ছাত্র আন্দোলনে ক্ষমতার পালাবদল সংঘটিত হওয়ার পর বাংলাদেশ অনেক টানাপড়েনের মধ্যে দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। নব্বইয়ের ছাত্র আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারের জায়গায় প্রধানমন্ত্রীশাসিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এর বাইরে আর কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটতে দেখা যায়নি। এর আগে পাকিস্তান আমলে ঊনসত্তরের ছাত্র আন্দোলন ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্রের জায়গায় নিয়ে আসে জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সামরিক শাসন। তারপর এই মর্মে আশা জাগানো হয়েছিল, রাজনৈতিক সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের দিকেই দেশ এগোচ্ছে। কিন্তু না, মেধা ও দূরদর্শিতার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান রাজনৈতিক সমস্যার সামরিক সমাধান করতে গিয়ে বিপর্যয় ডেকে আনে।
পাক জেনারেলরা দেখতে পায় পূর্ব পাকিস্তানের যে ছাত্র-জনতা ১৯৫৮ সালে সামরিক শক্তির ভয়ে কোটরে ঢুকে গিয়েছিল, ১৯৭১ সালে সেই নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাই সামরিক শক্তি প্রয়োগের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। এ ছিল এক ভয়ঙ্কর অসম যুদ্ধ। এক দিকে আধুনিক অস্ত্র সজ্জিত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনী অন্য দিকে মুক্তিকামী সাধারণ ছাত্র-জনতা। তবে পাকবাহিনীর বিদ্রোহী অংশ ছাত্র-জনতার পক্ষে দাঁড়িয়ে এক বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যার পরিসমাপ্তি ঘটে ৯ মাস পর,পাক-ভারত যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। মাত্র দুই সপ্তাহ স্থায়ী সম্মুখসমরে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়ে যায়। পাক ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান জেনারেল নিয়াজি ভারতীয় ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান জেনারেল অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করার পর উপমহাদেশের ভূ-রাজনীতিতে চালকের আসনে চলে আসে ভারত ইউনিয়ন। প্রবীণরা সে ইতিহাসের প্রত্যক্ষদর্শী। আর নবীনরা সে কাহিনী ইতিহাসে পড়ছে। এখানে সেই রক্ত ও অশ্রুঝরা ইতিহাসের মর্মান্তিক কাহিনী তুলব না। প্রশ্ন করব না অপরিণামদর্শী রাজনীতির মাশুল নিয়ে। কারণ ‘কে চায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে!’
আমাদের সামনে এখন আগামীর বাংলাদেশ। যে দেশটি কিছুকাল আগেও স্বৈরতন্ত্রের প্রশান্তির মধ্যে ছিল। সেই বাংলাদেশ এখন গণতন্ত্রের বিক্ষুব্ধ সমুদ্রের মধ্যে সাঁতার কাটতে দৃঢ়প্রত্যয়ী। গণতন্ত্রপ্রেমীদের জন্য নিঃসন্দেহে এটি আশার কথা। কিন্তু গণতন্ত্র সে তো স্বাধীন মতের বিশাল এক মুক্ত সমুদ্র। তার মধ্যে সাঁতার কেটে কূলে ওঠা চাট্টিখানি কথা নয়। এ ব্যাপারে আমরা সফল হতে চাইলে গণতান্ত্রিক জীবনধারার সাথে আমাদের নিবিড় পরিচয় থাকা প্রয়োজন, সেই সাথে থাকা চাই ভিন্ন মতের প্রতি সহনশীল মনোভাব ও আইনের শাসনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
হুজুগে জাতি হিসেবে আমাদের বদনাম রয়েছে। এই হুজুগে মনোভাব নির্বাচনের সময় বেশি দেখা যায়। বিজয় সম্ভাবনা যে প্রার্থীর কম তাকে ভোটাররা ভোট দিতে চায় না। তারা মনে করে প্রার্থী না জিতলে ভোট পচে যায়। এটি সঠিক- নৈতিক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নয়। রাজনৈতিক বিচার বিবেচনা করে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার ওপর নির্ভর করে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ। হুজুগে মানসিকতা কেবল গণতন্ত্রের সমূহ ক্ষতি করে। এ দেশে দীর্ঘ দিন যাবৎ স্বচ্ছ সুন্দর ভোট হতে পারেনি। সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এবার এক জটিল বাস্তবতার মধ্যে এক দিনে দুই ধরনের ভোট দিতে হবে। এক দিকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ভোট অন্য দিকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ভোট। নির্বাচকমণ্ডলী কতটা আগ্রহ নিয়ে ও সচেতনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সক্ষম হবেন তার ওপর নির্ভর করছে আগামী দিনের ভালোমন্দ।
যে যা-ই বলুন, এ দেশের বেশির ভাগ মানুষই ভাবপ্রবণ, যুক্তির বদলে বিশ্বাস বজায় রেখে চলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। হোক না তা অন্ধবিশ্বাস। নানা কারণে বুদ্ধিবৃত্তির চর্চায় এ দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ভূমিকা নিতান্তই গৌণ। অনেক উচ্চবিত্তের জীবন অবাঙালি ও অমুসলিম জনগোষ্ঠীর সম্পদ অবৈধভাবে দখলে নিতে গিয়ে কলঙ্কিত। তারা আর যা-ই করুন নীতিনৈতিকতার ফেরিওয়ালা হতে পারেন না। এর সাথে তাদের কথাও যোগ করতে হয় যারা যোগ্যতার বদলে তদবিরের জোরে উন্নতি করার নীতিতে বিশ্বাসী। আর এটা তো সবাই জানেন, তদবিরের সাথে রয়েছে ঘুষ-দুর্নীতির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। সবাই এটাও জানেন, দুর্নীতি ক্যান্সারের মতো এক দুরারোগ্য সামাজিক ব্যাধি, যা ছড়িয়ে পড়লে নিরাময় সহজসাধ্য নয়। সেকালে থানা, কাস্টম, ফরেস্ট অফিসে ঘুষের কথা শোনা যেত; কিন্তু একালে ভালো স্কুল-কলেজে ভর্তি থেকে শুরু করে নিয়োগ, বদলি, সরকারি কেনাকাটা, এমনকি আন্তর্জাতিক টেন্ডার সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতির আধিপত্য।
অবিশ্বাস্য মনে হলেও বিগত আমলে গুরুতর আসামির জামিন এমনকি অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায়ও অর্থের বিনিময়ে অনুকূলে আনা সম্ভব হয়েছে বলে শোনা গেছে, যার সত্যাসত্য সরকার ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদকরা খতিয়ে দেখতে পারেন। সিভিল প্রশাসন যতদিন ঘুষ, তদবির ও অসঙ্গত রাজনৈতিক চাপের মুখে থাকবে ততদিন স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন করতে পারবে না, এই সত্য বোঝার জন্য বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। এই বাস্তবতা থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ ও স্বল্প সময়ের ব্যাপার নয়। স্বৈরশাসন পরিচালনার জন্য যে অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় তাদের দিয়ে আর যা-ই হোক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করা যায় না। তা যদি যেত তাহলে তো আর সমস্যা ছিল না। রাতারাতি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বেগ পেতে হতো না। এ জন্যই বলা হয়, স্ট্যালিন বিদায় নিলেও তার আমলের বদ্যাভ্যাস সহজে ও স্বল্প সময়ে বিদায় নেয় না।
এ কথা অস্বীকার করা যাবে না যে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের সামনে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের একটা সুবর্ণ সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল; কিন্তু শুরুতেই গলদ থাকায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিষয়টি কিছুটা অগ্রসর হয়ে থমকে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তবে এ কথা বলাও ঠিক হবে না যে, জুলাই ছাত্র গণ-অভ্যুত্থান কেবল শেখ হাসিনার গদিচ্যুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছে। তা যে থাকেনি সেটি বোঝা যায় পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন দেখে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কারণে এই পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে।
এখন সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যের বন্ধনকে পুনরায় জোরদার করার সুযোগ দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া যারা শেখ হাসিনার শাসনামলে বিভিন্ন সাজানো মামলায় নির্মমভাবে নিগৃহীত হয়েছেন তারা স্বাভাবিক জীবনে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ পেয়েছেন। যাদের বেশির ভাগই প্রতিবাদী রাজনৈতিক নেতাকর্মী। কিন্তু দলনিরপেক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে যে অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়, সেই সরকারের যতই যোগ্যতা থাকুক না কেন, তার পক্ষে আর যা-ই হোক জনপ্রত্যাশা ধারণ করা ও পূরণ করা সম্ভব নয়। এরকম সীমিত আকারের সরকারের পক্ষে নিত্যদিনের কাজ চালানোই যেখানে কঠিন, সেখানে তাকে দেড় বছরের মধ্যে বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন শেষ করে বিদায় নিতে হবে, এ কথা যারা বলেন তাদের উচিত হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে একটি আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ তুলে দেয়া।
আসলে এই আন্দোলনের যারা সংগঠক ছিলেন তাদের এরকম পরিস্থিতি সামাল দেয়ার মতো হোমওয়ার্ক করা ছিল না। তবে বাস্তব বুদ্ধিসম্পন্ন কেউ কেউ পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বদলীয় জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন; কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ ব্যাপারে ঐকমত্য হয়নি। অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাজনৈতিক নেতৃত্বের পক্ষেই জনগণের আকাক্সক্ষা পূরণ করার লক্ষ্যে দৃপ্তপদে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল। শেষ পর্যন্ত ছাত্রদের আহ্বানে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাড়া দিলে তাকে ঘিরে আস্থার একটা শক্ত জায়গা খুঁজে পায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। যদিও তার জন্য এ ছিল অনেকটা অনাভ্যাসের ফোঁটা। তিনি তার চেনা-জানা লোকদের দিয়ে বিভিন্ন কমিশন বসিয়ে অনেক কাগজ, কালি ও অর্থ খরচ করেছেন। কয়েক ডজন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে বৈঠকে বসেছেন। বিভিন্ন বিষয়ে তাদের রাজনৈতিক মতামত ধৈর্য নিয়ে শুনেছেন। তিনি বিজ্ঞ ও বুদ্ধিমান লোক। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গ্রহণযোগ্যতার বিচারে তার কোনো জুড়ি নেই। অস্বীকার করা যাবে না যে, ঘরে বাইরে তার এই গ্রহণযোগ্যতার বেনিফিট বাংলাদেশ পেয়েছে। নিজের জনসমর্থনের ওঠানামার দিক লক্ষ রেখে করণীয় নির্ধারণে তিনি দ্বিধায় ভুগেছেন। তাওয়া যখন গরম ছিল তখন তিনি রুটি ভাজতে পারেননি। অর্থাৎ- অনেক জরুরি কাজ যথাসময়ে করতে পারেননি। অথবা করতে চাইলেও করতে দেয়া হয়নি।
আমরা দেখেছি একপর্যায়ে তিনি প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। অনুকূল সময়ে তিনি তার উদ্ভাবিত তত্ত্ব বা স্বপ্নকল্প Three Ziro ব্যাখ্যা করেছেন। অথচ তিনি যদি তার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে খাদ্যে ভেজাল, মাদকের বিস্তার রোধ, দুর্নীতিবিরোধী জনমত গঠনে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য প্রণোদনা দিতেন তাহলে আমাদের বিশ্বাস জনকল্যাণের কাজ অনেকটা এগিয়ে যেত। তিনি চাইলে নির্দলীয় পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন করাতে পারতেন। এটা করলে মফস্বল শহরে ও গ্রামীণ জনপদে দলনিরপেক্ষ লোকেরা মেয়র, চেয়ারম্যান ও মেম্বার হওয়ার সুযোগ পেতেন। দেশের সাধারণ মানুষ নতুন নেতৃত্বের আশীর্বাদ ভোগ করার সুযোগ পেতেন; কিন্তু তিনি এর গুরুত্ব অনুধাবনের চেষ্টাই করেননি। রাজনৈতিক দলগুলোর দাবির মুখে তিনি ফেব্রুয়ারি ১২ জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছেন। নির্বাচন কমিশন সেই লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। অনেক কথা কাটাকাটি করে একটা জুলাই সনদ তৈরি করা হয়েছে বটে; কিন্তু তা বাস্তবায়নে ঐকমত্যের মধ্যেও অনীহা দৃশ্যমান। দলবিশেষের চাপের কারণে একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও হ্যাঁ-না ভোট আয়োজন করতে হয়েছে। তাই সঙ্গত কারণে কিছু বাড়তি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।
দেশের তরুণরা রাজনীতিতে শাসক পরিবর্তন করে এবং ক্ষমতার কেন্দ্রে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বসিয়ে শুরুতে যতটা আশ্বস্ত বোধ করেছিল এখন ততটা আশ্বস্ত নয়। তাদের অনেকেই এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, যা বৃদ্ধি পেয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের প্রাণপুরুষ শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করার পর। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে এখনো পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি এ কথা সংবাদপত্রে প্রকাশিত দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বৈঠকে আলোচিত বক্তব্য পড়ে আমরা অবগত হয়েছি।
পুলিশ এবারের নির্বাচনে কোনো দল বা প্রার্থীর পক্ষে উৎসাহ দেখাবে বলে মনে হয় না। ভালো নির্বাচন অনুষ্ঠানের কাজটি সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে চাইলে নির্বাচন কমিশনকে সরকারের আন্তরিক সহযোগিতা পেতে হবে। পুলিশ বাহিনীতে অনেক মেধাবী অফিসার রয়েছেন; তাদের কাজে লাগাতে হলে সঠিক নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা দিতে হবে। ইতোমধ্যে ডিসি-এসপিদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রাজনীতির গণতান্ত্রিক চরিত্র নিশ্চিত করতে চাইলে প্রশাসনকে কঠোরভাবে নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারালে দেশে অস্থিরতা বাড়বে। তাই দেশের শান্তির জন্য পেশাজীবীদের দেশ, জাতি ও জনগণের প্রতি অনুগত থেকে এবং নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই দৃষ্টিভঙ্গি পেশার ভাবমর্যাদা উজ্জ্বল করবে।
মনে রাখতে হবে, জনগণ আগের থেকে এখন অনেক বেশি সচেতন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তীক্ষ্ম দৃষ্টি থাকবে এবারের নির্বাচনের ওপর। তাই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সামনে এবারের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অধিকতর স্বচ্ছ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।
লেখক : রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপদেষ্টা সম্পাদক, দ্য নিউ নেশন



