‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের লিখিত কপিতে বলা হয়েছে, বহুসাংস্কৃতিক অস্ট্রেলিয়াই একমাত্র অস্ট্রেলিয়া, যা সবসময় ছিল। ‘এক সংস্কৃতির’ অস্ট্রেলিয়ার ‘বিষণ্ন কল্পনা’ দেশটির আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষতি করবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং |সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার কট্টর ডানপন্থী দল ‘ওয়ান নেশন’-এর মতাদর্শের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক বক্তৃতায় বহুসংস্কৃতিবাদের পক্ষে জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং। তিনি বহুসংস্কৃতিবাদকে ‘অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র চিরন্তন রূপ’ হিসেবে অভিহিত করবেন।

মালয়েশিয়ায় জন্ম নেয়া ওং হলেন ফেডারেল মন্ত্রী হওয়া প্রথম এশীয়-অস্ট্রেলীয়। সিডনির লোয়ি ইনস্টিটিউটে দেয়া বক্তৃতায় তিনি অস্ট্রেলিয়াকে বিভক্ত করার চেষ্টাকারী ‘বাইরের ও ভেতরের শক্তিগুলো’ সম্পর্কে সতর্ক করবেন। একইসাথে ব্যবসা ও খেলাধুলায় শরণার্থীদের সাফল্যের কথা তুলে ধরবেন।

জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার অর্ধেক মানুষ হয় বিদেশে জন্মেছেন, নয়তো তাদের বাবা-মায়ের অন্তত একজন বিদেশে জন্মেছেন।

এএফপির কাছে আসা বক্তব্যের ওই লিখিত কপিতে বলা হয়েছে, বহুসাংস্কৃতিক অস্ট্রেলিয়াই একমাত্র অস্ট্রেলিয়া, যা সবসময় ছিল। ‘এক সংস্কৃতির’ অস্ট্রেলিয়ার ‘বিষণ্ন কল্পনা’ দেশটির আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষতি করবে।

জনমত জরিপ অনুযায়ী, পলিন হ্যানসনের ওয়ান নেশন চলতি বছর জনপ্রিয়তায় ব্যাপকভাবে এগিয়ে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দলে পরিণত হয়েছে। ২০২৮ সালের পরবর্তী নির্বাচনে দলটি ‘কিংমেকার’ বা সরকার গঠনে নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে পারে।

হ্যানসনকে দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা ফ্রান্সের মেরিন লে পেনের সাথে তুলনা করা হয়। তিনি ‘এক সংস্কৃতির’ অস্ট্রেলিয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসাথে ওয়ান নেশন চায়, অস্ট্রেলিয়া আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করুক এবং বৈদেশিক সহায়তা কমিয়ে দিক।

সূত্র: বাসস