আইন মন্ত্রণালয়ের দুই ‘বিতর্কিত’ নিয়োগ

নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামকে বিএনপি ঘরানার লোক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে তার পূর্ববর্তীয় প্রসিকিউটরের মতো আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের ওপর তার কোনো বিশেষ ব্যুৎপত্তি বা প্রশিক্ষণ নেই। অভিজ্ঞতার অভাব মানে অযোগ্যতা নয়; কিন্তু পদের সংবেদনশীলতা বিচারে এটি উপেক্ষা করার মতো বিষয়ও নয়। তিনি ইতোমধ্যে আভাস দিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাম্প্রতিক রায়গুলো তিনি ‘পুনর্বিবেচনা’ করতে চান। তবে এ ‘পুনর্বিবেচনা’ বলতে ঠিক কী বোঝানো হচ্ছে, তা এখনো অস্পষ্ট। তদুপরি তিনি সাবেক চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে জনৈক প্রসিকিউটর কর্তৃক আনীত দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের ঘোষণা দিয়েছেন। অভিযোগের সময়কাল এবং ধরন দেখে অনিবার্যভাবে এ ধারণা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, এ পর্যন্ত যা কিছু অর্জিত হয়েছে তা নস্যাৎ বা অন্তত হালকা করার একটি চেষ্টা চলছে

এহসান এ সিদ্দিক
এহসান এ সিদ্দিক |নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র এক সপ্তাহের কিছু বেশি সময় হয়েছে, আর এর মধ্যে তারা আইন অঙ্গনে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিতে শুরু করেছে। এ প্রারম্ভিক সিদ্ধান্তগুলো প্রশাসনের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা ও দৃষ্টিভঙ্গির একটি লক্ষণীয় বহিঃপ্রকাশ। আজকের নিবন্ধে সরকারের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দু’টি বিশেষ নিয়োগের বিষয়ে আলোকপাত করেছি, অ্যাটর্নি জেনারেল ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পদের পরিবর্তন। এ নিয়োগগুলো সুপ্রিম কোর্টের গতিপ্রকৃতি এবং ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন মামলাগুলোর ভাগ্য নির্ধারণে কী ধরনের ভূমিকা রাখবে, সেটি আমাদের বিশ্লেষণের মূল প্রতিপাদ্য।

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরীকে বাংলাদেশের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত করার তথ্য উঠে আসে। মূলত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫-এ মো: আসাদুজ্জামান পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রের শীর্ষ এ আইন কর্মকর্তার পদটি শূন্য হয়। অন্তর্বর্তী সময়ে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে এ পদের কার্যাবলি সম্পাদন করছিলেন। নির্বাচনপরবর্তী সময়ে একটি জোরালো গুঞ্জন ছিল যে, আরশাদুর রউফকে স্থায়ীভাবে নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত করা হতে পারে। তবে যেহেতু তিনি দলটির প্রাতিষ্ঠানিক সদস্য ছিলেন না এবং রাজনৈতিকভাবেও বিএনপির আদর্শের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন না, তাই দলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তার স্থায়ী নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। বাংলাদেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার দৌড়ে বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত আরো অনেক সিনিয়র আইনজীবীর নাম শোনা যাচ্ছিল। তবে এ সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুসের নামটি ছিল সবচেয়ে আলোচিত বা প্রভাবশালী।

আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও এটা পরিলক্ষিত হচ্ছে যে, আইন মন্ত্রণালয় ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরীকে মনোনীত করেছে, যদিও এ-সংক্রান্ত দাফতরিক প্রজ্ঞাপন এখনো জারি করা হয়নি। রাজনৈতিকভাবে ব্যারিস্টার রাগিব বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত এবং তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত যোগ্যতার দিক থেকেও তার সুনাম রয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে তিনি একজন মার্জিত রুচির মানুষ হিসেবে পরিচিত, যা ইতঃপূর্বে এ পদের অনেক নিয়োগপ্রাপ্তের মধ্যে ছিল বিরল। তবে সুপ্রিম কোর্টে তার আইনি তৎপরতা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় দায়িত্ব গ্রহণের প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হতে পারে।

ব্যারিস্টার রাগিবের মনোনয়নে বিএনপিপন্থী সংগঠন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম তীব্র অসন্তোষ ব্যক্ত করেছে। সেই সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদমাধ্যমকে তা অবহিত করেছে। সংগঠনটি পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুসের প্রার্থিতা জোরালোভাবে সমর্থন করছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, পেশাগত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার বিচারে ব্যারিস্টার কুদ্দুস অনেক বেশি এগিয়ে। এ ছাড়া বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রমে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং আদালতে দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষে তার দৃঢ় অবস্থান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে নির্বাচনের প্রাক্কালে রিটার্নিং কর্মকর্তা কিংবা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বাতিলকৃত দলীয় প্রার্থীদের প্রার্থিতা পুনরুদ্ধারে তার নিরলস প্রচেষ্টা ফোরামের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। সংগঠনটির মতে, এ ধরনের আনুগত্য ও পেশাদারিত্বই অ্যাটর্নি জেনারেল পদের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতার মাপকাঠি।

সব দেখে শুনে মনে হচ্ছে, ব্যারিস্টার রাগিব রউফের মনোনয়ন মূলত আইনমন্ত্রীর প্রতি তার একনিষ্ঠ আনুগত্যের প্রতিফল। নতুন আইনমন্ত্রীর কাছে তিনি অত্যন্ত আস্থাভাজন। দৃশ্যত, আইন মন্ত্রণালয় পেশাগত অভিজ্ঞতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত আনুগত্যকে নির্বাচনের মাপকাঠি হিসেবে গ্রহণ করেছে। মন্ত্রণালয়ের কাছে একজন দক্ষ আইনজ্ঞের চেয়ে নির্দেশ পালনকারী একজন আইনজীবীর প্রয়োজনীয়তা বেশি বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। অধিকন্তু ব্যারিস্টার রাগিব আইনমন্ত্রীর তুলনায় ১০ বছরের কনিষ্ঠ। অন্য দিকে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস নিয়োগপ্রাপ্ত হলে মন্ত্রণালয় তার ওপর সমপরিমাণ প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হতে পারবে না, কারণ তিনি আইনমন্ত্রীর চেয়ে জ্যেষ্ঠ। সে কারণে নিয়োগটি বিচার বিভাগের ওপর আইন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য মোটেও কোনো ভালো লক্ষণ নয়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলেও মন্ত্রণালয় অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি ব্যবহারের মাধ্যমে বিচার বিভাগের ওপর একপ্রকার কর্তৃত্ব বজায় রাখতে সচেষ্ট ছিল। একই সাথে অনেকাংশে তারা এতে সফলও হয়েছিল। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইন মন্ত্রণালয় একই উদ্দেশ্য সাধনে কতটা সফল হবে, তা কেবল ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

আলোচনার কেন্দ্রে থাকা অন্য নিয়োগটি হলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পদের রদবদল। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মো: তাজুল ইসলামকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। সিদ্ধান্তটি বেশির ভাগ রাজনৈতিক বিশ্লেষকের কাছে চমকপ্রদ কোনো বিষয় ছিল না। বস্তুত তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক মতাদর্শের সাথে সম্পৃক্ততার একটি জনশ্রুতি তৈরি হয়েছিল। তবে প্রকৃত সত্য এই যে, এ গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়ার আগে তিনি এবি পার্টির রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। নবগঠিত বিএনপি প্রশাসনের অধীনে আদর্শিকভাবে জামায়াতের কাছাকাছি বলে পরিচিত কোনো প্রসিকিউটরের এ ধরনের সংবেদনশীল দায়িত্বে টিকে থাকা শুরু থেকে প্রায় অসম্ভব বলে প্রতীয়মান ছিল।

অধিকন্তু জনাব ইসলাম তার মেয়াদে প্রসিকিউশনে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়কালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগগুলোর বিষয়ে অত্যন্ত দৃঢ় ও প্রকাশ্য ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। প্রচলিত আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পরিহার করে নিজেকে একজন সক্রিয় ও মুখর প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হন। তার এ আপসহীন কর্মপন্থা যেমন এক দিকে জনসমর্থন তৈরি করেছিল, তেমনি বিপরীতক্রমে তাকে বহুবিধ শত্রুতার সম্মুখীন করেছিল।

এ সঙ্কটের মূলে যেতে হলে অবশ্যই আওয়ামী লীগের দীর্ঘমেয়াদি শাসনের দিকে তাকাতে হবে। কারণ দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার সুবাদে প্রশাসন, সামরিক বাহিনী এবং সিভিল সার্ভিসের মতো প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এই শাসনের অঙ্গ হয়ে উঠেছিল। এ শাসনের পতন ঘটতে পারে এবং এর কর্মকাণ্ড আইনি জবাবদিহির আওতায় আসতে পারে, এমন সম্ভাবনা অনেকের কাছে কল্পনাতীত ছিল। এখনকার কুখ্যাত গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’ রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনায় অনেক কর্মকর্তা সরাসরি যুক্ত ছিলেন। অনেক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা এর অবস্থান জানতেন এবং পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। হয়তো অনেকে সরাসরি নির্যাতনের আদেশ দেননি; কিন্তু আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনে ‘কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি’ বা ‘কমান্ডারের দায়বদ্ধতা’ নীতিটি অত্যন্ত স্পষ্ট : একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যদি জানেন, বা তার জানার কথা থাকে যে, অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে এবং তিনি তা প্রতিরোধ বা শাস্তির ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ হন, তবে তিনিও অপরাধের দায় এড়াতে পারেন না। কর্তৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত থেকে ‘আমি কিছুই করিনি’, এ অজুহাত আইনি সুরক্ষা প্রদান করে না; বরং বিশেষ পরিস্থিতিতে হাত গুটিয়ে থাকা একটি সুনির্দিষ্ট অপরাধ।

তাই প্রসিকিউশনের এ গতিবিধি নিয়ে সামরিক বাহিনী ও প্রশাসনের একটি বড় অংশের মধ্যে অস্বস্তি থাকাটা স্বাভাবিক। একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেনাবাহিনী সবসময় চাইবে তার ভাবমর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে এবং কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য কলঙ্ক থেকে আড়াল করতে; কিন্তু চিফ প্রসিকিউটরের কাজ কোনো প্রতিষ্ঠানের ‘স্বস্তি’ নিশ্চিত করা নয়; তার কাজ ‘জবাবদিহি’ প্রতিষ্ঠা করা। অধিকাংশের মতে, জনাব ইসলাম অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিতে শুরু করেছিলেন। এই একটি কারণে তার পদটি কখনো সুরক্ষিত ছিল না। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও তাকে সরিয়ে দেয়ার বা কোণঠাসা করার চেষ্টার খবর পাওয়া গিয়েছিল। তাই নতুন প্রশাসনের অধীনে তার এই বিদায়কে স্রেফ একটি ‘রাজনৈতিক রদবদল’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামকে বিএনপি ঘরানার লোক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে তার পূর্ববর্তীয় প্রসিকিউটরের মতো আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের ওপর তার কোনো বিশেষ ব্যুৎপত্তি বা প্রশিক্ষণ নেই। অভিজ্ঞতার অভাব মানে অযোগ্যতা নয়; কিন্তু পদের সংবেদনশীলতা বিচারে এটি উপেক্ষা করার মতো বিষয়ও নয়। তিনি ইতোমধ্যে আভাস দিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাম্প্রতিক রায়গুলো তিনি ‘পুনর্বিবেচনা’ করতে চান। তবে এ ‘পুনর্বিবেচনা’ বলতে ঠিক কী বোঝানো হচ্ছে, তা এখনো অস্পষ্ট। তদুপরি তিনি সাবেক চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে জনৈক প্রসিকিউটর কর্তৃক আনীত দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের ঘোষণা দিয়েছেন। অভিযোগের সময়কাল এবং ধরন দেখে অনিবার্যভাবে এ ধারণা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, এ পর্যন্ত যা কিছু অর্জিত হয়েছে তা নস্যাৎ বা অন্তত হালকা করার একটি চেষ্টা চলছে। আর এটি করা হচ্ছে প্রসিকিউশনের মূল বিষয়বস্তু নিয়ে লড়াই করে নয়; বরং যিনি এ প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে ছিলেন সেই মানুষটিকে বিতর্কিত করার মাধ্যমে।

এ ধরনের ঘটনার প্রভাব অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। এটি কেবল জুলাই বিপ্লবের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকে নয়, বরং ‘আয়নাঘর’ সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশাকেও দারুণভাবে প্রভাবিত করবে। এখন কেবল এটুকু প্রত্যাশা যে, বিএনপি, আওয়ামী লীগের কিছু অংশ বা সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে হওয়া কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা যেন শেষ পর্যন্ত ‘ন্যায়বিচার’-এর বিনিময়ে না হয়।

লেখক : বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এবং হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের নিবন্ধিত কৌঁসুলি