দক্ষিণ কোরিয়া-ইতালি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত

দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইতালি আজ সোমবার সিউলে এক দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলনে ‘বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ’ মোকাবেলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা সম্প্রসারণে সম্মত হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
দক্ষিণ কোরিয়া-ইতালি
দক্ষিণ কোরিয়া-ইতালি |সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইতালি আজ সোমবার সিউলে এক দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ সম্মেলনে ‘বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ’ মোকাবেলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা সম্প্রসারণে সম্মত হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং তার দফতরে শীর্ষ সম্মেলনের জন্য ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে স্বাগত জানান। এটি প্রায় দুই দশকের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় একজন ইতালীয় নেতার প্রথম সফর।

বৈঠকের পর অতি-ডানপন্থী নেতার সাথে কথা বলতে গিয়ে লি বলেন, দুই দেশ ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ এবং বিমান চলাচলের মতো উন্নত শিল্পে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারিত করবে।’

লি আরো বলেন, এছাড়া আমরা পারস্পরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে প্রতিরক্ষা শিল্পে পরিপূরক সহযোগিতা অনুসরণ করব।’

ইউক্রেনে রাশিয়ার দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে পোল্যান্ডসহ মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে দক্ষিণ কোরিয়ার অস্ত্র নির্মাতাদের কাছ থেকে ব্যাপক অস্ত্র ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যার ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ কোরিয়া একটি প্রধান অস্ত্র রফতানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া ১৯৫০-৫৩ সালের কোরিয়ান যুদ্ধের পর থেকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় দেশগুলোতে দ্রুত অস্ত্র রফতানি করে আসছে।

তবে যুদ্ধে লিপ্ত দেশগুলোতে অস্ত্র সরবরাহে বাধা দেয়ার অভ্যন্তরীণ নীতির কারণে তারা ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ করেনি।

মেলোনি বলেন, ‘ইউক্রেনে যুদ্ধ প্রতিটি দিক থেকে ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই কারণে আমরা বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার নতুন রূপ অনুসরণ চালিয়ে যাব।’ তিনি সিউলকে জি৭ এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের মধ্যে একটি’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

লি ‘বিশ্ব শান্তিতে অবদান রাখার জন্য একসাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার’ ও ‘শান্তির সার্বজনীন মূল্য রক্ষা করার এবং সারা বিশ্বে প্রসারিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

সূত্র : এএফপি/বাসস