চব্বিশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে সবার অলক্ষ্যে আমূল পরিবর্তন ঘটে গেছে। দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্দোবস্ত যেন ঢেলে সাজানোর প্রয়াস চালায় ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। কিন্তু ফ্যাসিবাদবিরোধী দলগুলো হাসিনা-উত্তর বাংলাদেশে মোটা দাগে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এই বিভক্তি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আদর্শিক ফারাক হিসেবে দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মূল দ্ব›েদ্বর সীমারেখা টেনে দিচ্ছে এটি। এর একপক্ষে রয়েছে দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ও তার জোটভুক্ত দলগুলো। অন্যপক্ষে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট।
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট পুরনো কাঠামোয় দেশ রাষ্ট্রপরিচালনায় অধিক আগ্রহী বলে মনে হয়। এর সরল অর্থ দাঁড়ায়- বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চায়। অর্থাৎ রাজনৈতিক বন্দোবস্ত অপরিবর্তিত রাখাই এ জোটের মূল লক্ষ্য। বিএনপি জোট যে স্থিতিশীলতা অর্থাৎ ক্ষমতার পুরনো কাঠামো অক্ষত রাখতে চায়; তা বোঝা যায় দলটির নেতাদের প্রতিদিনের বক্তব্য-বিবৃতিতে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাদের এসব বক্তব্যের মর্মার্থ করছেন এমনটি, স্থিতিশীলতা বলতে আসলে তারা বলতে চান, পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ঠিক রাখা দরকার। এর পক্ষে রয়েছে দেশের সামরিক-বেসামরিক আমলাদের বড় একটি অংশ। প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ও দেশে স্থিতিশীলতা, মানে পুরনো ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার পক্ষে। এতে ব্যবসায়ীরা তাদের অর্জিত সম্পদ সুরক্ষার নিশ্চিয়তা নিহিত রয়েছে বলে মনে করেন। অন্য দিকে পুরনো বন্দোবস্ত টিকে থাকার মধ্যে প্রতিবেশী ভারত নিজের স্বার্থ অক্ষুণœ থাকার ইঙ্গিত পাচ্ছে।
আমাদের স্মরণে রাখা দরকার, দিল্লির আগ্রাসন থেকে মুক্তি পেতে পূর্ববাংলার কৃষক সমাজ পাকিস্তান আন্দোলনে নিবিড়ভাবে অংশ নেয়। পাকিস্তান আন্দোলনের ভেতর আমাদের পূর্বপুরুষরা নিজেদের আর্থসামাজিক অধিকার অধিকতর সংরক্ষিত থাকবে বলে মনে করেছিলেন। এ বিবেচনায় তারা পাকিস্তান সৃষ্টিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। অবশ্য এর পেছনে ঐতিহাসিক কারণও বিদ্যমান ছিল। ১৯০৫ সালে বাংলা ভাগ করে পূর্ববাংলা ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ গঠন করা হয়। যার রাজধানী করা হয় ঢাকাকে। এতে পূর্ব বাংলার কৃষক সমাজ তাদের ভাগ্য বদলের আশা করেছিল; কিন্তু পূর্ববাংলার কলকাতাকেন্দ্রিক জমিদার শ্রেণী তাদের সমূহ অর্থনৈতিক বিপর্যয় হতে পারে, এমন শঙ্কায় বঙ্গভঙ্গে তীব্র বিরোধিতা করে। অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে, বঙ্গভঙ্গ রদে উল্লিখিত জমিদাররা সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনে মদদ দিতেও পিছপা হয়নি। এর প্রমাণ মেলে, অনুশীলন ও যুগান্তর গোষ্ঠীকে জমিদারদের অকাতরে অর্থ দিয়েই শুধু নয়; সবধরনের পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান।
আমাদের পূর্বপুরুষরা তাদের দুঃসহ স্মৃতি বিস্মৃত না হয়ে মুক্তির সোপান হিসেবে পাকিস্তানের গঠন প্রক্রিয়ার আন্দোলনে মরণপণ অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু আমাদের জাতীয় জীবনের দুর্ভাগ্য হলো, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে গত পাঁচ দশকে ভারতীয় আধিপত্য এ দেশের পরতে পরতে প্রতিষ্ঠা পায়। এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের শাসকগোষ্ঠীর স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতি এবং আগ্রাসনবিরোধী প্রতিরক্ষা নীতি গ্রহণের ব্যর্থতায়। তবে পঁচাত্তরের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণে এ দেশে ভারতীয় আধিপত্য খানিকটা হ্রাস পায়। এ ছাড়া এরশাদ-পরবর্তী বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম এবং দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে বের করে আনার সচেতন প্রয়াস লক্ষ করা যায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, ওয়ান-ইলেভেনের সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের কারসাজিতে ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় এসে এ দেশে দেড় দশক ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েমের সাথে সাথে দিল্লির সাথে গাঁটছড়া বেঁধে ভারতের পুরোপুরি প্রভাববলয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলে দেশকে। এটাও লক্ষণীয় যে, বাংলাদেশের প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে ভারত পছন্দের দলকে ক্ষমতায় বসাতে মরিয়া তৎপরতা চালাতে কোনো রাখঢাক করেনি।
লুকোচুরিহীন প্রকাশ্য তৎপরতা চালায়। বিশেষ করে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভারত সরাসরি বাংলাদেশের নির্বাচনী রঙ্গমঞ্চে উৎকটভাবে আবিভর্ূত হয়। আওয়ামী লীগহীন এবারের নির্বাচনেও ভারত নিজের স্বার্থ সংরক্ষণে একটি পক্ষকে যে বেছে নেবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। এ ক্ষেত্রে ভারতের প্রথম পছন্দ হতে পারে মধ্যপন্থী বলে পরিচিত নির্বাচনী জোট। ইসলামপন্থীরা যে ভারতের পছন্দের তালিকায় নেই সে কথা না বলাই ভালো। ফলে নির্বাচনের মাঠে আওয়ামী লীগকে না পেয়ে দিল্লি বিএনপির দিকে হাঁটার চেষ্টা করছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত। এবার আমরা একটু আলোকপাত করতে চাই জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের নির্বাচনী লক্ষ্য কী তা নিয়ে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটে জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধা ছাত্র নেতৃত্বের সমন্বয়ে গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি থাকায় চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা এই জোটের প্রধানতম অবলম্বন।
জুলাই চেতনা মানে, চব্বিশের আন্দোলনের মূল স্পিরিটি হলো রাষ্ট্রব্যবস্থার আমূল সংস্কার। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পরিবর্তন এবং জনগণের মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুধু অতীতের অর্জন রক্ষার প্রশ্ন নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ নির্মাণের অপরিহার্যতা। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠিত হয়েছে। একাত্তর আমাদের রাষ্ট্রের জন্মভিত্তি। ১৯৪৭ বা নব্বইয়ের লড়াইয়ের ধারাবাহিকতায় চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের পর নাগরিকরা রাষ্ট্রের কাঠামোগত এবং প্রচলিত অর্থনৈতিক কাঠামো সংস্কারের স্বপ্ন দেখেছিলেন; কিন্তু এই মৌলিক প্রশ্নগুলো এখন পর্যন্ত অনেকাংশে উপেক্ষিত। বাস্তবে রাষ্ট্রের সাথে নাগরিকের সম্পর্কের কোনো রূপান্তর ঘটেনি। প্রকৃত বাস্তবতায় এখন পর্যন্ত দেশে সংস্কার প্রক্রিয়া অভিজাত শ্রেণীর মধ্যে আপস-রফার একটি মাধ্যম হিসেবে পর্যবসিত হয়েছে। জেন-জি এ পরিস্থিতি বুঝতে পেরেছে। তাই জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক করণীয় হিসেবে তারা জামায়াতের সাথে নির্বাচনী জোট বেঁধেছে। এ জোট রাজনীতিকে শুধু ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চায় না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্রন-ক্লায়েন্টভিত্তিক রাজনীতিও লক্ষ্য নয়। এ জোট চায় রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের মৌলিক রূপান্তর। তারা চায় একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুসম বণ্টন। ১০ দলীয় জোট এবারের নির্বাচনে সংস্কার মানে, পরিবর্তনকে নির্বাচনী ন্যারেটিভ হিসেবে হাজির করেছে।
রাজনীতিতে নতুন বন্দোবস্ত বলতে বোঝায় রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন নিয়ম, ক্ষমতা ভাগাভাগি ও সঙ্ঘাত নিরসনে রাজনৈতিক অংশীজনদের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা বা চুক্তি, যা প্রায়ই সঙ্ঘাতের পর বা বড় ধরনের সামাজিক পরিবর্তনে তৈরি হয়। আর স্থিতিশীলতা হলো ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীর মধ্যে সম্পদ বণ্টন ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে করা চুক্তি, যেখানে বৃহত্তর জনগণের অংশগ্রহণ সীমিত থাকে। স্থিতিশীলতার ধারণা হলো, ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বোঝাপড়া, যা ক্ষমতা ও সম্পদ বণ্টনে হয়ে থাকে। এটি হতে পারে একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া বা সময়ের সাথে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক বোঝাপড়া, যা রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক পরিবর্তন বা সামাজিক রূপান্তরের ফল। সঙ্ঘাতের অবসান ঘটানো, শান্তি বজায় রাখা এবং শাসনব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা আনা, যদিও এর লক্ষ্য সবসময় অন্তর্ভুক্তিমূলক না-ও হতে পারে। এতে ক্ষমতা ও সম্পদ বণ্টিত হয় ক্ষমতাশালী সামাজিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে যা তাদের সন্তুষ্ট রাখে।
‘নতুন বন্দোবস্ত’ হলো ক্ষমতা, সম্পদ এবং শাসনের নিয়মকানুন নিয়ে রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে একটি নতুন বোঝাপড়া, যা একটি দেশের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করে। মূলকথা হলো, কাঠামো বা সিস্টেমে বদল আনা। কেননা কেবল সৎ মানুষ বসালে সবকিছু আপনা-আপনি বদলে যায় না। এ জন্য ভালো ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান দরকার। ভালো প্রতিষ্ঠান, সঠিক কাঠামো এবং জবাবদিহির জায়গা তৈরি করতে না পারলে ক্ষমতায় যিনি বসবেন, তিনি বদলে যাবেন, হয়ে উঠবেন অহঙ্কারী, যা পর্যায়ক্রমে আরেকজন স্বৈরাচারের জন্ম দেবে। ক্ষমতাসীনদের পাশে কোনোকালে চাটুকারদের অভাব ছিল না। এখনো নেই। ভবিষ্যতেও হবে না, এটি সহজে অনুমেয়। তাই অনিবার্যভাবে ক্ষমতার নতুন বন্দোবস্ত হওয়া জরুরি বলে মনে করে জামায়াত নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোট।
জামায়াত কিংবা এনসিপি রাজনীতিতে ক্ষমতার নতুন বন্দোবস্ত চায়। কারণ দেশে ক্ষমতাকাঠামোর পুরনো বিন্যাস আর কাজ করছে না। অর্থাৎ পুরনো সিস্টেমটি এ সময়ে এসে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ফলে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামোর আমূল পরিবর্তন চায়। এই পরিবর্তনের অর্থ হলো, ক্ষয়িষ্ণু পুরনো নেতৃত্বের আধিপত্য বা প্রাধান্যের অবসান। যেমন বাংলায় নবাবী আমলের অবসানে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭৫৭ সালে নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করে বাংলার মসনদ দখলে নিয়ে ১৭৯৩ সালে এ দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনে। ওই পরিবর্তনকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নাম দিয়েছিল চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। যেহেতু তৎকালে সামন্ত ব্যবস্থায় ভূমি ছিল ক্ষমতার প্রাথমিক ভিত্তি। তাই ইংরেজরা ভূমির মালিকানায় উচ্ছিষ্টভোগী নতুন জমিদার গোষ্ঠীর উদ্ভব ঘটায়। এতে হিন্দু মধ্যবিত্তশ্রেণী রাতরাতি ভূস্বামী হিসেবে আবির্ভূত হয়। আর ভূ-স্বামী মুসলিম সম্প্রদায় তাদের জমি হারিয়ে সর্বহারায় রূপান্তরিত হয়। এখন যেহেতু ঔপনিবেশিক শাসনামল আর নেই। স্বাধীন দেশে রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে ক্ষমতার পুনঃবিন্যাস হয়ে থাকে। এতে ক্ষমতাধর হয়ে পড়ে হীনবল। আর ক্ষমতার নতুন দাবিদাররা হয় উঠতি রাজনৈতিক শক্তি। যারা জনগণের মনের ভাষা পাঠে বেশি মনোযোগী হয়। সেই সাথে জনগণের স্বার্থ রক্ষায় অধিকতর মনোনিবেশ করে। এতে কায়েমি স্বার্থপন্থীরা পরিবর্তনকামীদের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশের আমজনতার বিরাট একটি অংশ চায় পরিবর্তনের মাধ্যমে তাদের জীবনেও আসুক ইতিবাচক পরিবর্তন। যাতে করে সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য কমে আসবে। উন্নয়ন ঘটবে সবার জীবনে সমভাবে। যেখানে থাকবে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। তাই এবারের নির্বাচনের ন্যারেটিভ হয়ে উঠেছে স্থিতিশীলতা এবং পরিবর্তন।
ভোটাররা এবার স্থিতিশীলতা ও শান্তি মানে ক্ষমতার পুরনো বন্দোবস্ত চাইবে, নাকি পরিবর্তন অর্থাৎ ক্ষমতার নতুন বন্দোবস্ত অর্থাৎ নতুন বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেবে- এটি দেখতে আমাদের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তমূলক ভোটার হবে তরুণরা। এবারের নির্বাচনে তরুণ ভোটারের সংখ্যা চার কোটির মতো। আর এ কথা সবার জানা, তরুণরা সবসময় পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে থাকে। এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার পেছনে তাদের মনস্তত্ত¡ হলো, কোনো দেশ সমাজে বা রাষ্ট্রের সংস্কারের মধ্যে নিহিত রয়েছে মানুষের সার্বিক কল্যাণ।
লেখক : সহকারী সম্পাদক, নয়া দিগন্ত



