ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ডে’ অংশ নেবে না ভ্যাটিকান

ভ্যাটিকান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’-এ অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছে, কারণ তারা জাতিসঙ্ঘকে বিশ্বের শীর্ষ সঙ্কট সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন এই বোর্ডকে জাতিসঙ্ঘের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখতে আশঙ্কা করছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’-এ অংশগ্রহণ করবে না ভ্যাটিকান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘শান্তি বোর্ড’-এর চেয়ারম্যান। এই বোর্ডটি প্রাথমিকভাবে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধের পর গাজা যুদ্ধবিরতি এবং ভূখণ্ডের পুনর্গঠন তত্ত্বাবধানের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

কিন্তু পরবর্তীতে এর উদ্দেশ্য পরিবর্তিত হয়ে বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক সংঘাত সমাধানের দিকে বিস্তৃত হয়েছে, যার ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে এটিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জাতিসঙ্ঘের প্রতিদ্বন্দ্বী তৈরি করতে চান।

সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন, এটি জাতিসঙ্ঘের পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একক বিশ্বব্যবস্থা বা ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে ।

কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিন বলেছেন, জাতিসঙ্ঘ বিশ্বের শীর্ষ সঙ্কটগুলো সমাধান করে থাকে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে যা সমাধান করা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জাতিসঙ্ঘই এই সঙ্কট পরিস্থিতি পরিচালনা করে, এটি এমন একটি বিষয় যার ওপর আমরা জোর দিয়েছি।’

গত জানুয়ারিতে দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ট্রাম্প তার ‘শান্তি বোর্ড’ চালু করার পর থেকে কমপক্ষে ১৯টি দেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সনদে স্বাক্ষর করেছে।

স্থায়ী সদস্যপদ লাভের জন্য দেশগুলোকে ১ বিলিয়ন ডলার দিতে বলা হয়েছে এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণ সমালোচনার মুখে পড়েছে, যার দেশ ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণ করেছে।