রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় কমপক্ষে ১৭ জন নিহত এবং আরো কয়েক ডজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়।
ইউক্রেন রাশিয়ার ছোড়া অধিকাংশ ড্রোন ভূপাতিত করলেও একটি ক্ষেপণাস্ত্রও প্রতিরোধ করতে পারেনি। রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হামলার মুখে এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি আরো প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের জন্য আবারো মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কিয়েভ।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া কিয়েভে হামলার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। তারা সাধারণত স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একযোগে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা কঠিন। এতে ভবন কেঁপে ওঠে এবং পুরো শহরে বিস্ফোরণের শব্দ প্রতিধ্বনিত হয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সক্ষমতা থাকলে আজ যারা নিহত হয়েছেন, তাদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হতো।’
তিনি জানান, হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন।
ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানায়, রাতে রাশিয়া ছোড়া ১১৫টি ড্রোনের মধ্যে ৯৮টি ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে বিমান বাহিনীর প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রও প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি।
ইউক্রেন বেশিভাগ ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হলেও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে এখনো মিত্র দেশগুলোর সরবরাহ করা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।
জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছেন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার তীব্র সঙ্কটে রয়েছে ইউক্রেন। বিশেষ করে রাশিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার বাড়িয়ে দেয়ায় এই সঙ্কট আরো প্রকট হয়েছে।
বার্তাসংস্থা এএফপির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জুলাই মাসে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রেকর্ডসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রাশিয়া।
সূত্র: বাসস



