উত্তর ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর জোট জেইএফ-এ ‘বর্ধিত অংশীদারিত্ব’ মর্যাদা পেয়েছে ইউক্রেন। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জন হিলি।
ওসলো থেকে এএফপি জানায়, ব্রিটেনের নেতৃত্বাধীন ১০ সদস্যবিশিষ্ট জেইএফ-এ রয়েছে ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও সুইডেন। এ দেশগুলোর সবই ন্যাটোর সদস্য।
নরওয়েজিয়ান সম্প্রচার সংস্থা এনআরকে-কে হিলি বলেন, ‘আমি মনে করি এই চুক্তি পুতিনের জন্য একটি কড়া বার্তা। আর তা হলো- ইউরোপে ইউক্রেনের বিশ্বস্ত মিত্র রয়েছে এবং জেইএফভুক্ত এই ১০ দেশ প্রতিজ্ঞ যে যতদিন প্রয়োজন, আমরা ততদিন ইউক্রেনের পাশে থাকব।’
আর্কটিক অঞ্চলের নরওয়েজিয়ান শহর বোডোতে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। সেখানে জোটভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের সাথে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ডেনিস শ্মিগালের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে শ্মিগাল বলেন, ‘ইউক্রেন জেইএফ-কে শক্তিশালী করতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা হাইব্রিড আগ্রাসন মোকাবিলা, বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর ব্যবহার, ড্রোনের ব্যবহার, জাতীয় অবকাঠামোর সুরক্ষা এবং দূরপাল্লার হামলা বিষয়ে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করব।’
নরওয়ের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, এই চুক্তি ‘সহযোগিতা জোরদার করেছে’ এবং মিত্রদের মধ্যে আরো দ্রুত ও কার্যকর সমন্বয় সম্ভব করেছে।
তিনি এনআরকে-কে বলেন, ‘এই চুক্তি ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য হওয়ার প্রস্তুতিতে সহায়তা করছে।’
২০২৩ সালে ভিলনিয়াসে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে ন্যাটোভুক্ত দেশের নেতারা বলেন, এই জোটে ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।
জেইএফ গঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালে, যখন রাশিয়া ইউক্রেন থেকে ক্রিমিয়া দখল করে নেয়।
সূত্র : এএফপি/বাসস



