দ: এশিয়ায় জাতিগত রাজনীতিকরণ ও বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ায় জাতিগত রাজনীতিকরণ সমসাময়িক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি কেন্দ্রীয় বাস্তবতা। এটি সঙ্কটের উৎসও হতে পারে, আবার গণতান্ত্রিক অন্তর্ভুক্তির পথও খুলে দিতে পারে। কোন পথে এটি এগোবে, তা নির্ভর করে রাষ্ট্র, রাজনীতি ও সমাজের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ওপর। দায়িত্বশীল নীতি ও পরিমিত দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে এই বাস্তবতাকে বিভাজনের নয়; বরং সহাবস্থান ও স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে রূপ দেয়া সম্ভব।

দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের অন্যতম বৈচিত্র্যময় অঞ্চল। ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি ও জাতিগত পরিচয়ের বহুত্ব এখানে সামাজিক বাস্তবতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই বৈচিত্র্য স্বাভাবিক ও ঐতিহাসিকভাবে গড়ে উঠলেও, যখন রাষ্ট্রক্ষমতা, রাজনৈতিক কর্তৃত্ব কিংবা সম্পদ বণ্টনের প্রশ্নে জাতিগত পরিচয়কে সচেতনভাবে ব্যবহার করা হয়, তখন তা রাজনৈতিক রূপ নেয়। একে বলা যায় জাতিগত রাজনীতিকরণ। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে এই প্রক্রিয়া কখনো মুক্তির পথ দেখিয়েছে, কখনো গভীর বিভাজন ও অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে। এই অঞ্চলে জাতিগত রাজনীতিকরণ বোঝার জন্য বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হলেও, বিষয়টি কেবল একটি দেশে সীমাবদ্ধ নয়; বরং উপমহাদেশজুড়ে রাষ্ট্র গঠন, গণতন্ত্রের বিকাশ ও ক্ষমতার রাজনীতির সাথে জাতিগত পরিচয় গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। তাই বাংলাদেশকে বৃহত্তর দক্ষিণ এশীয় প্রেক্ষাপটে রেখে দেখাই অধিক সঙ্গত।

ঔপনিবেশিক শাসন ও পরবর্তী রাষ্ট্রব্যবস্থা দক্ষিণ এশিয়ায় জাতিগত রাজনীতিকরণের পটভূমি তৈরি করে। ব্রিটিশ শাসনামলে জনগণকে ধর্ম, ভাষা ও জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। এই প্রশাসনিক শ্রেণীবিন্যাস পরে রাজনৈতিক পরিচয়ে রূপ নেয়। উপনিবেশ-পরবর্তী রাষ্ট্রগুলো জাতীয় ঐক্য গঠনের চেষ্টা করলেও, সেই প্রক্রিয়ায় অনেক ক্ষেত্রেই একটি পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে অন্য পরিচয়গুলোকে প্রান্তিক করে ফেলা হয়।

বাংলাদেশের অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় কীভাবে রাজনৈতিক প্রতিরোধের ভিত্তি হয়ে ওঠে। পাকিস্তান রাষ্ট্রে বাঙালিদের ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক দাবিকে অগ্রাহ্য করায় ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয়। এই আন্দোলন ধীরে ধীরে রাজনৈতিক সচেতনতা ও অধিকারবোধের জন্ম দেয়। পরে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের অভিযোগ এটিকে আরো রাজনৈতিক করে তোলে। লক্ষণীয় যে, এই অভিজ্ঞতা দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ব্যতিক্রম নয়; বরং একটি সাধারণ প্রবণতার অংশ।

স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রগুলোতে প্রায়ই একটি সংখ্যাগরিষ্ঠ পরিচয় রাষ্ট্রীয় আদর্শে পরিণত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। কিন্তু বাস্তবে এই প্রক্রিয়া অনেক ক্ষেত্রে বহুত্বকে আড়াল করে। জাতিগত রাজনীতিকরণ তখন নতুন রূপ নেয়, এটি আর কেবল মুক্তির ভাষা নয়; বরং ক্ষমতার প্রতিযোগিতার মাধ্যম।

ভারতের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি বিশেষভাবে লক্ষণীয়। সেখানে ভাষা, ধর্ম ও বর্ণভিত্তিক পরিচয় গণতান্ত্রিক রাজনীতির অংশ হয়ে উঠেছে। একদিকে এই প্রক্রিয়া বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীকে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দিয়েছে, অন্য দিকে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ ও সামাজিক উত্তেজনাও তৈরি করেছে। জাতিগত রাজনীতিকরণ এখানে একই সাথে অন্তর্ভুক্তি ও বিভাজনের দ্বৈত ভূমিকা পালন করছে।

শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা দেখায়, জাতিগত প্রশ্নকে দীর্ঘদিন উপেক্ষা করলে তার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রীয় নীতিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ পরিচয়ের আধিপত্য সংখ্যালঘুদের মধ্যে বঞ্চনাবোধ সৃষ্টি করে। রাজনৈতিক সমাধানের অভাবে এই বঞ্চনাবোধ থেকে সহিংস সঙ্ঘাত শুরু হয়, যা দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্র ও সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

নেপালে সাম্প্রতিক কয়েক দশকে জাতিগত পরিচয় নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনায় আসে। রাষ্ট্র পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন জনগোষ্ঠী নিজেদের স্বীকৃতি ও অংশগ্রহণের দাবি তোলে। এই প্রক্রিয়া গণতান্ত্রিক পরিসর প্রসারিত করলেও, একই সাথে নতুন রাজনৈতিক টানাপড়েন সৃষ্টি করেছে। নেপালের অভিজ্ঞতা দেখায়, বহুজাতিক বাস্তবতায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র কাঠামো নির্মাণ কতটা জটিল।

পাকিস্তানেও জাতিগত রাজনীতিকরণ একটি স্থায়ী বাস্তবতা। রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও অসম বণ্টন বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে। এই অসন্তোষ কখনো রাজনৈতিক আন্দোলনে, কখনো সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই অভিজ্ঞতাগুলো একত্র দেখলে স্পষ্ট হয়, জাতিগত রাজনীতিকরণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং একটি কাঠামোগত প্রবণতা।

এই প্রেক্ষাপটে কয়েকটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। প্রথমত, জাতিগত রাজনীতিকরণ প্রায়ই বৈষম্য ও বঞ্চনার অভিজ্ঞতা থেকে জন্ম নেয়। দ্বিতীয়ত, এটি রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পথ খুলে দিতে পারে, তবে সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকলে সামাজিক বিভাজন গভীর করে তোলে। তৃতীয়ত, রাষ্ট্রের ভূমিকা এখানে নির্ণায়ক সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি স্থিতিশীলতা আনতে পারে, আর দমনমূলক নীতি সঙ্কট দীর্ঘায়িত করে।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো জাতীয় পরিচয় ও বৈচিত্র্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা। আধুনিক রাষ্ট্র আর একমাত্রিক পরিচয়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। নাগরিকদের বহুমাত্রিক পরিচয়কে স্বীকৃতি না দিলে তা রাজনৈতিক প্রশ্নে রূপ নেবেই।

সব মিলিয়ে বলা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় জাতিগত রাজনীতিকরণ কোনো সাময়িক বা অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। এটি ইতিহাস, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ক্ষমতার রাজনীতির সাথে গভীরভাবে যুক্ত। এই বাস্তবতা অস্বীকার করার পরিবর্তে প্রয়োজন একাডেমিক ও নীতিনির্ধারণী স্তরে পরিমিত ও দায়িত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গি। অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রচিন্তা ও গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমেই জাতিগত রাজনীতিকরণকে সঙ্ঘাতের নয়; বরং সহাবস্থানের পথে চালিত করা সম্ভব।

এই আলোচনা আরো বিস্তৃত করলে দক্ষিণ এশিয়ার সমসাময়িক রাজনীতিতে জাতিগত রাজনীতিকরণের ভূমিকা আরো স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় রাষ্ট্র আর কেবল প্রশাসনিক কাঠামো নয়; এটি পরিচয়, নাগরিকত্ব ও অন্তর্ভুক্তির প্রশ্নের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলো আধুনিক হলেও সমাজগুলো ঐতিহাসিকভাবে বহুত্ববাদী। এই দ্বন্দ্ব থেকেই জাতিগত রাজনীতিকরণের পুনরাবৃত্তি ঘটে।

গণতন্ত্র জাতিগত রাজনীতিকরণকে একদিকে প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ দেয়, অন্যদিকে তা নিয়ন্ত্রণের কাঠামোও তৈরি করে। নির্বাচন, দলীয় রাজনীতি ও সংসদীয় ব্যবস্থা জাতিগত পরিচয়কে রাজনৈতিক দাবিতে রূপান্তরের বৈধ ক্ষেত্র তৈরি করে। কিন্তু যখন এই দাবি কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠতার শক্তিতে পরিচালিত হয়, তখন গণতন্ত্র নিজেই সংখ্যালঘুদের জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদ ও গণতন্ত্রের এই টানাপড়েন একটি স্থায়ী বৈশিষ্ট্য।

জাতিগত রাজনীতিকরণে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্বশীল নেতৃত্ব জাতিগত পরিচয়কে সামাজিক ন্যায্যতা ও অংশগ্রহণের ভাষায় রূপ দিতে পারে। বিপরীতে, সুযোগসন্ধানী নেতৃত্ব এই পরিচয়কে ভয়, শত্রুতা ও বিভাজনের অস্ত্রে পরিণত করে। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে এই উদাহরণ আছে। ফলে সমস্যা জাতিগত পরিচয়ের অস্তিত্বে নয়; বরং তার রাজনৈতিক ব্যবহারে।

আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তায় নাগরিকত্বের ধারণা জাতিগত পরিচয় অতিক্রম করার কথা বলে। কিন্তু বাস্তবে নাগরিকত্ব প্রায়ই একটি প্রভাবশালী সংস্কৃতি বা পরিচয়ের আদলে সংজ্ঞায়িত হয়। দক্ষিণ এশিয়ায় এই প্রবণতা আরো দৃঢ়, কারণ উপনিবেশ-পরবর্তী রাষ্ট্রগুলো দ্রুত জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার চাপে ছিল। এর ফলে বৈচিত্র্যকে অনেক সময় দুর্বলতা হিসেবে দেখা হয়েছে, সম্পদ হিসেবে নয়।

শিক্ষা, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক নীতিও জাতিগত রাজনীতিকরণে ভূমিকা রাখে। পাঠ্যপুস্তক, জাতীয় ইতিহাসের বর্ণনা এবং রাষ্ট্রীয় স্মৃতিচারণ কোন পরিচয়কে কেন্দ্রীয় আর কোনটিকে প্রান্তিক করা হবে তা নির্ধারণ করে দেয়। দক্ষিণ এশিয়ার বহু দেশে ইতিহাসের এই একরৈখিক বয়ান জাতিগত রাজনীতি দীর্ঘস্থায়ী করেছে।

অর্থনৈতিক বৈষম্য জাতিগত রাজনীতিকরণ আরো তীব্র করে তোলে। দক্ষিণ এশিয়ার বহু আন্দোলনের পেছনে এই অর্থনৈতিক বাস্তবতা কাজ করেছে, যদিও তা প্রায়ই সাংস্কৃতিক ভাষায় প্রকাশ পায়।

বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির যুগে জাতিগত রাজনীতিকরণ নতুন মাত্রা পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচয়ভিত্তিক আবেগ দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সক্ষম। ফলে ভুল তথ্য, অতিরঞ্জিত ইতিহাস ও পরিচয়ভিত্তিক উত্তেজনা সহজেই রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও তরুণ জনগোষ্ঠীসমৃদ্ধ অঞ্চলে এই ঝুঁকি আরো বেশি।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিও অভ্যন্তরীণ জাতিগত রাজনীতিকে প্রভাবিত করে। সীমান্ত, অভিবাসন, শরণার্থী সমস্যা ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি অনেক সময় জাতিগত পরিচয়কে নিরাপত্তা প্রশ্নের সাথে যুক্ত করে ফেলে। এতে জাতিগত রাজনীতিকরণ কেবল অভ্যন্তরীণ ইস্যু না থেকে পররাষ্ট্রনীতির অংশ হয়ে ওঠে।

এই প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো— জাতিগত বৈচিত্র্যকে কীভাবে রাষ্ট্রের শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। একক পরিচয়ের ওপর দাঁড়ানো রাষ্ট্র ধারণা এই অঞ্চলের বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রয়োজন এমন একটি রাষ্ট্রচিন্তা, যেখানে নাগরিকত্ব ও পরিচয়ের মধ্যে বিরোধ নয়; বরং সহাবস্থান থাকবে।

একাডেমিকভাবে বলা যায়, জাতিগত রাজনীতিকরণ একটি প্রক্রিয়া, কোনো স্থির অবস্থা নয়। এটি সময়, প্রেক্ষাপট ও রাষ্ট্রীয় নীতির সাথে বদলায়। তাই একে পুরোপুরি দমন বা সম্পূর্ণ উৎসাহিত করা, কোনোটিই বাস্তবসম্মত নয়; বরং এর সামাজিক উৎস বোঝা এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করাই কার্যকর পথ।

দক্ষিণ এশিয়ার অভিজ্ঞতা দেখায়, অন্তর্ভুক্তিমূলক সংবিধান, বিকেন্দ্রীকৃত শাসনব্যবস্থা, ন্যায্য অর্থনৈতিক বণ্টন ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি জাতিগত রাজনীতিকরণের নেতিবাচক দিক কমাতে পারে। এগুলো কোনো তাৎক্ষণিক সমাধান নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা।

সবশেষে বলা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় জাতিগত রাজনীতিকরণ সমসাময়িক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি কেন্দ্রীয় বাস্তবতা। এটি সঙ্কটের উৎসও হতে পারে, আবার গণতান্ত্রিক অন্তর্ভুক্তির পথও খুলে দিতে পারে। কোন পথে এটি এগোবে, তা নির্ভর করে রাষ্ট্র, রাজনীতি ও সমাজের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ওপর। দায়িত্বশীল নীতি ও পরিমিত দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে এই বাস্তবতাকে বিভাজনের নয়; বরং সহাবস্থান ও স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে রূপ দেয়া সম্ভব।

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব ও গ্রন্থকার

[email protected]