ফরাসি রাষ্ট্রদূত নিয়োগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা করছে ফ্রান্স

কূটনৈতিক বিরোধের পর যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ফরাসি রাষ্ট্রদূত নিয়োগের প্রক্রিয়ায় যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসনে প্যারিস ও ওয়াশিংটন আলোচনা করছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের পতাকা
যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের পতাকা |সংগৃহীত

কূটনৈতিক বিরোধের পর যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ফরাসি রাষ্ট্রদূত নিয়োগের প্রক্রিয়ায় যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসনে প্যারিস ও ওয়াশিংটন আলোচনা করছে।

গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিষয়টির সাথে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি বার্তাসংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ যুক্তরাষ্ট্রে ফ্রান্সের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে অরেলিয়েন লেকভ্যালিয়ের নাম প্রস্তাব করেছেন। তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর লেকভ্যালিয়ের নিয়োগের এই অনুমোদনকে আটকে রেখেছে।

লেকভ্যালিয়ে বর্তমানে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারোর চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর কোনো মন্তব্য করেনি।

সাধারণত ফরাসি রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন দেয়া একটি আনুষ্ঠানিক বিষয়। রাশিয়া বা ইরানের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন, কারণ এসব দেশের সাথে প্যারিসের সম্পর্ক তুলনামূলকভাবে বেশি উত্তেজনাপূর্ণ। জেনেভায় জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত ফরাসি মিশন যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়া ও অন্যান্য কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের সাথে তুলনা করলে, দু’দেশের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।

এ বছরের ২৪ জুলাই জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদে ভলকার টুর্কের জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়া ১০টি দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রও ছিল। উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া ও নিকারাগুয়াসহ আরো কয়েকটি দেশও ওই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়।

টুর্কের আরেক মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র বিরোধিতার পর ফরাসি মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লিখেছিল, ‘যুক্তরাষ্ট্র একসময় মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা ছিল। এখন আর নয়।’

লেকভ্যালিয়ে বর্তমান রাষ্ট্রদূত লরাঁ বিলির স্থলাভিষিক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র : বাসস