ইউক্রেনগামী একটি মালবাহী জাহাজে রুশ ড্রোন হামলায় এক নাবিক নিহত হন। ইউক্রেনের উপপ্রধানমন্ত্রী ওলেক্সি কুলেবা সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, ইউরোপের সবচেয়ে প্রাণঘাতী এই সঙ্ঘাত বন্ধে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক মস্কো ও কিয়েভ পরস্পরের ওপর হামলা জোরদার করেছে।
কুলেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে লিখেছেন, ‘ড্রোন হামলায় পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজে আগুন ধরে যায়। এতে এক নাবিক নিহত হয়েছেন। তিনি ৫৮ বছর বয়সী একজন রাঁধুনি ও মিসরের নাগরিক।’
তিনি জানান, তুরস্ক ও ভারতের নাগরিকসহ আটজন নাবিক লাইফ রাফটে করে প্রাণে রক্ষা পান।
হামলায় জাহাজটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এটি সমুদ্রে চলাচলের সক্ষমতা হারিয়েছে।
ইউক্রেনীয় নৌবাহিনী জানায়, ড্রোন হামলার পর পানামার পতাকাবাহী তুরস্কের মালবাহী জাহাজ ‘ভিকট্রেস’-এ ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
নৌবাহিনী টেলিগ্রামে দেয়া এক বার্তায় বলেছে, ‘এই ঘটনা আবারো প্রমাণ করে যে রুশ ফেডারেশন আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের নীতিমালা লঙ্ঘন অব্যাহত রেখেছে এবং বেসামরিক নৌপরিবহনের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।’
কুলেবা জানান, রাশিয়া পালাউ ও বেলিজের পতাকাবাহী আরো কয়েকটি জাহাজেও হামলা চালিয়েছে। তবে সেখানে কেউ হতাহত হয়নি।
রাশিয়ায় সোমবার ড্রোন হামলার আশঙ্কায় মস্কোর চারটি বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
সূত্র : বাসস



