রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে প্যারিসে বৈঠকে বসছেন ইউক্রেনের মিত্ররা

ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত এবং রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যে সোমবার (১৩ জুলাই) প্যারিসে বৈঠকে বসছেন দেশটির মিত্ররা। বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ভ্লাদিমির পুতিন ও ভলোদিমির জেলেনস্কি
ভ্লাদিমির পুতিন ও ভলোদিমির জেলেনস্কি |সংগৃহীত

ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত এবং রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যে সোমবার (১৩ জুলাই) প্যারিসে বৈঠকে বসছেন দেশটির মিত্ররা। বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।

শুক্রবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, ‘ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের উদ্যোগে গঠিত ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ দেশগুলোর জোট’-এর এই সম্মেলনে ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখা, যুদ্ধবিরতির আহ্বান এবং নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরুর বিষয়ে জোর দেয়া হবে।’

রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দিতে এই জোট গঠন করা হয়েছিল।

ফ্রান্সের জাতীয় দিবস বাস্তিল ডে’র একদিন আগে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে কমপক্ষে ২৫টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা অংশ নেবেন। জেলেনস্কি ও অন্যান্য নেতারা ১৪ জুলাই প্যারিসের শঁজেলিজে সড়কে অনুষ্ঠিত সামরিক কুচকাওয়াজেও অংশ নেবেন। এবারের কুচকাওয়াজে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।

ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় বলেছে, এই সম্মেলন এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন আটলান্টিকপারের দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতা নতুন করে জোরদার হচ্ছে এবং ইউক্রেনের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রেও কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর একজন উপদেষ্টা বলেন, সোমবারের বৈঠক এই অগ্রগতিকে আরো এগিয়ে নেবে। এর মাধ্যমে ইউক্রেনের সমর্থক দেশগুলো দেখাতে চায় যে তারা ইউক্রেনের জনগণের পাশে দৃঢ়ভাবে রয়েছে এবং তাদের সমর্থনে কোনো ধরনের ক্লান্তির লক্ষণ নেই। রাশিয়াও যেন এমন কোনো দুর্বলতার সুযোগ নিতে না পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করলেও মস্কো ও কিয়েভ—উভয় পক্ষের সমালোচনা করেছেন। তবে চলতি বছরের জুনে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলন এবং এ সপ্তাহে তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো বৈঠকে তিনি ইউক্রেনকে আরো বেশি সহায়তা দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

এদিকে, রাশিয়ার জ্বালানি কিনছে এমন দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিদলীয় একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগও এগিয়েছে, যা মস্কোর ওপর আরো কঠোর চাপ তৈরির পথ তৈরি করতে পারে।

সূত্র: বাসস