ইউক্রেনের ‘বৃহৎ’ ড্রোন হামলায় রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে একজন নিহত এবং অপর একজন আহত হয়েছেন। এ হামলায় একটি তেল শোধনাগারে আগুনও ধরে যায়।
সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের গভর্নর রোববার (২৮ জুন) এ তথ্য জানিয়েছেন।
ক্রাসনোদার অঞ্চলের গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ বলেন, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকটি বাড়িঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ক্রাসনোদার অঞ্চল শত্রুপক্ষের ব্যাপক ড্রোন হামলার মুখে পড়ে দুঃখজনকভাবে একজন নিহত হয়েছেন।’
গভর্নর আরো বলেন, এই হামলায় একজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলেই তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে।
কন্দ্রাতিয়েভ বলেন, ‘শহরের একটি তেল শোধনাগারেও আগুন লাগে। এছাড়া একটি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ও একটি গ্যাস পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগার স্লাভিয়ানস্ক-অন-কুবান অয়েল রিফাইনারি স্লাভিয়ানস্ক ইকো গ্রুপের মালিকানাধীন। এটি রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়া উপদ্বীপের কাছে অবস্থিত।
এর আগেও ইউক্রেন একাধিকবার এ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, মস্কোসহ দেশটির বেশ কিছু অঞ্চলে মোট ২১৩টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
যুদ্ধ চলাকালে রাশিয়ার বেসামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার জবাবে ইউক্রেন ধারাবাহিকভাবে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য মস্কোর আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল করতে এ ধরনের হামলা আরো জোরদার করেছে কিয়েভ।
অন্যদিকে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় হামলা শুরুর পর থেকে রাশিয়া প্রায় প্রতিদিনই ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে আসছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সঙ্ঘাত এটি।
সূত্র: বাসস



