ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মূল লক্ষ্য হলো আলোচনার টেবিলে একটি আসন নিশ্চিত করা এবং রাশিয়াকে ইউক্রেন থেকে প্রত্যাহার করানো। তিনি পুতিনের সাথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন না। এটি পূর্ববর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ‘ইউক্রেন ছাড়া ইউক্রেন সম্পর্কে কিছুই নয়’ নীতির সাথে তীব্র বৈপরীত্য তৈরি করেছে।
আলাস্কায় বৈঠকের পর ট্রাম্প জেলেনস্কিকে আলোচনায় যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন; সম্ভবত একটি ত্রি-পক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে—যদি পুতিন এতে সম্মত হন। তবে ট্রাম্প আবারো জোর দিয়ে বলেছেন, ইউক্রেনকে কিছু অঞ্চল ছাড় দিতে হবে, যা জেলেনস্কি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
সেন্টার ফর ইউরোপীয় পলিসি অ্যানালাইসিস-এর সদস্য ওলগা টোকারিউক বলেন, ‘মনে হচ্ছে দু’টি বৃহৎ শক্তিই ইউক্রেনের ভাগ্য নির্ধারণ করছে, কোনো ইউক্রেনীয়কে টেবিলে না রেখেই।’ তার মতে, ইউক্রেনের জন্য সবচেয়ে ভালো পরিস্থিতি হবে পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে কোনো চুক্তি না হওয়া এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা।
তবে বিশ্লেষক হার্বস্টের মতে, জেলেনস্কি এমন একটি চুক্তি মেনে নিতে পারেন, যেখানে রাশিয়া তার বর্তমান দখলকৃত ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে। তবে এর জন্য আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়া হবে না। অন্যদিকে, পুতিনকে মেনে নিতে হবে যে ইউক্রেনের আরো বেশি দখল এবং রাশিয়ান সাম্রাজ্য পুনর্গঠনের তার ধারণা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
সূত্র : আল জাজিরা



