বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি বুধবার বলেছেন, যুদ্ধ, অর্থনৈতিক বৈষম্য, সামাজিক বিভাজন এবং জলবায়ু সঙ্কটে জর্জরিত বিশ্বে সুস্থতার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।
তিনি ‘হারমনি উইথ, বডি, অ্যান্ড ন্যাচার’ প্রতিপাদ্যে আন্তর্জাতিক সুস্থতা দিবস উপলক্ষে ঢাকায় নেপাল দূতাবাস আয়োজিত ‘ওয়েলনেস ওয়াক’ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ৪৫ মিনিটের একটি হাঁটাহাঁটির আয়োজন করা হয়। পরে সংক্ষিপ্ত আনুষ্ঠানিক পর্ব এবং ঐতিহ্যবাহী নেপালি সুস্থতা-নির্ভর নাশতার আয়োজন ছিল।
রাষ্ট্রদূত বলেন, নেপালের ইতিহাসে সুস্থতা চর্চা একটি জীবন্ত ঐতিহ্য হিসেবে বিদ্যমান, যা হিন্দু, বৌদ্ধ, যোগ এবং দেশীয় সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এসব চর্চা আত্মনিয়ন্ত্রণ, নৈতিক জীবনযাপন এবং প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।
তিনি আরো জানান, নেপাল ২০২৭ সালকে ‘নেপাল ওয়েলনেস ইয়ার’ হিসেবে পালনের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর লক্ষ্য হলো সুস্থতা-ভিত্তিক পর্যটনকে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এবং দেশটিকে বৈশ্বিক সুস্থতা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।
জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদ ২০২৬ সালের ১০ মার্চ একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে ১৫ এপ্রিলকে আন্তর্জাতিক সুস্থতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এতে নেপাল ছিল প্রস্তাব উত্থাপনকারী দেশ এবং ১৪৩টি সদস্য রাষ্ট্র এ প্রস্তাবকে সমর্থন করে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা, নেপালি কমিউনিটির সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বাসস



