মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব মোকাবেলায় অস্ট্রেলিয়া অতিরিক্ত প্রায় ১০ কোটি লিটার ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, নতুন এই সরবরাহ ব্রুনেই ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে দু’টি চালানের মাধ্যমে আসবে।
এ ঘোষণা এমন সময়ে এলো, যখন মেলবোর্নের বাইরে একটি গুরুত্বপূর্ণ শোধনাগারে রাতের বেলায় আগুন লাগে। এতে দেশটির জ্বালানি সরবরাহ আরো বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
মালয়েশিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে আলবানিজ বলেন, ‘আমি ঘোষণা দিতে পারি যে আমার সরকার অতিরিক্ত ১০ কোটি লিটার ডিজেল নিশ্চিত করেছে। এর একটি চালান ব্রুনেই থেকে, যেখানে আমি গতকাল ছিলাম। অন্যটি দক্ষিণ কোরিয়া থেকে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের নতুন কৌশলগত মজুত ক্ষমতার আওতায় এটি প্রথম চালান। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরো চালান আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে বৈঠক করছেন আলবানিজ।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় বর্তমানে প্রায় ৩৮ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার নির্ধারিত ৯০ দিনের ন্যূনতম মজুতের তুলনায় যা অনেক কম।
সরকার এখন পর্যন্ত জ্বালানি রেশনিং করার পদক্ষেপ প্রতিহত করলেও, চালকদের যথাসম্ভব পেট্রোল সাশ্রয় করতে ও সম্ভব হলে গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহিত করেছে।
এশিয়া ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বেশিভাগ দেশের মতো অস্ট্রেলিয়াও হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহ হওয়া তেলের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এক সময় এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই পানিপথে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে।
সূত্র: বাসস



