ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, মস্কোর বৃহৎ আক্রমণ শুরুর পর থেকে একক হামলায় এটিই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আক্রমণ।
ট্রাম্প-পুতিনের ফোনালাপে ‘কোনো অগ্রগতি না হওয়ার’ পরই এই হামলা এসেছে।
কিয়েভে অবস্থানরত ডয়চে ভেলের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, মধ্যরাতের পর বিস্ফোরণের শব্দে তার ঘুম ভেঙে যায় এবং সকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকে।
কিভের উত্তর ও পশ্চিম অংশে একাধিক এলাকায় হামলা হয়েছে। ভবন, স্কুল, চিকিৎসাকেন্দ্র ও পরিবহন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাতাসে রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতির কারণে জানালা না খোলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বিশেষভাবে উদ্বেগের বিষয় হলো- কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আটকানো যায়নি।
এদিকে ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। এই অবস্থায় ডেনমার্কের কাছে সাহায্য চাইতে সেই দেশে পৌঁছেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র পাঠানো বন্ধ করায় টানও পড়েছে পাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য অস্ত্রভাণ্ডারে। রাশিয়ার ড্রোন এবং অন্যান্য বিমান হামলা আটকাতে ইউক্রেনের অস্ত্র সাহায্য প্রয়োজন।
ডেনমার্ক থেকে জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ‘আমাদের মার্কিন সাহায্য প্রয়োজন কারণ এমন অনেক অস্ত্র আছে যা ইউরোপে পাওয়া যায় না।’
এদিকে আজ শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে কথা বলার কথা জেলেনস্কির।



