শিক্ষা সংস্কারের প্রত্যাশা ও একটি বিতর্কিত প্রস্তাব

এই মুহূর্তে প্রয়োজন সাহসী সিদ্ধান্ত। প্রয়োজন নীতি। প্রয়োজন স্পষ্ট বার্তা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোনো রাজনৈতিক পুরস্কারের জায়গা নয়। শিক্ষা কোনো রাজনৈতিক লুটপাটের ক্ষেত্র নয়। এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের জায়গা। সত্যটি মনে রাখা দরকার। কারণ একটি দেশের ভবিষ্যৎ ঠিক হয় তার শ্রেণিকক্ষে। নতুন শিক্ষামন্ত্রী যদি সত্যটি ধরে রাখতে পারেন, তবে শিক্ষাব্যবস্থায় আবারো আশার আলো জ্বলতে পারে

বাংলাদেশের নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি শিক্ষা। অর্থনীতি বদলাচ্ছে। প্রযুক্তি বদলাচ্ছে। কর্মবাজার বদলাচ্ছে; কিন্তু শিক্ষা কি বদলাচ্ছে? এ প্রশ্ন এখন খুব জরুরি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। সেই সরকারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন। রাজনীতিতে নতুন নন তিনি। প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাও তার রয়েছে। প্রায় ২৫ বছর আগে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি।

২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। সে সময় তার কিছু পদক্ষেপ দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। বিশেষ করে নকলবিরোধী অভিযান। অনেকে এখনো সেই সময়ের কথা মনে করেন। পাবলিক পরীক্ষায় নকল ঠেকাতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। পরীক্ষাকেন্দ্রে কঠোর নজরদারি ছিল। এমনকি হেলিকপ্টারে করে কেন্দ্র পরিদর্শনের ঘটনাও আলোচিত হয়েছিল। ফলে পাসের হার কমে যায়। কিন্তু শিক্ষাব্যবস্থার শৃঙ্খলা কিছুটা ফিরে আসে।

এই ইতিহাসের কারণে নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তাকে ঘিরে আবারো প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। মানুষ ভাবছে, তিনি কী আবার কঠোর সংস্কার করবেন? দায়িত্ব নেয়ার পর তিনি বলেছেন, নকল ও প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না। তিনি আরো বলেছেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা হবে। কারিকুলাম পর্যালোচনা করা হবে। ডিজিটাল লিটারেসি বাড়ানো হবে। ইংরেজি দক্ষতায় গুরুত্ব দেয়া হবে। তিনি ন্যানো টেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবটিক্স শিক্ষার কথা বলেছেন। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য প্রস্তুতির কথা বলেছেন।

এসব কথা শুনতে ভালো লাগে। প্রয়োজনও আছে। কারণ পৃথিবী বদলে গেছে। আজকের বিশ্ব একটি গ্লোবাল ভিলেজ। জ্ঞান, প্রযুক্তি, তথ্য— সব কিছুই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

এ বাস্তবতায় পুরনো শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে এগোনো সম্ভব নয়। রাজনৈতিক তত্ত্ববিদ হান্না আরেন্ট একবার বলেছিলেন, ‘শিক্ষা হচ্ছে সেই জায়গা, যেখানে ঠিক করি আমরা পৃথিবীকে ভালোবাসি কি না।’ যদি আমরা পৃথিবীকে ভালোবাসি, তবে তাকে ধ্বংস হতে দেবো না। আর যদি নতুন প্রজন্মকে ভালোবাসি, তবে তাদের জন্য ভালো শিক্ষা নিশ্চিত করব।

শিক্ষা শুধু পরীক্ষার ফল নয়। শিক্ষা মানে চিন্তা। শিক্ষা মানে যুক্তি। শিক্ষা মানে নাগরিক তৈরি করা। এই কথা বলেছেন গণতন্ত্র বিশ্লেষণের অন্যতম বড় তাত্ত্বিক রবার্ট ডাল। তার মতে— গণতন্ত্র টিকে থাকে তখন, যখন নাগরিকরা সচেতন হয়। সচেতন নাগরিক তৈরি হয় শিক্ষা থেকে। অর্থাৎ— শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত উন্নতির বিষয় নয়। এটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের প্রশ্ন। এ কারণে শিক্ষানীতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় সতর্কতা জরুরি। কিন্তু নতুন সরকারের একটি আলোচ্য প্রস্তাব ইতোমধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা শিথিল করার আলোচনা চলছে। এ আলোচনা উদ্বেগজনক।

বাংলাদেশে প্রায় ৩৫ হাজার বেসরকারি মাধ্যমিক ও কলেজপর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্ব থাকে গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির ওপর। এ কমিটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়। বাজেট অনুমোদন করে। তহবিল সংগ্রহ করে। সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করে। শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। অর্থাৎ— একটি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাঠামোর কেন্দ্রবিন্দু এ কমিটি। সেই কমিটির প্রধান হলেন সভাপতি। পদটি শুধু সম্মানের নয়; এটি ক্ষমতারও। এটি নীতিনির্ধারণের পদ। এ কারণে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

একসময় এ পদে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত ছিল না। ফলে অনেক জায়গায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা সভাপতি হতেন। অনেক সময় তারা শিক্ষা বোঝেন না; কিন্তু ক্ষমতা বোঝেন। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠে ক্ষমতার কেন্দ্র। শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ২০২৪ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভাপতির জন্য ন্যূনতম এইচএসসি ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয়। এরপর ২০২৫ সালে মানদণ্ড আরো উন্নত করা হয়। কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির জন্য স্নাতকোত্তর বা চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয়। মাধ্যমিক স্তরের প্রতিষ্ঠানের সভাপতির জন্য স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয়। এটি ছিল একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। সাধারণ মানুষ, শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থীরা এটিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।

কারণ, শিক্ষা প্রশাসনে ন্যূনতম যোগ্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। রাষ্ট্র পরিচালনায় আইনের শাসন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আইনের শাসনের অর্থ হলো নিয়ম। নিয়ম সবার জন্য সমান। মানা বাধ্যতামূলক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনাতেও এই নীতি প্রযোজ্য। যোগ্যতা ছাড়া নেতৃত্ব দিলে সিদ্ধান্তের মান কমে যায়। এ বাস্তবতা পৃথিবীর অনেক দেশে দেখা গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তখন রাজনৈতিক প্রভাবের শিকার হয়। বাংলাদেশেও এমন অভিজ্ঞতা আছে। অনেক প্রতিষ্ঠানে সভাপতি পদটি হয়ে ওঠে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার। স্থানীয় রাজনীতি ঢুকে পড়ে শিক্ষাঙ্গনে। শিক্ষক নিয়োগ হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হয় ব্যক্তিস্বার্থে। এ বাস্তবতা থেকে বের হওয়ার জন্য যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছিল।

কিন্তু এখন যদি সেই মানদণ্ড তুলে দেয়া হয়, তাহলে কী হবে? এটি হবে একটি বড় পশ্চাৎপসরণ। বাংলাদেশ অধ্যক্ষ পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান ঠিকই বলেছেন, এটি হবে পেছনে ফিরে যাওয়া। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ম্যাক্স ভেবার প্রশাসনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আধুনিক রাষ্ট্র টিকে থাকে ‘রেশনাল-লিগ্যাল অথরিটি’র ওপর। অর্থাৎ— যুক্তি ও নিয়মের ওপর ভিত্তি করে প্রশাসন চলবে। ব্যক্তিগত ক্ষমতার ওপর নয়। যদি যোগ্যতার শর্ত তুলে দেয়া হয়, তাহলে প্রশাসন আবার ব্যক্তিগত প্রভাবের দিকে চলে যাবে। এটি শিক্ষার জন্য ভালো হবে না।

তবে আলোচনায় একটি ইতিবাচক প্রস্তাবও এসেছে। সভাপতি নিয়োগে সংসদ সদস্যদের ক্ষমতা কমানোর কথা বলা হয়েছে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় তিনজনের তালিকা তৈরি হবে। সেখান থেকে একজনকে নির্বাচন করা হবে। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে রাজনৈতিক প্রভাব কিছুটা কমতে পারে; কিন্তু একই সাথে যদি শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা হয়, তাহলে সেই ইতিবাচক উদ্যোগও দুর্বল হয়ে যাবে। শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার করতে হলে ধারাবাহিকতা প্রয়োজন। প্রতিটি ভালো সিদ্ধান্ত ধরে রাখতে হয়। তার ওপর ভিত্তি করে আরো উন্নতি করতে হয়। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জন ডিউই বলেছেন, শিক্ষা হলো গণতন্ত্রের ভিত্তি। গণতন্ত্র তখন শক্তিশালী হয়, যখন শিক্ষা শক্তিশালী হয়। এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মাঠ বানানো বিপজ্জনক।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত চিন্তার জায়গা। এটি হওয়া উচিত মুক্ত আলোচনার জায়গা। এটি হওয়া উচিত জ্ঞান তৈরির জায়গা। ক্ষমতার লড়াইয়ের জায়গা নয়। শিক্ষামন্ত্রী যদি সত্যি সংস্কার করতে চান, তবে তাকে কয়েকটি বিষয়ে নজর দিতে হবে। প্রথমত, প্রশ্নফাঁস ও নকল পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষাপ্রশাসনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধ করতে হবে। চতুর্থত, কারিকুলাম আধুনিক করতে হবে। পঞ্চমত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যোগ্য নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে। পাঁচটি কাজ করা গেলে শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন সাহসী এবং পড়াশোনা জানা মানুষ। তিনি শুধু মন্ত্রী হয়েছেন এমনটি নয়, তার রাজনৈতিক জীবনও অনেক ঘটনাবহুল। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার তার বিরুদ্ধে মোট ৩২টি মামলা দিয়েছিল। সেই মামলাগুলোর মুখোমুখি তিনি হয়েছেন। পালাননি। ভেঙে পড়েননি। আইনি লড়াই করেছেন। এর মধ্যেও নিজের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। শেষ পর্যন্ত পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ঘটনাটি ছোট নয়। কারণ সঙ্কটের সময় মানুষ সাধারণত ভেঙে পড়ে। কিন্তু যারা নেতৃত্ব দেন, তারা সঙ্কটের মধ্যে নিজেদের শক্ত করেন। এখানে একজন রাজনীতিক ও একজন নেতার পার্থক্য।

হান্না আরেন্ট বলেছেন, ‘স্বৈরতন্ত্রের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হলো মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা ধ্বংস করা।’ কথাটি আমাদের দেশের অভিজ্ঞতার সাথে মিলে যায়। গত দেড় দশকে আমরা দেখেছি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে দলীয়করণের শিকার হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এর বাইরে ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রভাব ছিল স্পষ্ট। অনেক জায়গায় যোগ্যতার চেয়ে দলীয় পরিচয় বড় হয়ে উঠেছে।

ফলে শিক্ষাব্যবস্থার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। একটি জাতিকে দুর্বল করার সহজ পথ হলো শিক্ষাব্যবস্থা দুর্বল করা। যে জাতি ভালো শিক্ষা পায় না, সে জাতি স্বপ্ন দেখতে পারে না। সে জাতি প্রশ্ন করতে পারে না; সে জাতি স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারে না। গণতন্ত্র বিশ্লেষণের গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক রবার্ট ডাল বলেছেন, সচেতন নাগরিক ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।

আর সচেতন নাগরিক তৈরি হয় শিক্ষা থেকে। এ কারণে শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি বিপজ্জনক। সরকার ও রাজনৈতিক দল এক জিনিস নয়। রাষ্ট্র আর দল এক হয়ে গেলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়। এ নীতির কথা বহু আগে বলেছিলেন সাংবিধানিক তাত্ত্বিক এ ভি ডাইসি। তার মতে, আইনের শাসন মানে হলো প্রতিষ্ঠানগুলো নিরপেক্ষ থাকবে। ক্ষমতার দলীয় ব্যবহার হবে না। বাংলাদেশে আমরা এর উল্টো অভিজ্ঞতা দেখেছি। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়।

দলীয় প্রভাব ছিল স্পষ্ট। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে হবে। প্রশাসনে স্বচ্ছতা আনতে হবে। যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জন ডিউই বলেছেন, শিক্ষা হলো গণতন্ত্রের প্রাণশক্তি। যদি শিক্ষা দুর্বল হয়, গণতন্ত্রও দুর্বল হয়। বাংলাদেশ আজ সেই বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এক দিকে ধ্বংসপ্রাপ্ত শিক্ষাকাঠামো। অন্য দিকে নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ।

এই মুহূর্তে প্রয়োজন সাহসী সিদ্ধান্ত। প্রয়োজন নীতি। প্রয়োজন স্পষ্ট বার্তা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোনো রাজনৈতিক পুরস্কারের জায়গা নয়। শিক্ষা কোনো রাজনৈতিক লুটপাটের ক্ষেত্র নয়। এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের জায়গা। সত্যটি মনে রাখা দরকার। কারণ একটি দেশের ভবিষ্যৎ ঠিক হয় তার শ্রেণিকক্ষে। নতুন শিক্ষামন্ত্রী যদি সত্যটি ধরে রাখতে পারেন, তবে শিক্ষাব্যবস্থায় আবারো আশার আলো জ্বলতে পারে। হ

লেখক : সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন