সীমান্ত দিয়ে অসংখ্য মানুষ ভারত থেকে বাংলাদেশে আসার দাবিটি ভুয়া

ভারত থেকে অসংখ্য মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আসছে- সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো এমন দাবিকে ভুয়া বলেছে বাংলাফ্যাক্ট। তাদের তথ্যমতে, প্রচারিত ভিডিওটি সাম্প্রতিক নয়; এটি ২০২৫ সালের কালীপূজার সময় পশ্চিমবঙ্গের একটি পুরোনো ভিডিও।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অসংখ্য মানুষ বাংলাদেশে চলে আসছে; এমন দাবিটি অসত্য বলে শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম ‘বাংলাফ্যাক্ট’।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর বহু মানুষ বাংলাদেশে চলে আসছে; এমন দাবি করে যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে, সেটি মূলত কালীপূজার সময়ের পুরোনো ভিডিও।

বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর দিনাজপুরের হাকিমপুরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অসংখ্য মানুষ বাংলাদেশে চলে আসছে; এমন দাবি করে ভারতের কয়েকটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি ছড়ানো হয়।

তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই-বাছাই করে দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। একই দাবিতে প্রচার করা ভিডিওটি ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবরের ভিন্ন একটি ঘটনার। ওইদিন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার করিমপুরের ফুনকাতলা এলাকায় কালীপূজা উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় মানুষের সমাগম ঘটে। ভিডিওটি সেই সময়ের দৃশ্য।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ ও বিদেশ থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজে বাংলাদেশকে ঘিরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে।

পাশাপাশি সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপি ও নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধেও গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।

‘বাংলাফ্যাক্ট’ হলো প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম। তারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তথ্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।

বাংলাফ্যাক্ট ইতোমধ্যে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি দেশে গুজব, ভুয়া খবর ও অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে কাজ করছে।

সূত্র : বাসস