ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন যৌথ নিষেধাজ্ঞা আরোপের লক্ষ্যে একটি প্রতিনিধিদল ওয়াশিংটন পাঠাচ্ছে।
শুক্রবার পশ্চিম ইউক্রেনের উজহোরোদে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথে বৈঠকের পর ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা এ তথ্য জানান।
কস্তা বলেন, ‘আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য সমমনা অংশীদারদের সাথে কাজ করছি যাতে আরো প্রত্যক্ষ ও গৌণ নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আমাদের চাপ বৃদ্ধি করা যায়।’
তিনি যোগ করেন, আমেরিকান বন্ধুদের সাথে আলোচনার জন্য একটি ইউরোপীয় দল ওয়াশিংটন, ডিসি সফর করবে। তবে প্রতিনিধিদলে কারা থাকবেন তা তিনি প্রকাশ করেননি।
ইইউ কমিশনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন ইইউর নিষেধাজ্ঞা দূত ডেভিড ও’সুলিভান। অন্যদিকে, কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইন ঘোষণা করেছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইইউর ১৯তম নিষেধাজ্ঞার প্যাকেজ সেপ্টেম্বরের শুরুতে উন্মোচন করা হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই প্যাকেজের উদ্দেশ্য ‘প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আলোচনার টেবিলে আনা।’
ইউক্রেন ও তার মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়ে আসছে মস্কোর বিরুদ্ধে আরো শাস্তিমূলক নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য, যাতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরে আসতে বাধ্য হন।
এদিকে, গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রেমলিনকে ইউক্রেনে আক্রমণ বন্ধ করার জন্য দুই সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, তা না হলে রাশিয়া ‘ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা, বিশাল শুল্ক বা উভয়টির’ মুখোমুখি হবে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি।
ট্রাম্প আরো হুমকি দেন, রুশ তেল কেনার শাস্তি হিসেবে ভারতকে ৫০ শতাংশ উচ্চ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। যদিও হোয়াইট হাউস এখনো মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের প্রস্তাবিত ৫০০ শতাংশ সেকেন্ডারি শুল্ককে সমর্থন জানায়নি।
সূত্র : পলিটিকো



