮ সংখ্যায় প্রকাশিত ‘প্রাথমিক শিক্ষা ও শিক্ষক’ শীর্ষক তার নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধটিতে একজন দরদি শিক্ষাবিদের সুচিন্তিত মতামত প্রকাশ পেয়েছে। ইব্রাহীম খাঁর জীবনসাধনার বৈশিষ্ট্য হলো অবজ্ঞাত মানবতার সার্বিক উন্নয়ন প্রয়াস। তাই ‘প্রচলিত শিক্ষার ক্ষেত্রে বা সমাজ সংস্কারে বা রাজনীতিতে তিনি প্রকাশ্য বা প্রচ্ছন্নভাবে আদি শিক্ষকেরই ভূমিকা পালন করেছেন’। এই মূল্যবোধে তাড়িত হয়ে তিনি সরকারি চাকরি কিংবা ওকালতি ব্যবসায় যোগদানের চেয়ে শিক্ষকতা, বিশেষ করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারত্ব গ্রহণ করেছিলেন। প্রায় দুই যুগের সরাসরি শিক্ষকতা জীবন, প্রায় ছয় বছরকাল পূর্ববঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি, ঢাকা ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের সদস্য, ১৯৪৭-৭১ সাল অবধি প্রাদেশিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে অর্জিত অভিজ্ঞতার কথা তার শিক্ষাবিষয়ক প্রবন্ধগুলোতে প্রতিফলিত হয়েছে। শিক্ষা সমস্যা, ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকের সম্পর্কগত সমস্যা, ভাষা সমস্যা, নারীশিক্ষা প্রভৃতি বিষয়ে বিভিন্ন বক্তব্যে তার স্বচ্ছ চিন্তাচেতনা ও বোধ বিশ্বাসের প্রকাশ ঘটেছে। ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়ন প্রসঙ্গে ১৯৪৭ সালে কুমিল্লার মতলবগঞ্জে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক শিক্ষক কনফারেন্সের উদ্বোধনী ভাষণে তিনি মন্তব্য করেন ‘সময়ে অসময়ে, সকারণে অকারণে নিজসাময়িক রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য ছাত্রদের ডেকে ডেকে আমরা শিক্ষকরাই তাদের চিত্তে বিভ্রম জন্মিয়েছি। ছেলেরা যে পড়াশুনা আগের তুলনায় কম করতে চায় তার আর এক বড় কারণ আমার মনে হয় এই যে, তারা ক্রমে শিক্ষকদের পড়ানোর প্রেরণা হতে বঞ্চিত হচ্ছে।’ শহর আর গ্রামে শিক্ষা সুযোগের বৈষম্য প্রসঙ্গে ১৯৫৬ সালের ৪ জানুয়ারি পিরোজপুর শিক্ষা কনফারেন্সে সভাপতির ভাষণে তিনি মন্তব্য করেন— ‘সবচেয়ে বেশি খরচ করার যাদের শক্তি আছে, তাদের ছেলেরাই সবচেয়ে কম খরচে সবচেয়ে ভালো স্কুল কলেজে পড়ে : আর সবচেয়ে যারা গরিব, যাদের পারিবারিক ঐতিহ্য সবচেয়ে দুর্বল, যাদের সামাজিক পরিবেশ শিক্ষার সবচেয়ে প্রতিকূল, তাদের ছেলেদের পড়তে বাধ্য করা হয় সবচেয়ে দুর্বল স্কুল কলেজে।’
১৯৪১ সালে ফরিদপুর জেলা মুসলিম ছাত্রলীগ সম্মেলনের চতুর্থ অধিবেশনে ইব্রাহীম খাঁ ছাত্রদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন— ‘সত্য বটে গণতন্ত্র শাসিত রাষ্ট্রে, দেশে রাজনৈতিক দল গঠন ছাড়া উপায় নাই। কিন্তু সেসব রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দল অবিমিশ্র সম্পদ নয়, অনিবার্য আপদ। ... ছাত্রসমাজের রাজনৈতিক চিন্তা ও আলোচনায় এরূপ দল গঠনের বা এরূপ দলের প্রকাশ্য ও প্রত্যক্ষ আনুগত্যের কোনো অনিবার্য প্রয়োজন নাই। রাজনৈতিক ব্যাপারে অধ্যয়ন, চিন্তা, আলোচনা এবং পর্যবেক্ষণেই সাধারণত তাদের পরিতৃপ্ত থাকা সমীচীন। এই উপায়ে তাদের চিন্তাগত স্বাধীনতা রক্ষা করা আবশ্যক। দলবিশেষের প্রতি তাদের চিত্ত ও চিন্তাগত আনুগত্যও যেন তাদের মানসিক দাসত্বের নিগড় হয়ে না পড়ে। তাদের মন থাকবে সত্যিকার বৈজ্ঞানিকের মনের মতো নব নব সত্য গ্রহণের জন্য বিমুক্ত বা ব্যাগ্র। নইলে এই তরুণবয়সে মনে দলবিশেষের অনমনীয় কাঠামোর মধ্যে ফেলে বন্ধ করলে সে মনের সম্যক ও স্বচ্ছন্দ বিকাশ অসম্ভব। আমাদের দেশের কোনো কোনো রাজনৈতিক নেতা কখনো কখনো ছাত্রসমাজের সংঘশক্তিতে প্রলুব্ধ হয়ে তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ-উদ্ধারের জন্য বড় বড় বুলি আউড়িয়ে ছাত্রসমাজকে দলে ভিড়াতে চেষ্টা করে থাকেন। আমরা মনে করি, এরূপ চেষ্টা তাদের পক্ষে অসঙ্গত ও অমর্যাদাকর। তবে আবার বলি, দেশ বা সমাজের এমন সুদিন যদি কখনো আসে, যখন ছাত্রসমাজের প্রত্যক্ষ ও ব্যক্তিগত সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন, তবে সেদিন অধ্যয়নের মায়া ছেড়ে বেরিয়ে পড়তেই হবে দুঃখবরণ ও ত্যাগ স্বীকারের সুমহান সংকল্প নিয়ে।’ শিক্ষাবিদ ইব্রাহীম খাঁর একান্ত প্রত্যাশা ও ভাবনা— ‘আমার ছেলেরা পরীক্ষায় ভালো করেছে শুনলে আমি খুশি হই, তারা জীবনে প্রতিষ্ঠা অর্জন করেছে শুনলে তৃপ্তি লাভ করি, তারা শুভ্র মানুষ হিসেবে নাম করছে শুনলে আমি গৌরব অনুভব করি, তারা বিপদে, আপদে, সঙ্কটে মনুষ্যত্বের পরিচয় দিয়েছে শুনলে আমি কৃতার্থ বোধ করি।’
লেখক : সাবেক সচিব, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান



